ইউ জি সির কেত্তন!!!!

 

#UGC র উপর সুপ্রীম কোর্টের স্টে অর্ডার দেখে যেসব ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য মানে জেনারেল নামের জেনারেল বলদের দল(কোন স্পেশালিটি নেই) খুশীতে আপ্লুত হয়ে আবার মোদী হ্যায় তো নমকিন হ্যায় বলে সাথে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে মাথা নাড়তে নাড়তে টিভি দেখা শুরু করে দিয়েছেন তারা খুশী মানাতে থাকুন তবে যারা অত নিশ্চিন্ত হননি আমি তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলছি নামকিনের সাথে চা হাতে খুশী হবেন না কারণ স্টে অর্ডার মানে বাতিল হওয়া না আর এই আইন অত সহজে বাতিল হবে ও না কারণ এই এজেন্ডা সফল করার জন্য বৃটিশ সমেত সব খৃশ্চান দখলদার দেশগুলোর দীর্ঘকালের প্রচেষ্টা আর কুস্তি কাজ করে চলেছে৷

তবে ওরা এটা করতে পারছে তার কারণ আজকের UGC প্রেমীদের পূর্বরুষরা ও স্ববর্ণদের ও ব্রাহ্মণদের উপর হাজার হাজার বছর ধরে এই একই রকম ই মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অত্যাচার,হত্যালীলা চালিয়ে এসেছে৷এই দৌরাত্ম আজকের নতুন না৷সেই ছিদ্র দিয়ে ই বিদেশী খৃশ্চানরা বিশেষ করে বৃটিশরা আরও আগুন জ্বালায় নতুন করে,তার আগে মুসলিম শাষকরাও প্রথম আগুন টা জ্বালিয়েছিল,বৃটিশরা সেই জ্বালানো আগুনে প্রচুর প্রচুর জ্বালানি জোগান দেয় হিন্দুদের মধ্যে একতা আরও শেষ করে দেওয়ার জন্য তারপর তাদের চলে যেতে হয় তাই তারা ভারতীয়দের মধ্যে ই তাদের এজেন্ট তৈরী করে রেখে যায়৷

সেই এজেন্টদের মধ্যে প্রথম আর প্রধান ছিলেন দেশী মশলার সাহেব বাবা,(তাছাড়া ছিলেন অতিশয় দূর্গন্ধ বিকিরণকারী জাতীয় বাবা,জাতীয় কাকা ইত্যাদি সমেত ডজন ডজন লোক)তিনি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেন খুব কুতসিৎ ভাবে৷পাঁচ লক্ষ মানুষকে নিয়ে হিন্দু ধর্মের,হিন্দু দেবদেবীর শ্রাদ্ধশান্তি করে যথেষ্ট পরিমান গালাগালি দিয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে(আজও ওনার চ্যালারা দেবদেবীকে কন্ডোম পড়ায়,নাসবন্দী করে),বিশেষ নিপীড়িতদের চির দিনের জন্য ওই কাজ করতে অনুপ্রেরণা দিয়ে উজ্জিবিত করে যান৷তারপর থেকে  এক দিনের জন্য ওই কাজে ছেদ পড়েনি,একের পর এক বৃটিশ এজেন্ট ওই দায়িত্ব পালন করে এসেছে তার নিজের সম্প্রদায় যাই হোক না কেন আর এখন তো বৃটিশ,অ্যামেরিকানদের একেবারে খাসম খাস লোক তাও আবার ওই সাহেব বাবার স্বজাতি ভুক্ত এবং একনিষ্ঠ সাধক নামকিন বাবাকে তো সবার উপরে থাকতে হবে তাই সেই লক্ষ্য নিয়ে ওনার স্বজাতিদের ব্রাহ্মণ সমেত ক্ষত্রিয়,বৈশ্যদের ভারত থেকে ইউরেশিয়ার দিকে তাড়াতে আদেশ দিয়েছেন(যদিও এই ইউরেশিয়া কোথায় তা উনি ও জানেন কিনা সন্দেহ আর ওনার জাতি ভুক্ত মূর্খরা তো এমন ই মগজের অধিকারী সেই প্রশ্ন করার ও যোগ্যতা রাখে না৷ইউরোপ আর রাশিয়া মিলে কি ইউরেশিয়া?সেরকম কোন দেশ আছে নাকি কোথাও?)তার আগে অবশ্য সবাই কে হত্যা করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন,আদেশ দিয়েছেন,নিঃশ্বাস নিলে ও জেলে পাঠাতে আদেশ দিয়েছেন এসব না করলে নাকি সাহেব বাবার উপর অত্যাচারের বদলা নেওয়া হবে না৷

সাহেব বাবার উপর কি কি অত্যাচার ব্রাহ্মণরা করেছিল সেসব একটু খতিয়ে দেখা তো উচিৎ আমাদের৷ওনাকে স্কুলে সবার সাথে বসতে দেওয়া হতো না বলা হয়,দরজার কাছে মেঝেতে আলাদা একা বসতে হতো বলা হয়,কারা দিত না বসতে?ব্রাহ্মণরা?উনি কি ব্রাহ্মণদের টোলে লেখাপড়া করেছেন?সেই কালে টোলে ইংরেজীতে পড়ানো হতো সেটা তো জানতাম না,আমি তো জানতাম টোলে সংস্কৃতে পড়ানো হতো৷তারপর সেইকালে টোলে পড়া কেউ বিদেশে পড়তে যেত না বলেই জানতাম,ইংরেজী নিয়ে ও অত চর্চা করতো না বলেই তো জানতাম৷টোলে প্যান্ট,সার্ট,টাই,সু,মোজা এসব পড়েও কেউ যেত বলে জানতাম না,ধুতি পড়ে ই যেত বলে জানতাম কিন্তু সাহেব বাবা প্যান্ট,সার্ট,টাই,সু,মোজা ইত্যাদিতে সজ্জিত হয়ে ইংরেজী স্কুলে পড়তো বলেই জানা যায় তাহলে কি ওনাদের প্রানাধিক প্রিয় বৃটিশরা ইংরেজী স্কুলে এভাবে বেচারাকে সবার সাথে বেঞ্চে বসতে না দিয়ে দরজার কাছে মেঝেতে একা একা বসাতো জোর করে?

সাহেব বাবার আগের দুই প্রজন্ম অর্থাৎ বাবা এবং ঠাকুরদা বৃটিশ আর্মিতে চাকরী করতেন৷তাঁরা উভয়ে ই ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন৷আর্মি স্কুলের হেড মাষ্টার ছিলেন৷তারা ও মেঝেতে বসে বসে ইংরেজী শিক্ষা অর্জন করে বৃটিশ আর্মিতে চাকরী পেয়েছিলেন?তারপর আবার সাহেব বাবা ও মেঝেতে বসে বসে দেশে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে আবার বৃটেন থেকে ও উচ্চ শিক্ষা আমদানী করে আনতে পেরেছিলেন?তাই তো মনে হয়৷

ব্রাহ্মণ রাজার কাছে থেকে(মনেহয় দরজার কাছে মেঝেতে রাখতেন কারণ বজ্জাত ব্রাহ্মণ্যবাদী ব্রাহ্মণ বলে কথা) ব্রাহ্মণ মেয়ে বিয়ে করে(স্ত্রী ও মনে হয় না ছুঁয়ে সন্তান উপহার দিতেন),সারা জীবন জল না খেতে পেয়ে,ক্ষমতার উঁচু যায়গায় পৌঁছে দেশের প্রতি প্রচুর কর্তব্য করেছেন,এত অনুসারী তৈরীর পথ দেখিয়ে গেছেন যারা আজ ও ওনার জন্য বিলাপ করে,আগামী দিনে ও করবে৷ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য সবাইকে শেষ না করলে এসব অত্যাচারিত,নিপীড়িত,লাঞ্ছিত,বঞ্চিত,পিছিয়ে থাকা বেচারাদের উন্নতি হবে কি করে?কিছু পাবে কি করে?জল ই বা খাবে কি করে?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *