কি কি ধরণের কথা বলছে শুনুন সব ব্রাহ্মণরা৷এরপর এরা নাকি হাজার হাজার বছর ধরে অত্যাচারিত,লাঞ্ছিত,বঞ্চিত,শোষিত,নিপীড়িত!এদের কোন ব্রাহ্মণ অত্যাচার করতে পারবে?ক্যামেরার সামনে হাত তুলছে,এরা অত্যাচার সহ্য করবে?মিথ্যাচারের কোন শেষ নেই৷এরাই ধনানন্দ হয়ে ক্ষমতার লোভে বাপকে hত্যা করে,ভাইদের কৃতদাস বানিয়ে রাখে,ব্রাহ্মণ চাণক্যকে চুলের মুঠি ধরে মেরে তাড়ায় দেশ রক্ষার কথা বলে অনুরোধ করলে,সেটাও অপরাধ ব্রাহ্মণ চাণক্যের৷
তারমানে এদের কোন দেশপ্রেম কোন কালে ই ছিলনা,নেই৷দেশ রক্ষার জন্য চিরদিন ই চাণক্য আর সাভারকররা- ভাবে,মঙ্গল পান্ডে-গডসেরা,প্রান দেয় আর এরা তাঁদের এভাবে গালি দেয়, অত্যাচার করে,সহ্য করতে করতে এক সময় ব্রাহ্মণরা প্রতিরোধ করতে গেলেই গেল গেল রব ওঠে৷আজকের পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে চিরদিন ই সেটা ই হয়েছে৷এরাই সাধু সন্ন্যাসীদের ধ্যান নষ্ট করতো,যজ্ঞে মাংসের হাড় ফেলতো,কুঁয়োর জলে বিষ মেশাতো৷এদের অত্যাচারে ই দেবতারা ও অতিষ্ঠ হয়ে মা দুর্গা,মা কালিকে পাঠাতে বাধ্য হয়েছিল এদের সাথে যুদ্ধ করতে৷এরা ই তারা যাদের এক বিন্দু রক্ত মাটিতে পড়লে এক লক্ষ রাক্ষস জন্ম নিতো৷এদের মধ্যে ই একটা অংশ সুস্থ চিন্তার অধিকারী হয়ে ব্রাহ্মণ হয়ে উঠে এদের ই বিরোধ করছে,তাতে ও এরা বুঝতে রাজি না এরা অন্যায় করে৷
কোন ব্রাহ্মণ এদের ঘরে ঢুকে এদের মেয়েদের ধর্ষN করে h*ত্যা করে?মুসলমানদের কাছে এরা জব্দ হয় কিন্তু তারপরে ও তাদের পায়ে ই মাথা ঘষে৷এরাই এক সময় দেশ ছেড়ে আরবে গেছে,নিজেদের চরিত্র অনুসারে এলাকা নির্বাচণ করেছে, সেখানে গিয়ে মুসলমান হয়েছে,হয়,তাই স্বভাব,চরিত্র সমান দেখতে পাওয়া যায়৷উগ্র,হিংস্র,কলহপ্রেমী,উশৃঙ্খল৷এরাই দেশ টুকরো টুকরো করতে সচেষ্ট সব সময়,এদের ই সমগোত্রীয় খৃশ্চানদের সাথে যুক্ত হয়,তাদের কাছে আত্মা বিক্রি করে অর্থ রোজগার করে,দেশের ক্ষতি করে,এরাই খৃশ্চান হয়েছে,হয়৷এরাই কমিউনিস্ট হয়েছে,হয়৷এরাই আধুনিক রাক্ষস কার্ল মার্কস,লেলিন,হামাস,হুথি,হিজবুল্লা,মাসুদ আজাহার,লাদেন৷সেইজন্য দেবাসুর যুদ্ধ কোনদিন থামে না,চিরদিন চলতেই থাকে,চলতেই থাকে,চলতে ই থাকে৷
এরপর কেন আর কি ভাবে কেউ এদের সাথে একসাথে চলতে পারবে?বিবাহের মাধ্যমে এক বাড়িতে বাস করতে পারবে?যারা এত ঘৃণা করে তাদের বিবাহ করতে চাইলে কে রাজি হবে?আবার রাজি নাহলে কেস করবে ঘৃণা করছে বলে?এরা তো মুসলমান বা খৃশ্চানদের থেকে কোন অংশে কম না৷
জুতা পরিস্কার করিয়ে সুখ পাবে?মেরে সুখ পাবে?এরা ব্রাহ্মণদের হত্যা করে সুখ পাবে?দেশ থেকে তাড়িয়ে সুখ পাবে?না পাবে না,তখন এরা একে অপরকে দোষ দেবে৷একে অপরকে অত্যাচারী বলবে,এখন ও ব্রাহ্মণ বিরোধীতার সাথে সেটা ও করছে তখন একে অপরকে উঁচু-নীচু বলে মারবে,কাটবে,ধর্ষণ করবে,হত্যা করবে৷যা মুসলমান আর খৃশ্চানদের মধ্যে দেখা যায় তার জন্ম এখানেই,এই ভূমিতেই,এরাই ওরা৷
যা এখানে উঁচু-নীচু তাই কোথাও আসল নকল বা ছোট-বড় মুসলমানের লড়াই আবার কোথাও আসল-নকল,ছোট-বড় খৃশ্চানের লড়াই৷লড়াই করতে করতে এরা স্থান বদলছে ফলে বাহ্যিক চেহারা বদলেছে প্রকৃতির প্রভাবে কিন্তু স্বভাব-চরিত্র রয়ে গেছে অবিকল এক,উদ্দ্যেশ্য রয়ে গেছে অবিকল এক,কার্যকলাপ রয়ে গেছে অবিকল এক৷নাহলে হাজার সুযোগ সুবিধা দেওয়ার পর ও কেন অবস্থার পরিবর্তন হয় না?একই ভাবে মুসলমানদের ও হয় না,খৃশ্চানদের ও হয়না৷
মুসলমানরা এতগুলো দেশ বানালো অন্যের থেকে কেঁড়ে নিয়ে নিয়ে৷এই দেশ থেকে এত লুট করেছে,এই দেশে শাষণ ও করেছে শত শত বছর,আজ সরকারী সুবিধা সুযোগ পাচ্ছে তাও নেই নেই লেগেই আছে৷চারিদিকে শুধু হয় লুন্ঠনের হাত নয় ভিক্ষার হাত৷খৃশ্চানরা ও শত শত বছর এই দেশ থেকে লুট করছে,শাষণ করেছে ছলে বলে,এতগুলো দেশ বানিয়েছে তারপর ও আজ সব দেশ ই প্রায় ভিক্ষারীর দশায় পৌঁছে গেছে,যেকটা যায়নি সেকটাও যাবে অচিরে ই৷মুসলমান দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে হানাহানি,মারামারি,যুদ্ধ চিরদিন লেগেই আছে,খৃশ্চান দেশগুলোর ও নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ কোনদিন ই বন্ধ হয়না৷আর এদের ও বিলাপ কোনদিন শেষ হয়না,শত্রুতা কোনদিন শেষ হয়না৷
ভারতে চিরদিন এরাই বেশীর ভাগ রাজা;জমিদার থেকেছে,আজও রাষ্ট্রপতি;প্রধানমন্ত্রী হয় তাও দারিদ্র্য যায়না কোনদিন৷হাজার সুবিধা দেওয়ার পরও শিক্ষিত হয়না কোনদিন৷ভাল মানের কোন কিছু হতে পারেনা,তাতে ও হিংসা;ঈর্ষা মনের মধ্যে বটবৃক্ষের রূপ ধারণ করে বসে থাকে৷ব্রাহ্মণরা কাউকে হিংসা,ঈর্ষা করেনা,সবার মঙ্গল চায় তাই বারবার সব ছিনিয়ে নেওয়ার পর ও তারা কোন না কোন ভাবে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যায়৷ব্রাহ্মণদের হাতে জমি,ব্যাবসা-বানিজ্য,সম্পদ বেশী থাকেনি কোনদিন ই তাও তো তারা কাউকে অভিযোগ করেনা,হিংসা করেনা৷অথচ যাদের হাতে জমির বেশীর ভাগ অংশ থেকেছে চিরদিন,যারা সমাজের মাথা হিসেবে বিচার করার জন্য মন্ডল পরিচালনা করতো চিরদিন তারা নাকি লাঞ্ছিত,বঞ্চিত,অত্যাচারিত৷
আসল ব্যাপার কোন কিছুতেই সন্তুষ্ট না হওয়াটাই উদ্দ্যেশ্য৷ওদের নাকি লেখাপড়ার অধিকার দেওয়া হয়না এই অপবাদ দেয় কিন্তু বৈদিক কাল থেকে বিদ্যা শিক্ষা ক্ষেত্রে ওদের সংখ্যাই অধিক কারণ সমাজে ওদের সংখ্যা তো চিরদিন ই বেশী৷যুদ্ধ করতো ছোট একটা অংশ তাই তাদের সংখ্যা কম ই হবে এটাই স্বভাবিক৷ব্যাবসা ও করতো কম সংখ্যার লোক,রাজা থাকতো এক জন ই একটা বড় যায়গার জন্য৷ব্রাহ্মণের সন্তান তার নিজের ঘরেই পড়তো তাই ওরাই বেশী সংখ্যার থাকতো,ওরাই গুরু দক্ষিণা দিত তাই দিয়ে কোনমতে ব্রাহ্মণ জীবন অতিবাহিত করতো৷সেই দু চার জন ব্রাহ্মণ কি ভাবে বেশী সংখ্যার লোককে অত্যাচার করতো?যাদের ভিক্ষায় জীবন কাটাতো তাদের উপর অত্যাচার করবে?তাহলে পড়াতো কাদের?খাওয়া জুটতো কি ভাবে?
আজ ও সব সুযোগ-সুবিধা,অর্থ সাহায্য ওদের ই দিয়ে দেওয়ার পর ও শুধু সেই নেই নেই,কিছু পেলাম না,লাঞ্ছিত,বঞ্চিত,অত্যাচারিত৷স্কুল,কলেজে পড়ার সুযোগ,চাকরীর সুযোগ সব কেঁড়ে নিয়েছে,পশ্চিমবঙ্গে যাদের হাতে কিছু জমি ছিল তাদের হাত থেকে জমি ও কেঁড়ে নিয়েছে,ব্রাহ্মণরা চাকরী করে কোনমতে জীবনযাপন করতো সেটায় সমস্যা ছিল তাই চাকরী কেঁড়ে নিয়েছে কিন্তু যতই কাঁড়ুক আত্মা শান্তি লাভ করেনা তাই এবার দাবী পুজা করার অধিকার ও ত্যাগ করতে হবে,ওদের হাতে তুলে দিতে হবে পুজা করার অধিকার,সেই দাবী ও পূরণ করে বহু মন্দিরে ওদের হাতে পুজা করীর অধিকার ও তুলে দেওয়া হয়েছে,মন্দিরের বাইরে ও বহু যায়গায় ওরা পুজা করে কিন্তু তাতে ও শান্তি নেই মনে,খুশী নেই মনে,ব্রাহ্মণদের পুজা করাই ত্যাগ করতে হবে অথচ না জানে সংস্কৃত,না জানে পুজার নিয়ম কানুন,না জানে মন্ত্র পাঠ(আমি এটাও বলছি না সব ব্রাহ্মণ এসব জানে কিন্তু তারপর ও করে যা সমর্থন করিনা কিন্তু বহু গরীব ব্রাহ্মণ এই কাজ করেই অর্ধাহারে দিনপাত করে সেটা ও কেঁড়ে নিতে চায়,তাহলে তারা পুরো না খেয়ে একদম মৃত্যু হোক এটাই চাই,তাইতো?)একদম মুসলমানদের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন কিনা সবাই?অথচ এরা দিনরাত দেবদেবীকে গালাগালি দেয় তারপর পুজা করার অধিকার কেন চাই?কি কারণে চাই?
এতটাই মূর্খ কোন যুক্তির ধারেকাছে ও দেখা যায়না৷পুজা আর গালি একসাথে কি ভাবে চলে?যার উপর বিশ্বাস নেই তাকে পুজা করবে কি ভাবে?এটাও তো সেই মুসলমানদের মূর্তি মানিনা কিন্তু মসজিদ লাগবেই(নিরাকারকে ডাকার জন্য কোন বিশেষ যায়গা লাগে কি?যেখানে খুশী ডাকলেই হয়,তারজন্য হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে একগাদা টাকা খরচ করে মক্কায় যেতে হয় নাকি?),মানুষের কাছে মাথা নত করবো না কিন্তু মানুষের মৃতদেহের কবরে মাথা নত করবো৷খৃশ্চানদের মূর্তি নিষিদ্ধ কিন্তু চার্চ ভর্তি মেরী আর যীশুর মূর্তির ছড়াছড়ি,ছবির ছড়াছড়ি৷কেমন নিরাকার এসব?চার্চের ই বা দরকার কোথায়?কার্ল মার্কসের ধর্ম আফিমের পর মার্কসের মূর্তির কাছে শ্রদ্ধা নিবেদন৷
এদের পথ চালকরা জীবনে সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করে,সুখ স্বাচ্ছন্দ লাভ করেও গান করে যায় ওই লাঞ্ছিত,বঞ্চিত,অত্যাচারিত,নিপীড়িত শব্দগুলো৷এদের এই গান কোন কালেও বন্ধ হওয়ার না,কোনকালে আকাঙ্খা ও পুরণ হবেনা,সবকিছু পেয়ে ও থাকবে না কিছুই৷যারা যুগ যুগ ত্যাগ স্বীকার করে বেঁচে এসেছে তাদের এত চোখের জল,বিনা অপরাধে শাস্তি ভোগ করিয়ে,হত্যা করে,আত্মহত্যা করতে বাধ্য করিয়ে,পদে পদে যাতনা দিয়ে কেউ কি ভাবে ভাল থাকতে পারে?কারোর দীর্ঘশ্বাঃস আর চোখের জল পথকে তো পিচ্ছিল করবেই,অক্সিজেনের অভাব বোধ হবেই৷
দেশে অযোগ্য ডাক্তার মানুষের চিকিৎসা করে রোগ কমানোর বদলে মানুষকে মৃ্ত্যুলোকে পাঠিয়ে,অযোগ্য ইঞ্জিনিয়ার ব্রিজ বানিয়ে তা ভেঙ্গে হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যুলোকে পাঠিয়ে,উকিল বা জাজ হয়ে নিরপরাধ মানুষকে শাস্তি দিয়ে,অপরাধীকে মুক্তি দিয়ে কি পূণ্য লাভ করে?নাকি পাপের ভান্ডার পূর্ণ করে?পাপ আর পূণ্যের ফল লাভ তো নিশ্চই এক হবেনা৷ওদের সাথে যদি কোন অন্যায় হয় বা হয়েছে সেসব ক্ষেত্রে ব্রাহ্মণরা ই প্রতিবাদ,প্রতিরোধ করে আর করেছে চিরদিন৷
মুসলমান,খৃশ্চান,কমিউনিস্টরা বলে ব্রাহ্মণরা ভারতের লোক না বাইরে থেকে এসেছে তাদের হত্যা করবে,ভারত থেকে তাড়াবে৷এরাও বলছে ব্রাহ্মণরা ভারতের লোক না ভারত থেকে তাড়াবে,হত্যা করবে৷
শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা যে জাত ই হোক,তারা ই চাইছে না ব্রাহ্মণ ঘৃণা চলতে থাক৷