বিল গেটসের সার্ভিক্স ক্যান্সার নিয়ে নাটক

জয় শ্রী কৃষ্ণ নমস্কার তুলসীজি জয় শ্রী কৃষ্ণ(খৃশ্চান বিল গেটস কৃষ্ণ প্রেমী হয়ে গেছেন?যীশুকে বাদ দিয়েছেন কি?)ধারাবাহিক “সাস ভি কভি বহু থী” তে তুলসী বা স্মৃতি ইরানীর সঙ্গে আমেরিকান ধনকুবের বিল গেটসের এই দৃশ্য আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন। স্মৃতি ইরানি অবাক হয়েছেন যে বিল গেটস ভারতীয় নারীদের আর নবজাতক শিশুদের নিয়ে এত চিন্তা করেন।স্মৃতি বলেন আমি তো অবাক, আমি তো চমকে গেছি যে “আপনি এতটা ভাবেন, আমি কখনো ভাবতেই পারিনি এটা।”(স্মৃতির অবাক হওয়া দেখানোটা একটা নাটক ছাড়া কিছুই না৷স্মৃতি একতা কাপুরের সাথে কাজের জীবন শুরু আর শেষ করেছেন৷একতা বিল গেটস,জর্জ সোরোস,এপস্টিনদের হয়েই কাজ করেছেন আর করছেন৷স্মৃতি ইরানীর কাছে এমনি এমনি আসেননি বিল গেটস,স্মৃতি ইরানীর সাথে প্ল্যান করেই এই সাক্ষাত,ওকে কাজে লাগিয়ে সার্ভিক্স ক্যানসারের ভ্যাকসিনের বিশাল ব্যাবসা করবেন,ওকে তার বিশাল কমিশন ও দেবেন তাই বিলকে মহান দেখাবার নাটক ও সেই কাজের ই অঙ্গ৷এছাড়াও স্মৃতির দ্বিতীয় বার বিজেপিতে আবার অ্যাক্টিভ করার পেছনেও ওদের ই অবদান আছে এটা নিশ্চিত)৷হতে পারে স্মৃতি ইরানীর মত আপনি আরেকটু অবাক এবং চমকে উঠেছেন। বিল গেটস কত ভালো মানুষ এটা মনে করে। এত ধনী হয়ে থেকেও তিনি ভারতে গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে চিন্তা করছেন।(গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে উনি আদৌ চিন্তিত না,উনি গর্ভবতী মহিলাদের আজেবাজে ভ্যাক্সিন দিয়ে এমন সন্তান জন্ম দেওয়াচ্ছেন যাদের জন্মের পর বা জন্ম ই হচ্ছে দুরারোগ্য সব ব্যাধি নিয়ে ফলে তাদের কখনও দেখা যাচ্ছে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকার ওষুধ খাওয়াতে হচ্ছে,কখনও দেখা যাচ্ছে ১৬ কোটি টাকার ইনজেকশন দিতে হচ্ছে,কখনও দেখা যাচ্ছে ৭৬ কোটি টাকার ইনজেকশন দিতে হচ্ছে৷ক্রাউড ফান্ডং এর মাধ্যমে টাকা উঠছে সেই টাকা চলে যাচ্ছে বিল গেটসের কাছে কারণ ওইসব ইনজেকশন বিল ই সাপ্লাই দেন৷কি এমন আছে ওতে যার দাম এত হতে পারে?এমন দুরারোগ্য ব্যাধি জন্মের সময় ই বোঝা যাওয়ার কথা তখন কেন স্টেম সেল সংগ্রহ করা হয়না?তাতে তো এত টাকা লাগবেনা৷তাছাড়া এমন সব রোগের চিকিৎসা খরচ সরকার বহন করবে,ক্রাউড ফান্ডিং কেন হবে?ক্যান্সারে দেখা যায় কোন লোক স্টেজ 4 থেকেও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায় আবার কোন লোক মারা যায়৷এখানে ও বিলের নোংরা রাজনীতি ই কাজ করে৷ক্যান্সার বর্তমানে সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য কিন্তু সেটাকে কমতে দেওয়া হয়না,এক অনেক ব্যাবসার জন্য আর দুই মানুষ হত্যা করে জনসংখ্যা কমানোর জন্য৷আবার অন্যদিকে যাতে সারভিক্স ক্যান্সার এপিডেমিক হয় তারজন্য একতা কাপুরকে দিয়ে এমন সব সিরিয়াল বানায় লাগাতার ২০/২৫ বছর ধরে যেগুলোতে প্রত্যেক মানুষ বিবাহ বহির্ভূত অসংখ্য সম্পর্ক রাখে,প্রত্যেক মানুষ অসংখ্য মানুষের সাথে সেক্সুয়াল সম্পর্ক করে৷সার্ভিক্স ক্যানসার হয় ই অধিক মানুষের সাথে সেক্সুয়াল সম্পর্ক করার জন্য৷অন্যদিকে সমকামিতা প্রসারের জন্য প্রচার করা হয়,এরজন্য আবার এইডস ছড়ায়৷ভারতের সমাজ জীবন,পরিবার জীবন ধ্বংস হয়৷মারণ রোগ এইডস পুরো পরিবারে ছড়ায়,অন্য পার্টনারের মধ্যে যায়,তার মাধ্যমে তার পরিবারে ছড়ায়,এভাবে বিভিন্ন মানুষ আক্রান্ত হয়,মৃত্যু হয়৷প্রাথমিক স্কুলের শিশুদের শিক্ষকদের মাধ্যমে শেখানো হয় শৈশব থেকেই যাতে তারা সেক্স করে৷আবার শেখানো হয় তারা ছেলে বা মেয়ে তা নিশ্চিত নয়৷একটা ছেলে বা মেয়ে সকালে ছেলে বা মেয়ে হলে বিকালে আবার ছেলে বা মেয়ে হতে পারে৷এটাকে বলছে জেন্ডার ফ্লুইডিটি,বাস্তবে যা কোনমতেই সম্ভব না৷এমন প্রচারের ফলে দলে দলে ছেলেমেয়ের জীবন ধ্বংস হচ্ছে,পরিবার প্রথা ধ্বংস হচ্ছে,কোথাও ছেলেরা ছেলেদের বিয়ে করছে,কোথাও মেয়েরা মেয়েদের বিয়ে করছে৷ছেলেরা এক মুখ দাড়ি গোফ নিয়ে শাড়ী পড়ে ঘুরছে৷মেয়েরা ছেলেদের বাথরুম ব্যাবহার করছে,ছেলেরা মেয়েদের বাথরুম ব্যাবহার করছে৷বিয়ে না করে ছেলেরা সারগেসী করিয়ে সন্তান নিচ্ছে৷সেই সন্তান মা কি জানতে ই পারছেনা৷এক বিকৃত,বিভৎস সমাজ তৈরী করছে নিজেদের বিকৃত মানসিক ইচ্ছা পূরণ, সীমাহীন অর্থ আকাঙ্খা পূরণ আর পৃথিবীর সব জমির মালিক হওয়ার জন্য)৷বিল গেটসের চিন্তার আসল কারণ যদি তোমরা জানতে পারো, তাহলে সত্যিই চমকে যাবে। ২০১০ সালে টেড টকে বিল গেটস বলেছিলেন যে বিশ্বের জনসংখ্যা তখন ৬.৮ বিলিয়ন ছুঁইছুঁই করছিল। কিছুদিনের মধ্যে সেটা প্রায় ৯ বিলিয়নে পৌঁছে যাবে। এটাকে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমাতে হবে। এজন্য আমাদের নতুন ভ্যাকসিন তৈরি করতে হবে। একইসাথে স্বাস্থ্যসেবা আর প্রজনন সংক্রান্ত সুবিধাগুলোর ওপর কাজ করতে হবে। একটা ভ্যাকসিন কিভাবে বিশ্বের জনসংখ্যা কমাতে পারে? বিল গেটস এই কথা বিশেষ করে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলোর প্রসঙ্গে বলেছেন।ডিবেটগুলোয় বলা হয় বক্তব্যকে মিথ্যা ভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিল গেটস যা ইংরেজিতে বলেছেন আমরা সেটার সঠিক সঠিক বাংলা অনুবাদ দিয়েছি আপনাকে। তবুও সন্দেহ থাকলে YouTube এর ডিসক্রিপশনে ভাষণের লিংক দিয়ে দিয়েছি। আপনি নিজে শুনতে পারেন। এই টক থেকে এক বছর আগে অর্থাৎ ২০০৯ সালে বিল ও মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিনের জন্য প্রচারণা শুরু করেছিলেন। মহিলাদের জরায়ুর মুখকে ইংরেজিতে সার্ভিক্স বলে। হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাস বা HPV এর কারণে এই ক্যান্সার ছড়ায়।বিল গেটস পাথ নামের একটা আমেরিকান এনজিওকে ভারতে ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য ফান্ড দিয়েছিল। তেলঙ্গানা আর গুজরাটে ১২,০০০ এর ও বেশি আদিবাসী স্কুলবালিকা’র ওপর ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা হয়। সব মেয়েদের বয়স ছিল ৯ থেকে ১৪ বছর। তাদের অভিভাবকদের থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ট্রায়ালে কমপক্ষে সাত জন মেয়ের মৃত্যু হয়। অনেকের শরীরে মারাত্মক সাইড এফেক্ট দেখা যায়। ঠিক তখনই ভারতের শহরগুলোতে ডাক্তাররা গর্ভবতী মহিলাদের HPV ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিতে শুরু করে।মহিলারা বলত যে একটা ইনজেকশন দিলে তাদের সার্ভিকাল ক্যান্সার হবে না। যদিও ১৮ বছরের উপরে মেয়েদের মধ্যে এই ভ্যাকসিন খুব একটা কার্যকর নয়। সম্ভবত এটা কোনো অঘোষিত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালই ছিল। ২০১৩ সালে সংসদের স্থায়ী কমিটি এই ট্রায়ালের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে বলেছিল যে আমেরিকান এনজিও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সব নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল এই এইচপিভি ভ্যাকসিন কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক স্বার্থ বাড়ানো। এই ট্রায়ালটি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ অর্থাৎ আইসিএমআর-এর সঙ্গে মিলিয়ে করা হয়েছিল।তখনকার কেন্দ্রীয় সরকার স্কুলের মেয়েদেরকে এক অজানা ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের জন্য ল্যাবের ইঁদুর বা গিনিপিগের মতো ব্যবহার করতে দিলো। ভারতীয়দের জন্য ল্যাবের ইঁদুর বা গিনি পিগের মতো একটা অনুভূতি বিল গেটসও প্রকাশ করেছিল। এক সাক্ষাৎকারে সে বলেছিল, “এটা এক ধরনের ল্যাব যেখানে কিছু পরীক্ষা করা হয়, যেগুলো ভারতে প্রমাণিত হলে সেগুলো অন্য জায়গায় নেওয়া যায়।” অর্থাৎ এটা হলো জিনিসপত্র পরীক্ষা করার একটা জায়গা। ভারতে সফল হওয়ার পর সেটা অন্য জায়গাতেও ব্যবহার করা যায়। ২০১৪ সালে ভারতে সরকার বদলালে
বিল গেটসের প্রচারণা ধীরে বা না থেমে চালু ছিল। ২০১৫ সালে বিল গেটসকে তাঁর অসাধারণ সেবার জন্য পদ্ম ভূষণ দিয়ে সম্মানিত করা হয় ভারত সরকার থেকে আর এখন স্কুলগুলোতে প্রচারণা চালিয়ে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের HPV টিকা দেওয়া হচ্ছে। আপনি বলবেন, বিল গেটস আর তাঁর HPV টিকা প্রচারণায় সমস্যা কী? যদি এর ফলে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ঝুঁকি শেষ হয়ে যায়, তা তো ভালোই। উত্তর জানার আগে এই রোগের ইতিহাসে একটু যাই। ১৯৮৩ সালে প্রথমবার HPV থেকে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার শনাক্ত হয়। ২০০৬ সালে এর টিকা আমেরিকায় তৈরি করা হয়েছিল। কয়েক বছরের মধ্যে এচপিভি ভ্যাকসিন ভারতসহ অনেক দেশে পৌঁছে গিয়েছিল। শুধু ভারত নয়, বিশ্বে অনেক দেশে এচপিভি ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্ক উঠেছিল। ২০১৩ সালে জাপানে এচপিভি ভ্যাকসিন গার্ডিসাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে অনেক মেয়ের মধ্যে সাইড ইফেক্ট দেখা যাচ্ছিল। টোকিও টাইমসের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী কমপক্ষে ২০০০ মেয়ের শরীরে ভ্যাকসিনের খারাপ প্রভাব পড়েছিল। আমেরিকান সরকার এই ঝুঁকি গুলো লুকিয়ে রেখে বিশ্বজুড়ে এ ভ্যাকসিন প্রচার করে চলেছে।গার্ডিসাল নেওয়ার পর বেশ কিছু মেয়ের মধ্যে আকস্মিক সমস্যার সৃষ্টি হলো, ব্রেন ড্যামেজ, অন্ধত্ব আর প্যারালাইসিসের মতো সমস্যা দেখা দিল। জাপানে কিছু মেয়ের প্রাণও গেলো। টোকিও টাইমসের ওই রিপোর্টের কারণে গোটা বিশ্বে হইচই পড়ে গেলো কিন্তু কিছু বছর পর ওই পত্রিকার ওয়েবসাইট থেকে রিপোর্টটা মুছে ফেলা হলো। যদি রিপোর্টটা ভুল হতো, তাহলে ভ্যাকসিন কোম্পানি মানহানির মামলা করতো আর কিন্তু তা কোনওদিন হয়নি আর মোছার ও দরকার হতোনা। জাপানে এইচপিভি ভ্যাকসিনের নামে কী ধরণের খেল চলছে বুঝতে চাইলে, জনপ্রিয় ম্যাগাজিন সায়েন্সে ছাপা এই রিপোর্টটা দেখো। এক জাপানি নিউরোলজিস্ট তার গবেষণায় বলেছে এই ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছিল যে এইচপিভি ভ্যাকসিন মস্তিষ্কের কোষকে ক্ষতি করতে পারে। সেই নিয়ে ওখানের এক মহিলা সাংবাদিক লিখেছিলেন যে তাদের ডেটাই ভুল। ডাক্তার সেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন। আদালত দেখেছে যে ডাক্তারের ডেটা একদম ঠিক ছিল এবং সাংবাদিক তাঁকে বদনাম করার জন্য ফেক নিউজ ছড়িয়েছেন। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী ভ্যাকসিন কোম্পানি আক্রান্ত মেয়ের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে অনেক বড় অঙ্কের টাকা দিয়েছিল। সেটা ছিল জাপান, তাই।ভুক্তভোগীরা টাকা পেয়েছে। ভারতের তো কিছুই হয়নি। ২০১৬ সালে আয়ারল্যান্ডে এইচপিভি টিকা নেওয়ার পর ২৫০ মেয়ের অসুস্থ হওয়ার খবর এসেছিল। বেশিরভাগ মেয়ের কাঁপুনি, অতিরিক্ত ক্লান্তি আর মাইগ্রেনের সমস্যা হয়েছিল। অনেক কিশোরী হঠাৎ করে মেনোপজে চলে গিয়েছিল। অনেকেই বন্ধ্যাত্বের শিকার হয়েছিল। টিকা নেয়া প্রায় সব মেয়ের পিরিয়ডের সময় তীব্র ব্যথা হত। ২০১৭ সালে আমেরিকার ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে এক গবেষণায় দেখা গেছে, ছয় থেকে পনেরো বছর বয়সের মেয়েদের যাদের এইচপিভি টিকা দেওয়া হয়েছিল সেইসব মানুষের মধ্যে অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার,উদ্বেগ এবং অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার অর্থাৎ এডিএইচডির সম্ভাবনা বেশি ছিল। ১৮ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের মধ্যেও নিউরোলজিক্যাল সমস্যার কথা উঠে এসেছে। তবে অনেকেই এমন গবেষণাও পাবেন যা দাবি করে যে ভ্যাকসিন মহিলাদের স্বাস্থ্যের উপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না। আপনি কার ওপর বিশ্বাস করবেন আর কার ওপর করবেন না? সেটা আপনি নিজেই ঠিক করুন। প্রশ্ন তো ওঠে, এমনটা কেউ কেন করবে? কেউ কেন চাইবে মহিলাদের এত অসুস্থ করে দেবে যে তারা কখনো মা হতে পারেনি। এর উত্তর লুকিয়ে আছে পশ্চিমা সাদা দেশের মানসিকতায়। এটা এক ধরণের সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স। ৫০ থেকে ৬০ এর দশকে আমেরিকা আর ইউরোপের মেডিক্যাল জার্নালে অনেক আর্টিকেল লেখা হয়েছিল। যেগুলোতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল যে বিশ্বে সাদা মানুষের সংখ্যা কমছে। তারা আফ্রিকার কালো মানুষদের, ভারতের গাঢ় রঙের মানুষদের আর চীনের মানুষের জনসংখ্যা কমানোর কৌশল তৈরি করেছিল। এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে প্রতিটি সমস্যার কারণ হচ্ছে বাড়তে থাকা জনসংখ্যা। এরপর ভারত আর চীনে কোটি কোটি মেয়েদের গর্ভপাত করিয়ে নরহত্যা
করানো হয়েছে। এই বিষয়টা ভালো করে বুঝতে চাইলে আপনি আমাদের ডকুমেন্টারি ফিল্মটি দেখতে পারেন। এর লিঙ্ক আমরা ইউটিউবের ডিস্ক্রিপশনে দিয়ে রেখেছি। এখন ভারতীয় সংবাদপত্রগুলোতে জনস্বার্থে প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনটা দেখুন। এক বড় আমেরিকান ফার্মা কোম্পানির এই বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভারতে প্রতি ৭ মিনিটে একজন মহিলা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে মারা যায়। যদি এই তথ্যটা সঠিক হয়, তাহলে আপনারও হয়তো এমন কিছু মহিলার কথা জানা আছে যাঁরা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে মারা গেছেন। প্রতি ৭ মিনিটে একজন মহিলার মৃত্যুর এই ডাটা কোথা থেকে এসেছে? ভারত সরকার প্রতিটি বড় রোগে মারা যাওয়া মানুষের আলাদা আলাদা সংখ্যা প্রকাশ করে। কিন্তু সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে কোনও সরকারি তথ্য নেই। বিজ্ঞাপনে নিচে খুব ছোট অক্ষরে লেখা আছে যে ব্রুনি এল নামের একজন গবেষক ২০২১ সালের তার রিপোর্টে এই ডাটা উল্লেখ করেছেন। ব্রুনি এল স্পেনের বার্সেলোনায় থাকেন। তার রিপোর্টে কোথাও লেখা নেই যে এই সংখ্যার উৎস কী বা ব্রুনিয়াল ভারতে কখন এসেছে এই সব জানতে। ব্রুনিয়ালের তথ্যের ওপর শুধু বিজ্ঞাপন ছাপা হচ্ছে না, বরং তার ভিত্তিতে ভারতে সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ম-কানুন তৈরি করা হচ্ছে। এমন একটা রোগ যাতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মহিলা মারা যায় বলে বলা হয়। আশ্চর্যের ব্যাপার, ভারত সরকার এর ব্যাপারে একদম জানে না?২০১৪ সালে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বিশ্ব ব্যাংক আর ইউনিসেফের সঙ্গে মিলে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৫০০০ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছিল। ২০২৪ সালে বিল গেটস ভারত আসেন আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেন। সেই বছর বাজেটে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়। এখন চেষ্টা চলছে এটা শিশুদের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির অংশ করার।প্রোগ্রামে এটা ও যোগ করা হোক৷আমরা এমনটা একদমই বলতে চাই না যে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু এর আড়ালে যা কিছু ঘটছে, সেটা কি সবই স্বাভাবিক? আপনি কি জানেন হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণ আর সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের কারণ কী? এটাই আসল ব্যাপার। কিন্তু সব সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে এটা লুকানো হচ্ছে। কোনো বিজ্ঞাপন বা ডাক্তার বলে না যে এইচপিভি সংক্রমণ একের বেশি সেক্সুয়াল পার্টনারের কারণে হয়। এটা একমাত্র নয়, কিন্তু সবচেয়ে প্রধান কারণ। ১৮ থেকে ২০ বছরের কম বয়সী মেয়েদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি থাকে। অর্থাৎ এই বয়সের আগে যদি যৌন সম্পর্ক না করা হয়, তাহলে রোগের সম্ভাবনা কম থাকে। প্রায় সব বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে যে, যদি নারী ও পুরুষ একনিষ্ঠ থাকেন, তাহলে সার্ভাইক্যাল ক্যানসার খুব কম হয়। এটা ঠিক সেই মতো যেমন কোভিডের সময় হাত ও মুখ পরিষ্কার রাখা এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সার্ভাইক্যাল ক্যানসার থেকে বাঁচার জন্য বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক না করা এবং এক পত্নীত্বকে উৎসাহ দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে পুরো উল্টো হচ্ছে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট শিশুদের যৌন সম্মতির বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে দিয়েছে।১৩ থেকে ১৪ বছর বয়স করা নিয়ে খুবই আগ্রহী। চিফ জাস্টিস বলেছেন, যদি এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তাহলে ভারতে নেপালের মতো বিদ্রোহ হতে পারে। একতা কাপুরকে পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। যিনি সিরিয়ালের মাধ্যমে অবৈধ সম্পর্ক বাড়িয়ে দিয়েছেন। সিনেমা, ওটিটি আর মিডিয়ার মাধ্যমে টিনএজ রোম্যান্সকে কুল বানানো হচ্ছে। মোটকথা একটা বড় পরিকল্পনা চলছে। তারা চায় আমাদের বাচ্চারা ছোটবেলা থেকেই সেক্স শুরু করুক। ‘মাই বডি মাই চয়েস’ এর আওতায় একের বেশি পার্টনার থাকার ছাড় দেওয়া হোক। তারপর এইচপিভি ভ্যাকসিন নাও৷
অ্যাংজাইটি আর ডিপ্রেশন হয়। তারপর কোনো হিরোইনকে মেন্টাল হেলথের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বানিয়ে সাইকিয়াট্রিক ওষুধের বিক্রি বাড়ানো হয়। এই চক্রের সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়ে মহিলাদের ওপর আর শেষমেশ পরিবারের ওপর। এটা যাতে হয়, তাই বিশ্বের জনসংখ্যা ১০ থেকে ১৫% কমানো বা ডিপপুলেশনের স্বপ্ন কিছু মানুষের পূরণ হয়। তো একজন সাধারণ ভারতীয় হিসেবে আমরা কী করতে পারি? বাচ্চাদের ব্রহ্মচর্যের কথা বলা। বলো, ১৮ বছরে আগে যৌন সম্পর্ক জীবনঘাতীও হতে পারে। মাল্টিপল সেক্সুয়াল পার্টনারের মতো ফ্যাশন থেকে দূরে থাকো। এর কারণে অনেক মানসিক আর শারীরিক সমস্যা হয়।অনেক রকম রোগ তো হয়ই। সরকার যেভাবে এই ভ্যাকসিনকে প্রচার করছে, সেদিকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করো না। কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি স্বার্থ ছাড়া বা নিজের ধর্মীয় এজেন্ডা ছাড়া কাজ করে না। তারা আমাদের মিত্র নয়। সরকার যাই হোক, কিছু নেতাকর্মী আর কর্মকর্তা এমনও থাকে যাদের প্রথম অগ্রাধিকার হয় তাদের ছেলে মেয়েদের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেতে সাহায্য করা। এজন্য তারা তাদের পদ ও দায়িত্বের অপব্যবহার করতেও পিছপা হয় না। ওষুধ আর ভ্যাকসিন বানানো কোম্পানিগুলো খুব শক্তিশালী। তাদের জন্য মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া আর অন্যান্য মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কঠিন না। অনেক সময় প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিরাও কোনো প্রোডাক্টের বিরুদ্ধে স্পন্সরড মিথ্যা প্রচারণা চালাতে পারে। তাই প্রতিটা সিদ্ধান্ত ভালো করে ভেবে নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিতে হয়। পুরো দুনিয়া যে কোনো ভ্যাকসিন নিচ্ছে, তার মানে এই নয় যে তুমি ও সেই ভিড়ের সঙ্গে যোগ দাও। সার্ভিক্যাল ক্যান্সার একটা সমস্যা, কিন্তু সেটা পারিবারিক, সামাজিক, শৃঙ্খলা আর জীবনধারার মাধ্যমে ও সমাধান করা যায়। কিন্তু এখন যা হচ্ছে, সেটা ঠিক সিগারেট,ধূমপান বাড়ানোর মতো আর তারপর লাং ক্যান্সারের ওষুধ বিক্রি হয়। ডাক্তার, মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠান আর গবেষকদের কথা বললে, ওদের বিক্রির পুরনো ইতিহাস আছে। ৫০ আর ৬০ এর দশকে ভারতে বনস্পতি ঘি বলে ডালডাকে জনপ্রিয় করা হয়েছিল। তখন ডাক্তার আর গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এটা দেশি ঘির থেকেও ভালো বলত। একই রকম গল্প আছে রিফাইন্ড চিনিরও। ৬০ আর ৭০ এর দশকে ভারতে লক্ষ লক্ষ কন্যার ভ্রুণ হত্যা ডাক্তারদের পরামর্শেই করা হয়েছিল। এটা তোমার জীবন। তুমি কোনো ওষুধ খাও, কোনো ভ্যাকসিন নাও, সেটা তোমার ইচ্ছে। কিন্তু মনে রেখো, জেনে বা না জেনে কেউ
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ো না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *