Elementor #495

কাশ্মীরে আবার হিন্দু হত্যার হুমকি কাশ্মীরে আবার হিন্দুদের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়লো৷”কাশ্মীর ছাড়ো পোস্টারকে সিরিয়াসলি নিয়ে নাহলে হত্যা করা হবে৷” “লস্কর-ই-তইবার” শাখা সংগঠন “ফ্যালকন স্কোয়াড” নামের নতুন মুসলিম জেহাদী সংগঠন এই পোস্টার লাগিয়েছে৷কেন্দ্রীয় সরকার কিছু হিন্দুদের(500 মত)পোস্টিং দিয়েছিল কাশ্মীরে এবং তাদের জন্য কোয়ার্টার বানিয়ে থাকতে দিয়েছিল৷এদের মধ্যে অনেক 1986 সাল থেকে 1990 সালের ভুক্তভোগী ও আছেন৷ওমর আবদুল্লা নিশ্চিন্ত করেছেন হিন্দুদের,এই নিশ্চিন্ত করা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?সেই সময় ও তো সরকার ছিল,পুলিশ ছিল তারপর কেন আর কি ভাবে ওরকম নৃশংসতা হয়েছিল?মুসলমানদের মুখের কথা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?সেই সময় কেউ চোখে দেখেনি?কানে শোনেনি?কোন অ্যাকশন নিয়েছিল?নাকি মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদীদের ই সহায়তা আর সমর্থন করেছিল?সেটা না করলে দীর্ঘ দু মাস ধরে গনহত্যা,গনধর্ষণ,জ্বালাও-পোড়াও চলে কি করে?দু মাসের মধ্যে কেউ পারেনি নৈরাজ্য থামাতে?এটাও শুধু 1990 সালের কথা ই বলছি,1984 সাল থেকে ধরলে তো দীর্ঘ ছয় বছরের নৈরাজ্যকাল৷সেই সময় জনতা দলের বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং ছিলেন প্রধানমন্ত্রী,মুফতি মহম্মদ সইদ ছিলেন হোমমিনিস্টার সেটাও জনতা দলের থেকেই৷বিজেপি 89 টা সিট নিয়ে সমর্থন দিচ্ছিল(যথেষ্ট পাওয়ার থাকার পরও কোন প্রতিবাদ ও করেনি) আর কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাষণ জারী ছিল(1986 সালের 7 ই মার্চ থেকে 6 ই নভেম্বর পর্যন্ত,1990 সালের এর 19 শে জানুয়ারী থেকে 9 ই অক্টোবর 1996 সাল পর্যন্ত)মাঝের চার বছর ফারুক আবদুল্লা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন রাজীব গান্ধীর প্রবল মদতে(রিগিং এর সুফলে)৷হিন্দুদের সাথে এমন বিভৎসতা করার পর রাষ্ট্রপতি শাষণ কেন জারী করা হয়েছিল?ঘটনা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কেন রাষ্ট্রপতি শাষণ জারী হয়নি?তাহলে এত নরহত্যা,ধর্ষণ,পলায়ন তো রোধ করা যেত কিন্তু সেটা হয়নি ফলে ব্যাপক নৃশংসতা,গনহত্যা,গনধর্ষণ,জ্বালাও-পোড়াও হয় বাকি সবাইকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়৷”রালিব-গালিব-চালিব”(ধর্মান্তরিত হও,মর,নাহলে পালিয়ে চলে যাও),হিন্দু পুরুষরা পালিয়ে যাও,নারীদের রেখে যাও ইত্যাদি শ্লোগানের মাধ্যমে হিন্দুদের মধ্যে ত্রাসের সঞ্চার করা হয়৷ রাষ্ট্রপতি শাষণের মাঝেও অবশিষ্ঠ হিন্দুদের হত্যালীলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি৷অনন্তনাগ রায়ট হয়,মুসলমানরা দলে দলে পাকিস্থানে জেহাদ ট্রেনিং নিতে যায়(আরও বহু কিছু ঘটেছে যেসব কিছু লিখতে হলে আলাদা ভাবে লিখতে হবে),1987 সালে ভোটে রিগিং হয় ব্যাপক ভাবে যাতে ফারুক আবদুল্লা মুখ্যমন্ত্রী হন,হিন্দু,রাষ্ট্রপতি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে কি ভাবে?তার মানে নিশ্চিত ভাবে ধরেই নিতে পারি আমাদের দেশে রাষ্ট্রপতি শাষণ আসলে চোখে ধূলো দেওয়ার একটা নাটক৷তা না হলে রাষ্ট্রপতি শাষণ চলাকালিন সেনাদের হাতে অবাধ ক্ষমতা থাকার কথা সেই পরিস্থিতিতে এত ভয়াবহতা শুরু হওয়ার ই কথা না আর শুরু হলে ও বন্দুকের নল দিয়ে তা বন্ধ করার কথা কিন্তু দুঃখের কথা তার কোনটাই হয়নি৷এর থেকে একথাই স্পষ্ট হয় রাষ্টপতি শাষণ চলাকালে ও সেনার লাগামটা কোথাও বাঁধাই থাকে,তারা প্রবল অরাজকতার মধ্যে ও কোন পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রাখেননা৷এই দেশের সরকার আসলে কারা চালায়?কোথা থেকে,কোন দেশ থেকে সরকার চলে?ভারত শাষণের ব্যাটন আসলে কোন দেশের হাতে?ভারতের সেনাবাহিনীর উপর কন্ট্রোল কোন দেশের?ভারতের সেনাবাহিনী কি শোপিস মাত্র?বৃটিশরা চায়নি ভারতের কোন সেনা থাক,নেহেরু-গান্ধী চায়নি ভারতে কোন সেনা থাক৷এমন সেনা থেকে তাহলে কি লাভ?সেনারা কোন কট্টর জেহাদীর হাত থেকে নিজেদের জীবন রক্ষার জন্য শুধুমাত্র গাড়ির উপর কোন জেহাদীকে বসিয়ে নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উল্টে সেই সেনাকে ই শাস্তি দেওয়া হয়,জবাবদিহি করতে হয়৷হাতে AK47 নিয়ে মার খেতে হয়৷জেহাদী খোঁজার নামে তাদের পাতা ফাঁদে প্রান দিতে হয়৷প্রতিনিয়ত ঝাঁকে ঝাঁকে সেনার প্রান যায়৷কয়জন রাজনৈতিক নেতার প্রান গেছে আজ পর্যন্ত?এক শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জ্জীর মত নির্ভিক মানুষ ছাড়া?এরা কেউ যাক আগে প্রান দিতে তারপর নাহয় নাটক করবে!এসব তো গেল সেই সময়ের কাশ্মীর রাজ্যের এবং তার সরকারের কথা যা সেই সময় ও বিজেপির সাথে জোট ছিল তারপর ও এসব ঘটেছিল যার জন্য কোন ধিক্কার ই যথেষ্ট না কিন্তু তারপর ও বিজেপির উপর হিন্দুরা আস্থা রেখেছিল,প্রায় পুরো ভারত তাদের হাতে তুলে দিয়েছে কিন্তু তারপর হিন্দুদের সাথে প্রতিদিন ই নতুন নতুন প্রতারণা ছাড়া আর কিছু ই জুটছেনা৷আবার নতুন করে কি ভাবে কাশ্মীরে এমন হুমকি দিচ্ছে মুসলমানরা?বিজেপি তো দাবী করে ভারতের মুসলমানরা কেউ সন্ত্রাসবাদী না,কাশ্মীরের মুসলমানরা কেউ সন্ত্রাসবাদী না,তারা সবাই দেশপ্রেমী,হিন্দুদের থেকে আলাদা কিছুনা,সবার এক ডিএনএ

সবাই রামের বংশধর,মুসলমানরাও হিন্দু ইত্যাদি৷তাহলে এক ডিএনএ,এক রামের বংশধর হিন্দুর ভাই “হিন্দু মুসলমান” নামের আঁমড়ার আমসত্ব, মুখে হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই বলা হিন্দু বিদ্বেষী জেহাদীরা হিন্দু ভাইদের উপর বারবার নরহত্যা চালায় কেন?কি কারণে আবার নরহত্যার হুমকি শুরু করলো?এই হুমকি কি শুধু হুমকিতে থেমে থাকবে নাকি?অতীতে কি হুমকিতে থেমে থেকেছে?কদিন আগে ও কাশ্মীরের মুসলমানরা দাবী করেছে তাদের 93% ই ভারতের সাথে থাকতে চায়না,পাকিস্থানের সাথে যুক্ত হতে চায়৷একথা এই প্রথম বললো তা তো না,সব সময় সব মুসলমান ই বলে এমনকি ওদের মুখ্যমন্ত্রীরাও একথা ই বলে সব সময়৷তাই আমাদের না জানার ভান করার কোন দরকার নেই৷এই কাশ্মীরি শিয়া মুসলমানরা খোমেইনীর পক্ষে গলা ফাটায়(সুন্নীদের হাতে হত্যা হওয়া সত্বে ও),হুথি;হামাস;হিজবুল্লার সমর্থনে গলা ফাটায়,প্যালেস্টাইনের পক্ষে গলা ফাটায়,পৃথিবীর সব জেহাদী;সব মুসলমানের জন্য গলা ফাটায়,কাশ্মীরি পাত্থরবাজদের সমর্থনে আন্দোলন করে,সেনা হত্যা করে এবং করাকে সমর্থন করে,বুরহান ওয়ানীর মত সন্ত্রাসবাদীর জন্য কাশ্মীর তোলপাড় করে,কাশ্মীরে ঘুরতে যাওয়া হিন্দুদের প্যান্ট খুলিয়ে খতনা আছে কিনা চেক করে হিন্দু নিশ্চিত হয়ে গুলি করে করে হত্যা করে(অথচ ওই টুরিস্টদের পয়সায় ই পেট চলে),তারপর আবার সরকারকে খবরটা ওই ভাবেই জানাতে বলে হুমকিটা জানায়৷সরকারী সহায়তা আর আমাদের করের টাকায় IAS,IPS হয় তারপর কখনও চাকরী ছেড়ে,কখনও চাকরী করতে করতে জেহাদ করে তারপর ও সরকার তাদের চাকরীতে বহাল রাখে,চাকরী ছাড়ার পর আবার পায়ে ধরে চাকরী করায়৷হিন্দুদের উপর জোর করে কাশ্মীরে ঘুরতে যেতে,জেহাদীদের বেশী বেশী রোজগার দিতে৷আবার হুমকি দেওয়ার পর সরকার বলছে ঘরের বাইরে দরকার ছাড়া না বেড় হতে(কেন্দ্র রাজ্য উভয়ই)৷এটা কি ধরণের সমাধান?ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেবে?লেখাপড়া ছেড়ে দেবে?মানুষ অফিসে যাবেনা?না গেলে তাদের বেতন দেওয়া হবে?বাজারে যাবেনা?না খেয়ে থাকবে?অসুস্থ হলে বিনা চিকিৎসায় ঘরে পড়ে থেকে মৃত্যু হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে?হিন্দুদের জন্য এগুলো চাই?কাশ্মীর সরকারের ব্যাপারে কিছু বলে তো কোন লাভ নেই ই কারণ তারা সবাই ই জেহাদী কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার যখন কোন কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা,সাহস কিছুই রাখেনা তখন শুধু পরিস্থিতি বোঝার জন্য হিন্দুদের কেন গিনিপিগ বানালো?কাশ্মীরে মুসলমান সরকার করে দিয়েছে,মুসলমান জনগনের সুখ সুবিধা নিয়ে চিন্তায় পাগল হয়ে থাকে তাদের ই থাক কাশ্মীর,এভাবে ই এক এক করে সব রাজ্য দান করতে করতে পুরো ভারত ই দান করে দেবে৷সরকারের তৃপ্তিকরণের বলি কেন হিন্দুদের করা হবে?কাশ্মীরে যত মুসলমানের(রোহিঙ্গা ইত্যাদি)বসবাস সুনিশ্চিত করেছে তারপর হিন্দুদের ওখানে পাঠানো মানে হত্যা হতেই পাঠিয়েছে বলা ছাড়া কি ই বা বলার থাকতে পারে?

 

 

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *