Elementor #459

জাপানের দেবদেবী

জাপানে অতীতে সূর্য-উপাসনা (Sun Worship) ছিল, এবং তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কেন্দ্রীয় ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। সংক্ষেপে মূল পয়েন্টগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. আমাতেরাসু (Amaterasu): জাপানের সূর্যদেবী

জাপানি পুরাণ (শিন্তো ধর্ম) অনুসারে—

আমাতেরাসু-ওমিকামি হলেন সূর্যদেবী।

তাঁকে জাপানের রাজপরিবারের পূর্বসূরি বলে মানা হয়।

তাই সূর্য উপাসনা শুধু ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক গুরুত্বও পেয়েছিল।

এ জন্যই জাপানের জাতীয় পতাকায় লাল সূর্য রয়েছে।

২. শিন্তো ধর্মে সূর্য উপাসনার স্থান

জাপানের আদি ধর্ম শিন্তোতে প্রকৃতি-দেবতাদের (kami) পূজা করা হয়। এর মধ্যেও সূর্য সর্বোচ্চ মর্যাদাপ্রাপ্ত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ইসে গ্র্যান্ড শ্রাইন (Ise Jingū) আমাতেরাসুর উদ্দেশে নির্মিত।

সম্রাট নিজে আমাতেরাসুর বংশধর হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় সূর্য পূজা রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও ছিল।

৩. “নিপ্পন/নিহোন” নামের অর্থই ‘সূর্যের উৎস’

জাপানের নিজের নাম  (নিপ্পন/নিহোন) অর্থ—

“সূর্যের উৎস” বা “সূর্যোদয়ের দেশ”

চীন এবং কোরিয়ার দৃষ্টিতে তারা ছিল পূর্বদিকে—যেখানে সূর্য ওঠে।

এটিও সূর্য-উপাসনার সাংস্কৃতিক প্রতিফলন।

৪. সম্রাটকে ‘সূর্যের সন্তান’ হিসেবে দেখা

প্রাচীন জাপানে বিশ্বাস ছিল:

জাপানের প্রথম সম্রাট জিম্মু টেন্নো আমাতেরাসুর বংশধর।

তাই সম্রাটকে দিব্য ব্যক্তি মনে করা হতো।

সূর্য দেবীর কাছ থেকে পাওয়া মিরর/আয়না (Yata no Kagami) রাজকীয় প্রতীক।

এ কারণে সম্রাট সম্পর্কিত রাষ্ট্রীয় আচারেও সূর্য পূজার ছাপ ছিল।

৫. জোমন এবং ইয়াইয়োই যুগে সূর্য উপাসনার চিহ্ন 

ইতিহাসবিদদের মতে জোমন যুগ ছিল (খ্রিষ্টপূর্ব ১৪,০০০–৩০০)পর্যন্ত সূর্য ও আকাশ-ভিত্তিক আচার ছিল।

ইয়াইয়োই যুগে কৃষিভিত্তিক সমাজ সূর্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সূর্য দেবতার পূজা শক্তিশালী হয়।

৬. সৈন্যদের “রাইজিং সান” পতাকাও সূর্য-উপাসনার ধারাবাহিকতা

জাপানি সামুরাই এবং পরে সামরিক বাহিনীর “উদীয়মান সূর্য” পতাকা

প্রাচীন সূর্য পূজার প্রতীক।

 

জাপানের আদি ধর্ম শিন্তো-তে অসংখ্য কামি (দেবতা/আধ্যাত্মিক শক্তি) পূজা হতো। এদের সংখ্যা হাজারেরও বেশি—৮ মিলিয়ন (ইয়াওইয়োরোজু নো কামি) বলে প্রতীকীভাবে উল্লেখ করা হয়। 

 

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণীভুক্ত ও ঐতিহাসিক দেবদেবীদের নাম নীচে দেওয়া হলো–

 জাপানে কোন কোন দেবদেবীর পূজা হতো?

(প্রাচীন–শিন্তো ধর্মের প্রধান দেবতা)

১. আমাতেরাসু-ওমিকামি (Amaterasu Ōmikami)

সূর্যদেবী, আলো, দিন, রাজবংশের পূর্বসূরি,

শিন্তো ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ দেবী,

ইসে জিনগু মন্দির তাঁর উদ্দেশ্যে তৈরী৷

২. সুকুয়োমি (Tsukuyomi)

চন্দ্রদেবতা

আমাতেরাসুর ভাই,

রাত, ছায়া, সময়ের নিয়ন্ত্রক৷

৩. সুসানোও (Susanoo-no-Mikoto)

ঝড়, সমুদ্র, যুদ্ধ, বিশৃঙ্খলার দেবতা

আমাতেরাসুর ভাই,

অরোচি নামের অষ্টমাথা সাপ বধের নায়ক৷

৪. ইজানাগি ও ইজানামি (Izanagi & Izanami)

সৃষ্টিকর্তা দেবদ্বয়,

জাপানি দ্বীপমালা ও দেবতাদের স্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত

ইজানামি ‘মৃত্যু ও পাতাল’ অঞ্চলের দেবী৷

৫. ওকুনিনুশি (Ōkuninushi)

ভূমি, জাতি নির্মাণ, চিকিৎসা, প্রেম ও সম্পর্কের দেবতা,

ইজনাগির বংশধর,

ইজুমো তাইশা মন্দিরে পূজিত৷

৬. ইনাড়ি ও-কামি (Inari Ōkami)

ধান, কৃষি, সমৃদ্ধি ও ব্যবসার দেবতা

শিয়াল (Fox/ Kitsune) তাঁর দূত,

জাপানের হাজার হাজার মন্দির ইনাড়িকে সমর্পিত৷

৭. হাচিমান (Hachiman)

যুদ্ধ, সম্রাজ্য-রক্ষা ও সামুরাইদের দেবতা,

মিনামোতো বংশের রক্ষাকর্তা,

পরে বৌদ্ধ–শিন্তো সমন্বয়ের দেবতা হিসেবে জনপ্রিয়৷

৮. টেঙ্গু (Tengu)

অর্ধদেব/আধ্যাত্মিক সত্তা,

পাহাড় ও যুদ্ধশিল্পের রক্ষক,

প্রাচীন জাপানের লোকবিশ্বাসে অত্যন্ত প্রভাবশালী৷

৯. রাইজিন ও ফুজিন (Raijin & Fūjin)

রাইজিন: বজ্র, বিদ্যুৎ, ড্রামধারী বজ্রদেব,

ফুজিন: বাতাসের দেবতা,

মন্দিরের প্রবেশদ্বারে তাদের বিশাল মূর্তি দেখা যায়৷

১০. বেঞ্জাইতেন (Benzaiten / Benten)

জল, সঙ্গীত, জ্ঞান, সৌন্দর্যের দেবী

ভারতের সরস্বতীর জাপানি রূপ,

বৌদ্ধ প্রভাবে জনপ্রিয়৷

১১. কানন / কানজেয়ন (Kannon / Kwanzeon)

করুণার দেবী (বৌদ্ধ অবলোকিতেশ্বরের রূপান্তর),

বৌদ্ধধর্মের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেয়েছে৷

১২. শুগেনডো ও পর্বত দেবতা

জাপানে বহু স্থানীয় পর্বত দেবতা পূজিত

ফুজি পর্বতের দেবী, Konohanasakuya-hime

পর্বততীর্থের সাধকরা এদের পূজা করতেন৷

১৩. কামি-কাজে (বায়ুর দেবী/দেবতা)

জাতীয় রক্ষাকারী “দিব্য বায়ু” ধারণা

মঙ্গোল আক্রমণ থেকে জাপান রক্ষা ও মিথের অংশ৷

১৪. ইয়ামাৎসুমি ও নদী-সমুদ্রের দেবতা

পাহাড়ের দেবতা,

নদী, সমুদ্র, ঝড়, বৃষ্টি — প্রত্যেকের পৃথক কামি ছিল৷

১৫. পূর্বপুরুষ পূজা (Ancestor Worship)

পরিবারপ্রধান, বংশ-পিতা-মাতাকেও দেবতা হিসেবে মানা হতো,

ঘরের কামিদানা (শিন্তো অল্টার)-এ তাদের নিবেদন৷

  

 

 

জাপানের দেবদেবী: শিন্তো ধর্ম ও উপাসনার বিস্তৃত ইতিহাস

জাপানের মূল আদি ধর্ম শিন্তো—যেখানে “কামি” নামের অসংখ্য আধ্যাত্মিক সত্তা বা দেবতাকে পূজা করা হয়। এই কামিরা প্রকৃতি, আকাশ, সূর্য, চাঁদ, সমুদ্র, বৃষ্টি, যুদ্ধ, পাহাড়, নদী, কৃষি, সমৃদ্ধি, পরিবার, পূর্বপুরুষ—সব কিছুতেই অবস্থান করে। শিন্তো ধর্মে দেবতার সংখ্যা এতই বেশি যে এগুলোকে প্রতীকীভাবে বলা হয় “ইয়াওইয়োরোজু নো কামি” অর্থাৎ “আট মিলিয়ন দেবতা”।

এই প্রবন্ধে জাপানের প্রধান দেবতা ও তাদের পুরাণ-সংস্কৃতি-উপাসনার ভূমিকা বিস্তারে তুলে ধরা হলো।

 

১. আমাতেরাসু-ওমিকামি — সূর্যদেবী

জাপানি ধর্মে সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতা হিসেবে বিবেচিত সূর্যদেবী আমাতেরাসু।

মহত্ত্ব

আলো, দিন, শৃঙ্খলা, সমন্বয়ের প্রতীক

সম্রাটীয় বংশের পূর্বপুরুষ

জাপানের সবচেয়ে বড় মন্দির ইসে গ্র্যান্ড শ্রাইন তাঁর উদ্দেশে নিবেদিত৷

 

পুরাণের মূল গল্প–

ইজানাগি যখন পাতাল থেকে আত্মশুদ্ধি করছিলেন, তখন তাঁর ডান চোখ থেকে জন্ম নেন আমাতেরাসু।

সুসানোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের সময় তিনি একসময় গুহায় লুকিয়ে যান; ফলে সারা পৃথিবী অন্ধকারে ঢাকা পড়ে। দেবতারা নাচ-গান-আচার দিয়ে তাঁকে বাইরে আনেন। এই ঘটনাকে জাপানি সংস্কৃতি “আলো ফিরে আসা”র প্রতীক হিসেবে দেখে।

 

২. সুসানোও — ঝড়, সমুদ্র ও যুদ্ধের দেবতা

আকাশের দেবী আমাতেরাসুর ভাই সুসানোও।

মহত্ত্ব

সমুদ্রের দেবতা

ঝড়, বিশৃঙ্খলা, যুদ্ধ—এগুলোর শক্তি তাঁর সাথে যুক্ত

মানুষকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন

বহু সামুরাই গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক দেবতা

পুরাণ

তিনি “ইয়ামাতা-নো-ওরোচি” নামের আট-মাথা বিশিষ্ট দানব সাপকে বধ করেন এবং কুসানাগি-নো-ত্সুরুগি নামে ঐন্দ্রজালিক তরবারি পান—যা পরবর্তীতে সম্রাটের রাজদণ্ডের প্রতীক।

 

৩. সুকুয়োমি — চন্দ্রদেব

চাঁদের দেবতা ও রাতের নিয়ন্ত্রক।

মহত্ত্ব

রাত, সময়, ছায়া ও চক্রের দেবতা

কৃষিকাজ ও জোয়ার-ভাটা নিয়ন্ত্রণের বিশ্বাস তাঁর সাথে যুক্ত

তিনি আমাতেরাসু ও সুসানোর ভাই; তিন ভাই–বোন মিলে আকাশীয় বিশ্বের তিন স্তম্ভ।

 

৪. ইজানাগি ও ইজানামি — সৃষ্টিকর্তা দেবদ্বয়

জাপানের সৃষ্টিতত্ত্বের কেন্দ্রে এই দেবদ্বয়।

তাদের ভূমিকা

জাপানের দ্বীপমালা সৃষ্টি করেন

বহু দেবতার জন্ম দেন

ইজানামি অগ্নিদেব আঘ্নীর জন্ম দেয়ার সময় মারা গেলে পাতালে নেমে যান

ইজানাগির “মিসোগি” (শুদ্ধি) থেকেই আমাতেরাসু, সুসানোও ও সুকুয়োমির জন্ম

এই দুই দেবতা শিন্তো ধর্মের জেনেসিস-সম।

 

৫. ওকুনিনুশি — দেশ-গঠন, প্রেম ও চিকিৎসার দেবতা

ওকুনিনুশি জাপানের সাংস্কৃতিক সৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহত্ত্ব

চিকিৎসা

জাদু

প্রেম ও সম্পর্ক

বিশ্ব-গঠন ও রাজনীতি

ইজুমো রাজ্যের রক্ষাকর্তা

ইজুমো তাইশা মন্দির তাঁর উদ্দেশ্যেই নির্মিত — এটি জাপানের সবচেয়ে প্রাচীন শিন্তো স্থাপনা।

 

৬. ইনাড়ি-ওকামী — ধান, কৃষি ও সমৃদ্ধির দেবতা

জাপানের সবচেয়ে বেশি পূজিত দেবতা।

মহত্ত্ব

ধান উৎপাদন

ব্যবসায়িক সমৃদ্ধি

খাদ্যশস্য

সম্পদ ও বাণিজ্য

ইনারি মন্দিরগুলির সামনে যা শিয়াল (কিৎসুনে) মূর্তি দেখা যায়—সেগুলো ইনাড়ির দূত।

ফুশিমি ইনাড়ি তাইশা (কিয়োটো)—হাজার হাজার লাল টোরি গেট—বিশ্বখ্যাত ইনাড়ি মন্দির।

 

৭. হাচিমান — যুদ্ধ ও জাতির রক্ষাকর্তা দেবতা

সামুরাইদের বিশেষভাবে পূজিত দেবতা।

বিশেষত্ব

যুদ্ধদেবতা

বৌদ্ধ ও শিন্তো উভয়ের মিশ্র রূপ

মিনামোতো সামুরাই বংশের রক্ষাকর্তা

জনগণের নিরাপত্তা প্রতীক

জাপানি সামরিক ইতিহাসে হাচিমানের প্রভাব অত্যন্ত গভীর।

 

৮. রাইজিন ও ফুজিন — বজ্র ও বায়ুর দেবতা

রাইজিন

বজ্র, বিদ্যুৎ ও ঝড়ের দেবতা

ড্রামধারী ক্রুদ্ধ দেবতার চিত্র খুব পরিচিত

ফুজিন

বাতাসের দেবতা

বিশাল বস্তা থেকে বাতাস ছাড়ছেন—এমন চিত্রশৈলী প্রচলিত

মন্দিরের প্রবেশমুখে এই দুই দেবতার মূর্তি দেখা যায়, বিশেষত আসাকুসা মন্দিরে।

 

৯. কনোহানাসাকুয়া-হিমে — ফুজি পর্বতের দেবী

জাপানের সর্বাপেক্ষা সুন্দর দেবীদের একজন।

মহত্ত্ব

ফুল, বসন্ত, সৌন্দর্য

ফুজি পর্বতের রক্ষাকর্তা

আগ্নেয়গিরির শান্তির প্রতীক

তাঁর প্রতি উৎসর্গীত আচার পর্বত উপাসনার ঐতিহ্যের মূল।

 

১০. টেঙ্গু — পাহাড়ের আধ্যাত্মিক সত্তা

টেঙ্গু ঠিক দেবতা নয়, বরং আধিদৈবিক শক্তি।

তাদের ভূমিকা

পাহাড়, বন, যুদ্ধশিক্ষা

সাধকদের রক্ষাকর্তা

ভুল পথে যাওয়াদের শাস্তিদাতা

মার্শাল আর্ট ও বৌদ্ধধর্মে বিশেষ প্রভাবশালী

এই সত্তাগুলি জাপানি লোকবিশ্বাসে অত্যন্ত শক্তিশালী স্থান দখল করে আছে।

 

১১. বেঞ্জাইতেন — সঙ্গীত, জল ও সৌন্দর্যের দেবী

তিনি মূলত ভারতীয় দেবী সরস্বতীর জাপানি রূপ।

ক্ষেত্র

সঙ্গীত

জ্ঞান

শিল্প

নদী ও হ্রদ

সৌন্দর্য

কামাকুরা ও বিওয়া হ্রদের উপকূলে তাঁর বহু মন্দির আছে৷

 

১২. কানন (কান্‌জে-অন) — করুণা ও দয়ার দেবী

এটি বৌদ্ধ অবলোকিতেশ্বরের জাপানি রূপ।

মহত্ত্ব

সর্বজনীন দয়া

উদ্ধার

মাতৃত্ব

নারীত্বের প্রতীকী রূপে অত্যন্ত জনপ্রিয়

জাপানে হাজার হাজার কানন মন্দির আছে।

১৩. পূর্বপুরুষ পূজা

শিন্তো ধর্মে পরিবার ও বংশের পূর্বপুরুষদেরও কামি হিসেবে মানা হয়।

বৈশিষ্ট্য

ঘরোয়া কামিদানা

ওবোন উৎসব

পূর্বপুরুষের আত্মাকে পরিবারের রক্ষাকর্তা হিসেবে দেখা

জীবনপদ্ধতির মূল ভিত্তি৷

 

১৪. স্থানীয় কামি — পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বন

জাপানের প্রতিটি অঞ্চল, বন, নদী, পাহাড়ে আলাদা কামির পূজা প্রচলিত ছিল:

পাহাড়ের দেবতা

নদীর দেবতা

সমুদ্রের দেবতা

ঝড়-বৃষ্টি-ভূমিকম্পের দেবতা

কৃষি ও ঋতুবর্তিতা-সম্পর্কিত দেবতা

এইসব কামিরা জাপানের লোকজ বিশ্বাসের কেন্দ্রস্থল।

জাপানে উপাসনার জগৎ অত্যন্ত বিস্তৃত — সূর্যদেবী থেকে শুরু করে সৃষ্টিকর্তা দেবদ্বয়, যুদ্ধদেবতা, কৃষির রক্ষাকর্তা, সমুদ্র-ঝড়-নদী-পাহাড়ের দেবতা, সৌন্দর্য-সঙ্গীত-জ্ঞানদেবী, এমনকি পূর্বপুরুষ পর্যন্ত।

শিন্তো ধর্ম জাপানের ইতিহাস, রাজনীতি, সম্রাটীয় ব্যবস্থা, সামুরাই সংস্কৃতি, কৃষিজীবন, পাহাড় উপাসনা—সবকিছুকে গভীরভাবে গড়ে তুলেছে।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *