স্বামীনারায়ণ
হিন্দু সন্ন্যাসী, স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের প্রবর্তক—
(এই ভদ্রলোক কে ঠিক কি কারণে একটা সম্প্রদায়ের জন্ম দিতে হয়েছিল?একদিকে প্রচার আছে আজও,হিন্দুরা নানা জাত আর সম্প্রদায়ে বিভক্ত।এটা বেশী করে প্রচার করা শুরু হয় বৃটিশ আমল থেকে যার মধ্যেই পড়ছে এই সময়টা, যখন স্বামী নারায়ন নামের মানুষটির উত্থান হয়।তাহলে বৃটিশরা কি করে একটা নতুন সম্প্রদায়ের জন্ম দিতে স্বীকৃতি দিল ভদ্রলোক কে?তারা নাকি ভারতের উন্নতি করার জন্য জীবন বাজি রেখেছিল!নাকি ধরে নেব এই ভদ্রলোক কে দিয়ে নতুন সম্প্রদায়
বৃটিশরাই সৃষ্টি করিয়েছিল?সোজা কথায় এই ভদ্রলোক ও রামকৃষ্ণ,বিবেকানন্দ,যোগানন্দ,আন ন্দময়ী,মহাত্মা গান্ধী,প্রভুপাদ,ওসো,লাহেড়ী মশাই হয়ে আজকের জাগ্গী বাসুদেব পর্যন্ত দলে দলে তৈরী হওয়া জ্যান্ত ভগবানদের মতো ই বৃটিশদের তৈরী আরেকজন হাতিয়ার?একজন ফ্রিম্যাসন?)
স্বামীনারায়ণ ( ৩ এপ্রিল ১৭৮১ – ১ জুন ১৮৩০), সাহাজানন্দ স্বামী হিসাবেও পরিচিত(এমন মুস…..এর মত নাম গ্রহন করেছিলেন কেন ভদ্রলোক?)বলা হয় তিনি ছিলেন একজন যোগী এবং একজন সন্ন্যাসী, যার জীবন ও শিক্ষা কেন্দ্রীয় হিন্দু প্রথাগুলির ধর্ম, অহিংসা এবং ব্রহ্মচর্চাকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল।(অহিংসা,ব্রহ্মচর্য ইত্যাদি কবে হিন্দু ধর্মের অংশ হয়ে উঠেছিল?কিভাবে হয়ে উঠেছিল?কোন শাস্ত্রে এই আদেশ লিপিবদ্ধ আছে?কোন শাস্ত্রাদেশ মেনে এই ভদ্রলোক এসব নীতি সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?এনার প্রতিষ্ঠা করা পথই পরবর্তীতে কি মহাত্মা গান্ধী ও অনুধাবন করেছিলেন?একই পথ বারংবার অনুসরণ করে তাকে পাকাপোক্ত ভাবে হিন্দু সমাজে প্রতিষ্ঠা করে হিন্দু সমাজের সর্বনাশ কারা করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল এনাকে বা এনাদের?অসিংসা অহিংসা করে করে হিন্দুদের শত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার শক্তি নাশ করা হয়েছিল আর ব্রহ্মচর্য ব্রহ্মচর্য করে করে হিন্দুদের বিবাহ বিমুখ করে সন্তান জন্ম দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল আর হিন্দু নারীদের বিপথে চালিত করা শুরু হয়েছিল।বিবাহিত পুরুষরা ব্রহ্মচর্যের পেছনে ধাবিত হলে স্ত্রী তো বর্হিমূখী হবেই)।
তিনি ও তার অনুসারীরা তাকে ঈশ্বরের পাঠানো দূত বলে বিশ্বাস করতেন।(এই ম্যাসেঞ্জার অফ গড প্রথম চালু হয় একেশ্বাদ নামক উদ্ভট মতবাদ চালু হওয়ার পর থেকে এবং এটা প্রথম জন্ম হয় ইজরায়েলে মুসা বা মোজেস এর জন্ম হওয়ার পর।এরপর সেই ইজরায়েলেই দ্বিতীয় ম্যাসেঞ্জার অফ গড জন্ম নিয়েছিল যীশু হিসেবে কিন্তু সেই যীশু আবার ইজরায়েলে হত্যা হয়ে যাবার পরও কিডন্যাপ হয়ে চলে যায় ইউরোপ, অ্যামেরিকায় এবং ইউরোপ,অ্যামেরিকায় ওনাকে প্রথমে ম্যাসেঞ্জার অফ গড যীশু খৃষ্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পর ধীরে ধীরে তাকেই স্বয়ং গডের আসনে বসিয়ে দেওয়া হয়।
তবে সত্যি কথা বলতে এই মহামারীর প্রথম জন্ম হয় ভারতে ই,মহাবীর আর বুদ্ধের মাধ্যমে।বৌদ্ধ ধর্ম দাবী করে সিদ্ধার্থের আগে সাতাশজন বুদ্ধ জন্ম নিয়েছিলেন,সিদ্ধার্থ আঠাশতম বুদ্ধ,ভবিষ্যতে আরও একজন বুদ্ধ জন্ম নেবেন।জৈন ধর্ম দাবী করে মহাবীরের আগে তেইশজন তীর্থঙ্কর জন্ম নিয়েছিলেন,মহাবীর শেষ তীর্থঙ্কর,আর কোন তীর্থঙ্কর জন্ম নেবেন না।এই জৈন ধর্ম থেকেই মহম্মদ অনুপ্রাণীত হয়ে নিজেকে শেষ নবী ঘোষণা করেছিলেন।
তো এই মহাবীর থেকে বুদ্ধ হয়ে ইজরায়েলের মোজেস হয়ে খৃষ্টানদের যীশু খৃষ্ট হয়ে মুসলমানদের মহম্মদ পর্যন্ত পৌঁছায় একেশ্বরবাদ আর ম্যাসেঞ্জার অফ গডের ভূত।তারপর কিছুটা থমকে যায় এই রোগ কারণ তখন এতগুলো একেশ্বরবাদ আর ম্যাসেঞ্জার অফ গডের ভূতের তাড়নায় ই মানুষ তখন নাজেহাল হচ্ছিল।তারপর আবার বৃটিশ আমলে নতুন করে শুরু হয় এই ভূতের দাপট আর সেটা অবিভক্ত ভারতেই ডানা মেলা শুরু করেছিল।ভারতে রামকৃষ্ণ কে তো ঈশ্বর ই বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।অবিভক্ত ভারতের বা আজকের বাংলাদেশে আনন্দময়ী মা নামে একজন জন্ম নেন বৃটিশদের সৌজন্যে,তালিকা অনেক বিশাল।
তেমন ই একজন এই স্বামী নারায়ন বা ঘনশ্যাম পান্ডে বা নীলকান্ত বর্নি সাহাজানন্দ বা স্বামীনারায়ন।
স্বামী নারায়ন নিজে কেন নিজেকে ঈশ্বরের দূত বলে প্রচার করতেন?উনি প্রথমে প্রচার করেই ওনার শিষ্যদের প্ররোচিত করেছেন ওনাকে ঈশ্বরের দূত বলে মেনে নিতে এবং প্রচার করতে।প্রত্যেকেই এই পথ অবলম্বন করে চলেছেন সুদীর্ঘকাল ধরে এবং এর শুরুটা বৃটিশ আমলেই বলতে গেলে প্রথম শুরু হয়।তার আগে বিভিন্ন মানুষ ঈশ্বরের বানী ই প্রচার করতেন,নিজেকে ঈশ্বর বলার রেওয়াজ তেমন দেখা যেতনা।
রামকৃষ্ণের মত ইনি ও কেন ব্যাক্তি পুজাকেও প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন?বৃটিশ শাষণামলেই কেন এত ব্যাক্তি ভগবানের জন্ম হয়েছিল দলে দলে?আজও কেন সেই ধারা অব্যাহত আছে?এত ভগবান ই যদি জন্মায় তারপরেও কেন পৃথিবী এত অশান্ত?অসুখী?অভুক্ত?হানাহানি?রক্তক্ষয়?এদের তো তারমানে কোন যোগ্যতাই নেই,তারপরও কেন এদের নামে হাজার হাজার মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় পৃথিবী জুড়ে?কি হয় ওসব মন্দিরে?হিন্দু বিরোধী কাজকর্ম?ভারত বিরোধী কাজকর্ম?এসব মন্দির কে সামনে রেখে কি বৃটিশরা এবং ভারত দখলকারী সব খৃষ্টা….দেশগুলো তাদের কর্মকান্ড চালায়?এত অসংখ্য ভগবান জন্ম নিয়েছিল আর আজও নিয়ে চলেছে যাদের তালিকা শেষ হবার না তাই এখান বরং আলোচ্য বিষয় স্বামী নারায়নের উপরেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করি।)
স্বামীনারায়ণ
ছবি
শিক্ষাপাত্রী রচনা স্বামীনারায়ণের
স্বামীনারায়ণ,
জন্ম ……ঘণশ্যাম পান্ডে
৩ এপ্রিল ১৭৮১
ছাঁপাইয়া (বর্তমান উত্তরপ্রদেশ, ভারত)
মৃত্যু—১ জুন ১৮৩০ (বয়স ৪৯)
গাঁধাডা (বর্তমান গুজরাত, ভারত)
প্রতিষ্ঠাতা—স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়
গুরু—-স্বামী রামানন্দ
ছবি
স্বামীনারায়ণের জন্ম: স্বামীনারায়ণ এবং তাঁর মা ভক্তিমাতা।
১৭৮১ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের ছাপাইয়া গ্রামে স্বামীনারায়ণ জন্মগ্রহণ করেন। ১৭৯২ সালে ১১ বছর বয়সে তিনি নীলকান্ত বর্নি (Barni is a Muslim Boy name and it is Urdu originated name Meaning Young, grown up.) নাম গ্রহণ করে সাত বছরের তীর্থযাত্রা শুরু করেন(উনি এমন নামই কেন গ্রহন করেছিলেন?নীলকান্ত নামটি হয়েছে নীলকন্ঠ থেকে,নীলকন্ঠ বলতে মহাদেবকে বোঝায় যিনি সমুদ্র মন্থনে ওঠা কালকুটা বিষ পান করেছিলেন।মহাদেবের নামের সাথে কেন উর্দূ মুসলিম নাম যুক্ত করেছিলেন?)
বলা হয় এই যাত্রার সময় তিনি নানা কল্যাণমূলক কার্যক্রম করেন এবং এই যাত্রার ৯ বছর ১১ মাস পর তিনি ১৭৯৯ সালে গুজরাত রাজ্যে বসতি স্থাপন করেন।(ঘনশ্যাম পান্ডে প্রথমে নীলকান্ত বর্নি হলেন তারপর সাহাজাননন্দ হলেন তারপর আবার স্বামী নারায়ন হলেন।একজন ব্যাক্তিকে কেন এতবার নাম বদল করতে হলো?প্রথম দুটি নামই যথেষ্ট সন্দেহজনক।শেষে আবার তিনি ই স্বামীনারায়ণ হয়ে গেলেন।আগের দুটো নামে তখন ওনার কি সমস্যা হচ্ছিল?মাত্র এক বছরের মধ্যে ওনার গুরু রমাকান্ত সব কিছু ওনার হাতে কেন তুলে দিয়েছিলেন?নাকি তার থেকে সব ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল?তা না হলে এতবার কেন নিজের নাম বদল করার দরকার পড়েছিল?এবং শুধু তাই না সম্প্রদায়ের নামটাও বদলে ফেলার দরকার হয়েছিল?)
১৮০০ সালে তিনি তার গুরু স্বামী রমানন্দ দ্বারা উদ্ভাব সম্প্রদায়ের সূচনা করেন এবং তাকে নাম দেওয়া হয় সাহাজানন্দ স্বামী।(উদ্ভাব নামের সম্প্রদায় আসলে কে তৈরী করেছিলেন?বলা হয়েছে রমানন্দ উদ্ভব সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব হস্তান্তর করেছিলেন তারমানে ওই সম্প্রদায় তিনি ই তৈরী করেছিলেন। কেন তৈরী করেছিলেন?কেনই বা পরে সেই নাম বদল করে স্বামীনারায়ন সম্প্রদায় করা হয়েছিল?নিজের নামও এতবার কেন বদল করার দরকার হলো?আসল শব্দটি সহজানন্দ অর্থ যে বা যিনি সহজেই আনন্দ লাভ করেন সেই শব্দকে বদলে কেন সাহাজানন্দ করলেন?)।
১৮০২ সালে তার গুরু তার মৃত্যুর পূর্বে উদ্ভাব সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব হস্তান্তর করেছিলেন।সাহাজানন্দ স্বামী একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেন এবং “স্বামীনারায়ণ মন্ত্র” শিক্ষা দেন। এদিন থেকে তিনি স্বামীনারায়ণ নামে পরিচিত ছিলেন। উদ্ভাব সম্প্রদায় পরে স্বামীণারায়ন সম্প্রদায় নামে পরিচিতি পায়।(এই ভদ্রলোকের ব্যাপারে সব তথ্য এত গোলমেলে কেন?কোন তথ্যই স্বচ্ছ না।প্রথম থেকে বলা হয়েছে উনি স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের জন্ম দেন কিন্তু শেষের দিকে এসে বলা হচ্ছে ওনার গুরু রমানন্দ উদ্ভব সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব ওনার হাতে হস্তান্তর করেছিলেন।তাহলে যে সব মানুষের নেতৃত্ব হস্তান্তর করা হয়েছিল তারা সবাই রমাকান্তের ই শিষ্য ছিলেন তার অর্থ রমাকান্ত তাদের সবাইকে অবশ্যই তার মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলেন তাহলে আবার নীলকান্ত বর্নি কেন দ্বিতীয় বার তাদের সবাইকে নিজের মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলেন?স্বামীনারায়ণ যদি রমাকান্তের শিষ্য হন তাহলে তার উদ্ভব সম্প্রদায় যে মন্ত্রে দীক্ষিত সেই একই মন্ত্রে ই তো বাকি সবার ও দীক্ষিত হওয়ার কথা অর্থাৎ সবাই ই গুরু ভ্রাতা বা ভগ্নী হওয়ার কথা তাহলে নীলকান্ত বর্নি আবার কোন মন্ত্র দীক্ষা দিয়েছিলেন?যদি অন্য কোন দীক্ষা দিয়ে থাকেন তার অর্থ হয় তিনি নিজে ই গুরুমন্ত্র অস্বীকার করেছিলেন তাহলে তিনি নিজে কোন মন্ত্র দীক্ষা দিতেন?)
ব্রিটিশ রাজ্যের সাথে স্বামীনারায়ণ একটি ভাল সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।(প্রথম সন্দেহ আর গোলমালের কারণ এই ভাল সম্পর্কের মধ্যেই নিহিত)তার কেবল হিন্দু সম্প্রদায়েরই নয় বরং ইসলাম ও জরোস্ট্রিয়ানিজম এর অনেক অনুসারী ছিল।(কেন?আর কি ভাবে এটা সম্ভব?ইসলামিক নীতি,আদর্শ সম্পূর্ণ ভিন্ন তাহলে কিভাবে মুসল……রা স্বামীনারায়নের অনুসারী হয়েছিল? কোন মতবাদ তারা মেনে চলতো?কোন আদর্শ তারা মেনে চলতো?কোন মুসল….তো কোন মতেই কোন কাফেরের শিষ্যত্ব গ্রহন করতেই পারেনা।করলে সে ইসলা….ত্যাগী হয়ে যায় আর ইসলা…..ত্যাগীর একমাত্র শাস্তি মৃত্যু দন্ড তাহলে তারপরেও কেন মুসল……দে প্রতি ইসলা…..কোন পদক্ষেপ নেয়নি?তাহলে কি এটা ধরে নিলে ভুল হবে স্বামীনারায়নের আদর্শের মধ্যে ইসলা…..র আদর্শকেই লালন করা হয়েছে?তাই মুসল……রা কোন প্রতিবাদ আজও করেনা?আরবের দেশগুলোতেও স্বামীনারায়নের মন্দির খুলতে দেয়?
অন্যদিকে জোরাস্ট্রিয়ানরাও মূর্তি পুজক হলেও তারা হিন্দু ধর্মের সাথে নৈকট্য কোনদিন করেনি,অতীতে ইসলামিক আগ্রসনের জন্য পার্সীরা ভারতে আশ্রয় ভিক্ষা করে,আশ্রয় ও পায় কিন্তু তারপরেও শর্ত রাখে তাদের মন্দিরের সাত কিলোমিটারের মধ্যে কোন হিন্দু যেতে পারবেনা তারপরেও কি ভাবে জোরাস্ট্রিয়ানরা স্বামীনারায়ণের দীক্ষিত হয়?কি এমন জাদু ছিল স্বামীনারায়ণের?
আর একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো স্বামীনারায়ণ মন্দিরে প্রতিদিন পাঁচ(মুসলমানদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মত) বার ‘আরতি’, সকালের দুই বার আরতির মধ্যবর্তী সময়ে ‘মহাপূজা’, তিন থেকে পাঁচ বার ‘কথা’ ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়।
স্বামীনারায়ন মন্দিরে অন্যান্য গুরুবাদের মত স্বামীনারায়ণের মর্তি ও পুজিত হয়।এমন আরও বহু সংগঠন আছে যারা কোন না কোন ব্যাক্তিকেই পুজা করে থাকে?তিনি তার জীবদ্দশায় ছয়টি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন এবং তার দর্শন বিস্তারের জন্য ৫০০ পরমহংস নিযুক্ত করেছিলেন।এই পরম হংস বস্তুটা আসলে কি?রামকৃষ্ণ একজন পরমহংস,যোগানন্দ ও একজন পরমহংস,পরমহংসদের ও ছড়াছড়ি চারদিকে)।
১৮২৬ সালে, স্বামীনারায়ণ সামাজিক নীতির উপর একটি বই শিক্ষাপত্রি লিখেছিলেন। ১৮৩০ সালের ১ জুন তার মৃত্যু হয় এবং গুজরাতের গাধারায় হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাকে সমাহিত করা হয়। তার মৃত্যুর পূর্বে, স্বামীনারায়ণ তার স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের দুটি অংশের দায়িত্ব পরিচালনা করার জন্য দুই ভাতিজাকে আচার্য হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন।(অর্থাৎ পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠা করে গেছিলেন এবং সেই ব্যাবসার মাধ্যমে তার বংশের মানুষরা যাতে দ্বন্দ সংঘর্ষ না করে ভাল ভাবে রোজগার করতে পারে তারজন্য এক সম্প্রদায়কে আবার ভেঙ্গে দুটো শাখাও করে দিয়ে গেছেন)। নারী ও দরিদ্রদের সংস্কারের জন্য এবং ব্যাপকভাবে অহিংস (অগ্নি উৎসর্গ) সম্পাদন করার জন্যও সমাজের মধ্যে স্বামীনারায়ণকে স্মরণ করা হয়।(স্বামীনারায়ণ ই তারমানে তথাকথিত অহিংসা মন্ত্র বা বলা ভাল কেউ কোন হিন্দুকে হত্যা করলে চুপচাপ নিহত হওয়ার শিক্ষা দেয় যা পরবর্তীকালে গান্ধী প্রবল ভাবে প্রচার করেছেন এবং কঠোর আদেশ দিয়েছেন হিন্দুদের।)