মহম্মদ মগাফির নামে একটা নেশা বস্তু খেতো,মুখ থেকে গন্ধ বেড় হতো৷আয়েশা আর হাবশা বলতো আপনি যখন ই আসেন মুখ থেকে মগাফিরের গন্ধ আসে৷এরপর আবার মুস….দের নেশা করতে নিষেধ করেছে৷
আপনি আচরি ধর্ম অন্যেরে শেখাও৷নিজে নেশাখোর হয়ে অন্যদের নেশা করতে নিষেধ করে৷আবার বলে জান্নাতে মদের নদী আছে,সেই মদের নদীতে কি সাঁতার কাটবে মুস….রা?পৃথিবীতে জীবিত থাকতে খাবে না আবার Mরার পর ভূত হয়ে খাবে!
“মগাফির” (مغافير) একটি খারাপ গন্ধযুক্ত গাছের রজন বা গাম (gum/resin), যা মধুর মতো মিষ্টি কিন্তু দুর্গন্ধযুক্ত। এটি কোনো মাদকদ্রব্য বা অ্যালকোহল নয়।
হাদিসে “মগাফির”-এর উল্লেখ আছে সহিহ বুখারি এবং অন্যান্য গ্রন্থে (যেমন: Sahih Bukhari 4912, 5267, 6691, 6972; Sunan Abu Dawud 3714 ইত্যাদি), কিন্তু সেখানে নবী মুহাম্মদ (সা.) মগাফির পান করেননি। বরং আয়েশা (রা.) এবং হাফসা (রা.) ঘটনাক্রমে নবী (সা.)-কে বলেছিলেন যে তাঁর মুখ থেকে মগাফিরের গন্ধ আসছে । নবী (সা.) বলেছিলেন: “না, আমি তো জায়নাব বিনত জাহশের ঘরে মধু পান করেছি” এবং পরে আর মধু পান না করার কসম খেয়েছিলেন (যা পরে কুরআনের আয়াতে সংশোধিত হয়েছে, সূরা তাহরিম)।
আয়াত ১-৪ (আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ):
১. يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ ۖ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ ۚ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহান নাবিয়্যু লিমা তুহাররিমু মা আহাল্লাল্লাহু লাকা; তাবতাগী মারদাতা আযওয়াজিকা; ওয়াল্লাহু গাফূরুর রাহীম।
অনুবাদ: হে নবী! আল্লাহ তোমার জন্য যা হালাল করেছেন, তুমি কেন তা নিজের উপর হারাম করছ? তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি কামনা করে? আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
২. قَدْ فَرَضَ اللَّهُ لَكُمْ تَحِلَّةَ أَيْمَانِكُمْ ۚ وَاللَّهُ مَوْلَاكُمْ ۖ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ
উচ্চারণ: কাদ ফারাদাল্লাহু লাকুম তাহিল্লাতা আইমানিকুম; ওয়াল্লাহু মাওলাকুম; ওয়া হুয়াল আলীমুল হাকীম।
অনুবাদ: আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের কসমসমূহের কাফফারা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আর আল্লাহ তোমাদের অভিভাবক এবং তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
৩. وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَىٰ بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهِ وَأَظْهَرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عَن بَعْضٍ ۖ فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهِ قَالَتْ مَنْ أَنبَأَكَ هَٰذَا ۖ قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ
উচ্চারণ: ওয়া ইয আসাররান নাবিয়্যু ইলা বা‘দি আযওয়াজিহী হাদীছান ফালাম্মা নাব্বা‘আত বিহী ওয়া আজহারাহুল্লাহু আলাইহি ‘আররাফা বা‘দাহু ওয়া আ‘রাদা ‘আন বা‘দ; ফালাম্মা নাব্বা‘আহা বিহী কালাত মান আম্বা‘আকা হাযা; কালা নাব্বা‘আনিয়াল ‘আলীমুল খাবীর।
অনুবাদ: আর স্মরণ কর, যখন নবী তাঁর এক স্ত্রীকে গোপনে একটি কথা বলেছিলেন। অতঃপর যখন সে তা অন্যকে জানিয়ে দিল এবং আল্লাহ নবীকে তা প্রকাশ করে দিলেন, তখন নবী তার কিছু অংশ জানিয়ে দিলেন এবং কিছু অংশ এড়িয়ে গেলেন। যখন নবী তা তার স্ত্রীকে জানালেন, তখন সে বলল, ‘কে তোমাকে এটা জানিয়েছে?’ নবী বললেন, ‘সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত আমাকে জানিয়েছেন।’
৪. إِن تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا ۖ وَإِن تَظَاهَرَا عَلَيْهِ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ مَوْلَاهُ وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ ۖ وَالْمَلَائِكَةُ بَعْدَ ذَٰلِكَ ظَهِيرٌ
উচ্চারণ: ইন তাতূবা ইলাল্লাহি ফাকাদ সাগাত কুলূবুকুমা; ওয়া ইন তাজাহারা ‘আলাইহি ফাইন্নাল্লাহা হুয়া মাওলাহু ওয়া জিবরীলু ওয়া সালিহুল মু’মিনীন; ওয়াল মালাইকাতু বা‘দা যালিকা জাহীর।
অনুবাদ: যদি তোমরা দু’জনে আল্লাহর দিকে তওবা কর, তবে তোমাদের অন্তরসমূহ ঝুঁকে পড়েছে। আর যদি তোমরা দু’জনে তার বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে নিশ্চয় আল্লাহই তার অভিভাবক এবং জিবরীল ও সৎ মুমিনগণ; আর তারপর ফিরিশতাগণও সাহায্যকারী।