Uncategorized

লোকির বিষোদ্‌গার ও দেবসভায় অশান্তির কাব্য

লোকাসেনা: লোকির বিষোদ্‌গার ও দেবসভায় অশান্তির কাব্যউত্তর ইউরোপের প্রাচীন নর্স পুরাণের জগৎ এক আশ্চর্য বৈপরীত্যে নির্মিত। সেখানে দেবতারা যেমন মহাশক্তির অধিকারী, তেমনই তাঁরা ঈর্ষা, ক্রোধ, অহংকার, প্রেম, প্রতিহিংসা ও ভয়ের মতো মানবিক আবেগেরও অধীন। দেবতাদের এই মানবিক দুর্বলতাই নর্স পুরাণকে নিছক দেবকাহিনি না রেখে এক গভীর নাটকীয় সাহিত্যে পরিণত করেছে। সেই সাহিত্যের অন্যতম তীক্ষ্ণ, ব্যঙ্গাত্মক

লোকির বিষোদ্‌গার ও দেবসভায় অশান্তির কাব্য Read More »

নর্স দেবী ফ্রেজা

ফ্রেজা বা ফ্রাইযা নর্স বা নর্দীয় পুরাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেবী। তিনি মূলত প্রেম, বিবাহ, যৌনতা ও উর্বরতার সঙ্গে যুক্ত। তবে তার পরিচয় শুধু প্রেম বা সৌন্দর্যের দেবীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বর্ণ, প্রকৃতি, জ্ঞান, জাদুবিদ্যা, যুদ্ধ ও মৃত্যুর সঙ্গেও তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নর্স দেবতাদের মধ্যে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আধুনিক যুগের লেখালেখি ও চিত্রকলায়

নর্স দেবী ফ্রেজা Read More »

নর্স দেবী লীন

লীনলীন বা Hlín নর্স পুরাণের একজন নারী দেবী। তিনি প্রাচীন স্ক্যান্ডিনেভীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত। নর্স পুরাণ মূলত বর্তমান নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক ও আইসল্যান্ডের প্রাচীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত ছিল। তাই লীনকে কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের দেবী বলা ঠিক নয়। তাঁকে মূলত নর্স বা স্ক্যান্ডিনেভীয় পুরাণের দেবী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়।লীনকে সাধারণত একজন রক্ষাকর্ত্রী দেবী হিসেবে

নর্স দেবী লীন Read More »

নর্স দেবতা থর

নর্স পুরাণে থর (প্রাচীন নর্স ভাষা: Þórr) হলেন একজন হাতুড়ি-ধারী দেবতা। তিনি বজ্রবিদ্যুৎ, ঝড়, ওক গাছ, শারীরিক শক্তি, মানবজাতির সুরক্ষা এবং প্রথাগত পবিত্রকরণ অনুষ্ঠান, আরোগ্য ও উর্বরতার দেবতা। বৃহত্তর জার্মানিক পুরাণ ও প্যাগানিজমে থরের অনুরূপ দেবতার নাম প্রাচীন ইংরেজিতে Þunor এবং হাই ওল্ড জার্মান ভাষায় Donar (রুনিক লিপিতে þonar)। শব্দটির উৎস সাধারণ জার্মানিক *Þunraz শব্দটি,

নর্স দেবতা থর Read More »

উত্তরাধীকারের লড়াই

বাংলার উনিশ ও বিশ শতকের সাংস্কৃতিক ইতিহাস ভারতীয় আধুনিকতার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, সুভাষচন্দ্র বসু এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—এই ব্যক্তিত্বদের একই রাজনৈতিক বা দার্শনিক ধারার মানুষ হিসেবে দেখা যায় না। তাঁদের মধ্যে ধর্মীয় সংস্কারবাদী, সমাজসংস্কারক, সাহিত্যিক জাতীয়তাবাদী, মানবতাবাদী, সন্ন্যাসী-চিন্তক, বিপ্লবী জাতীয়তাবাদী এবং

উত্তরাধীকারের লড়াই Read More »

পারসীদের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ

টাটা গোষ্ঠীকে ঘিরে আলোচিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে এই বক্তব্যটি মূলত একটি দীর্ঘ প্রশ্নমুখী আলোচনা। আলোচনার শুরুতে টাটার প্রতিষ্ঠাতা জামশেদজি টাটার ব্যবসায়িক উত্থানের প্রসঙ্গ আসে। বলা হয়, ১৮৫৯ থেকে ১৮৬৯ সাল পর্যন্ত প্রায় দশ বছরে জামশেদজি টাটা ষাটেরও বেশি বার চীন সফর করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। তাঁর

পারসীদের ভারত বিরোধী কার্যকলাপ Read More »

মানব সভ্যতার ধ্বংস AI এর হাতে

মানুষ আগুন আবিষ্কার করেছিল। সেই আগুনে সে রান্না করেছে, শীতের রাতে উষ্ণতা পেয়েছে, অন্ধকার দূর করেছে। আবার সেই আগুন দিয়েই একদিন সে শহর পুড়িয়েছে, যুদ্ধ করেছে, মানুষ মেরেছে। মানুষ চাকা আবিষ্কার করেছিল, তারপর সেই চাকা গাড়িকে দ্রুত করেছে, পৃথিবীকে কাছে এনেছে। কিন্তু সেই চাকারই আধুনিক রূপ একদিন ট্যাঙ্ক হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ছুটেছে। মানুষ বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছে,

মানব সভ্যতার ধ্বংস AI এর হাতে Read More »

চোল যুগে পঞ্চায়েতি ব্যবস্থা

দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে চোলদের কথা উঠলেই প্রথমে মনে পড়ে তাঞ্জাভুরের সেই বিশাল মন্দির, পাথরের গায়ে খোদাই করা অগণিত লিপি, সমুদ্র পেরিয়ে ছুটে চলা নৌবহর, শ্রীলঙ্কা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত সাম্রাজ্যের কথা। রাজরাজ চোল কিংবা রাজেন্দ্র চোলের নাম ইতিহাসের পাতায় তাই বিশেষ উজ্জ্বল। কিন্তু একটি সাম্রাজ্য শুধু রাজা, যুদ্ধ আর বিজয়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকে না।

চোল যুগে পঞ্চায়েতি ব্যবস্থা Read More »

তিব্বত ও সিআইএ

১৯৫০-এর দশক থেকে তিব্বতি প্রতিরোধ আন্দোলন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Central Intelligence Agency বা CIA-এর সম্পর্ক শীতল যুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সম্পর্ককে বুঝতে হলে একদিকে তিব্বতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্যদিকে চীন-আমেরিকা বিরোধ, সোভিয়েত-আমেরিকান শীতল যুদ্ধ এবং Dalai Lama-এর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ভূমিকা—এই সবকিছুকে একসঙ্গে দেখতে হয়। CIA-এর তিব্বত অভিযান সম্পর্কে এখন যে তথ্য জানা যায়,

তিব্বত ও সিআইএ Read More »

নিরামিষ অতিথি দেব

বাড়িতে অতিথিকে ডেকে তার পছন্দ মত খাদ্য পরিবেশন করা ই ভদ্রতা আর নিজের পছন্দ মত খাদ্য তাকে জোর করে খেতে বাধ্য করা টা চরম রকম অভদ্রতা।ভারতে এখন নিরামিষ খাদ্য নিয়ে বাড়াবাড়ি মানসিক রোগের আকার ধারণ করেছে।এভাবে কি অতি হিন্দু হওয়ার চেষ্টা চলছে?নাকি এক ধরনের ডিক্টেটরশিপ চলছে? ব্রিকস এর সম্মেলনে নিমন্ত্রিত এবং আগত অতিথিদের জোর করে

নিরামিষ অতিথি দেব Read More »