ভীমটাদের রিপোর্টার নিগ্রহ

নারী রিপোর্টার রুচি তেওয়ারীর খবর নিয়ে তোলপাড় হয়েছে কারণ ওর সাথে অসভ্যতা বেশী হয়েছে কিন্তু এই রিপোর্টারকে নিয়ে কেউ একটা কথা বলেনি,কোথাও দেখানো হয়নি,কারণটা কি?এ পুরুষ বলে?একে মারা যায়?সেটায় কেউ প্রতিবাদ করবে না?এমন কুৎসিৎ মানসিকতার জন্যই আমরা বিলুপ্ত হবো৷রুচি তবু যথেষ্ট প্রতিবাদী কিন্তু এই ছেলেটি যথেষ্ট শান্ত৷এর নামটা মনে পড়ছে না এখন৷একে আমি দেখি,শেয়ার ও করি৷এ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা এলাকায়,বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী এলাকায় গিয়ে রিপোর্টিং করে তাও যথেষ্ট শান্ত ভাবেই করে তাহলে এর উপর কেন এভাবে আক্রমণ করা হলো?কেন এভাবে মারা হলো?ব্রাহ্মণ হওয়ার অপরাধে নাতো কি কারণে?মেরে হাত থেকে রক্ত বেড় করেছে,চোখের উপর জখম করেছে,চোখটা ক্ষতিগ্রস্থ হলে কে মূল্য দিত?কংগ্রেস নাঙ্গা নাচ করলো বলে বলে মোদী সাথে সাথে চিল্লামিল্লি করতে পারলো আর তার বাবা সাহেবের বাহিনী যখন দেশে এমন তান্ডব করে চলেছে,ব্রাহ্মণদের পিটিয়ে চলেছে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে তখন মোদী মুখে লাড্ডু ঢুকিয়ে নিজে গর্তে ঢুকে বসে থাকছে৷আজ পর্যন্ত একটা চু আওয়াজ পর্যন্ত করেনি৷এত নিকৃষ্ট মানসিকতা!এসব দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে মোদী ব্রাহ্মণদের হত্যা করাতে চাইছে,ব্রাহ্মণদের ভারত থেকে তাড়াতে চাইছে৷এই লোককে আমরা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেছি!ওয়াকঃথুঃ

কি ভাবে হুমকি দিচ্ছে একটা ছেলে কেস দেওয়ার(বামপন্থী)— ইরফান হাবিবকে নাকি অত্যাচার করা হয়েছে!
রুচি তেওয়ারীর বিরুদ্ধে গায়েত্রী দেবী,পঙ্কজ প্রসূন এরা আবার অন্ধের মত ভীমবাদীদের কাঁধে তুলে নাচতে বসেছে৷রুচিকে গালাগালি দিচ্ছে এত অন্ধ মোদী ভক্ত!মোদীর হাজার অপরাধ এদের চোখে পড়েনা৷

গতকাল আবার নতুন করে ঝামেলা করলো ব্রাহ্মণ বলে রুচির সাথে৷এখনও জল খেলে নাকি ব্রাহ্মণরা ওদের মেরে ফেলছে৷মুখে মোছ নিয়ে বলছে ব্রাহ্মণরা ওদের মোছ রাখতে দেয়না৷এত নোংরা বুদ্ধি মাথায় জন্ম হয় কি করে কারোর?মাথায় পার্লার থেকে কাটা ডিজাইনার চুল নিয়ে বলছে ব্রাহ্মণরা ওদের মেয়েদের চুল রাখতে দেয়না,কেটে দেয়৷গায়ের জোরামি করছে এমন প্রশ্ন করা যাবেনা৷ঘোড়ায় চড়তে দেয়না,ওদের ঘোড়া পোষার ক্ষমতা থাকলে পুষুক আর চড়তে থাকুক৷ব্রাহ্মণদের ঘোড়া পোষার ক্ষমতা নেই তারা পোষেও না,চড়েও না৷

রঞ্জনা যাদব(RJD),যে বলেছিল মিথ্যা কেস দিয়ে ব্রাহ্মণদের ফাসাতে হবে,সে দুপাশে,পেছনে পুরুষ পাহারাদার নিয়ে প্রশ্ন করাতে বলছে,”দেখো কই,বুলাও, ধাক্কা দে রাহা হ্যায়৷” চোখের সামনে মিথ্যা ফাসানোর চেষ্টা করে কেস দিতে চাইছে৷কোন প্রশ্নের উত্তর নেই,পালাচ্ছে তাড়াতাড়ি৷নেতাছাতাদের সব যায়গায় নাকি যাওয়ার অধিকার আছে,কথা বলার অধিকার আছে,ওদেরও আছে কিন্তু কোন রিপোর্টারের নেই৷ ওরাই বলছে কেন ওদের আন্দোলনের যায়গায় রিপোর্টাররা যাচ্ছে?কোন প্রশ্নের উত্তর দেবেনা,যক্তি দেখালে বলছে যুক্তি কেন দেখানো হচ্ছে?প্রায় গায়ের উপর উঠে যাচ্ছে রিপোর্টারের৷একদিকে বলছে ওরা নিপীড়িত,পিছিয়ে থাকা,রিপোর্টাররা লেখাপড়া করেনা৷আবার নিজেদের বলছে PHD প্রাপ্ত,তাতে PHD প্রাপ্ত হলে নিপীড়িত বা পিছিয়ে থাকা কি ভাবে?জিজ্ঞেস করা হলে চিৎকার শুরু করছে,” Go Back”