গুজরাট সরকার ৫০০০ ষাঁড় কে স্টেরিলাইজ করাবে যাতে সড়কে ঘুরে বেড়ানো পশুর সমস্যা শেষ করা যায়।এই খবর ২০২৩ সালে প্রকাশ পেয়েছিল। এর ৩ বছর পর এই খবরটা আবার সামনে এসেছে। বিল গেটস ফাউন্ডেশন মহারাষ্ট্রের মরাঠওয়াড়ায় ২০০ টির বেশি কেন্দ্র খুলবে, যেখানে গরুদের কৃত্রিম গর্ভধারণ করানো হবে। যদিও এগুলো আলাদা বিষয়, কিন্তু এদের মধ্যে সম্পর্ক ভিডিওতে বুঝতে পারবেন। বিল গেটস সম্পর্কে তো সবাই জানেনই। ওই আমেরিকান ধনী ব্যক্তি যার ছোট ছোট মেয়েদের ওপর হামলার ছবি গোটা পৃথিবী দেখেছে। ওই আমেরিকান ধনকুবের ব্যাক্তি একজন রাশিয়ান মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছিল যার ফলে সেই মেয়ের গোপন কোনো রোগ হয়ে গিয়েছিল। আরেকদিকে সেই আমেরিকান ধনকুবের যিনি ভারতীয় নারীদের সার্ভিক্যাল ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে এতটাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন যে টিভি শো ”সাস ভি কভি বহ থী” টিভি সিরিয়ালের সেটে পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন সার্ভিক্স ক্যান্সারের ভ্যাকসিন সব মেয়েদের দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে(ওই সিরিয়াল একতা কাপুরের যে একজন এজেন্ট অ্যামেরিকান ষড়যন্ত্রকারীদের)। বিল গেটসের এমন মহান কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি আমাদের ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখতে পারেন। লিঙ্ক আমরা ইউটিউবে এই ভিডিওর ডিসক্রিপশনে দিয়ে রেখেছি। তো যিনি ভারতীয় নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে এতটা চিন্তিত ছিলেন, তাঁর দৃষ্টি এখন ভারতীয় গরুদের দিকে। গেটস ফাউন্ডেশন বলছে তারা এমন সিমেন ব্যবহার করবে যাতে গরু বেশি পরিমাণে উচ্চ মানের দুধ দিতে পারে। কৃত্রিম গর্ভধারণের মাধ্যমে এঁড়ে বাছুর জন্মাবে না। অর্থাৎ ষাঁঢ়ের ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। এর জন্য গেটস ফাউন্ডেশন ভারতীয় গরুর জাত পরিবর্তন করবে।এজন্য আগে ভারতীয় ষাঁঢ়দের বীজ দেওয়ার মতো প্রোগ্রাম চালানো হত। যখন ভারতীয় জাতের ষাঁঢ় থাকবে না, তখন আমেরিকায় তৈরি জেনেটিক্যালি মডিফাইড সিমেন দিয়ে হাইব্রিড গরু উৎপন্ন হবে। এই গরু আর তাদের দুধ সেইরকম হবে না যে কারণে আমরা তাদের মা বলি।আমেরিকা তাদের ডেয়ারী প্রোডাক্টসের জন্যভারতের বাজার খোলার জন্য প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে চলেছে৷সেই জন্য তারা এমন হাইব্রিড গরুর দুধ থেকে তৈরি খাদ্য দ্রব্য ব্যবহার করে। ২০২০ থেকে ২০২২ পর্যন্ত যখন কোভিড ছড়িয়েছিল, ঠিক সেই সময়ে ভারতে লাম্পি ভাইরাস নামের একটা রোগও এসেছে। এর কারণে অনেক গরুর মৃত্যু হয়েছিল। অনেকেই কোভিডের সঙ্গে গেটসের নাম জুড়ে দেয়। কে জানে, লাম্পি ভাইরাসও হয়তো কোনো ধরনের পরীক্ষার ফলাফল হতে পারে। আমাদের তো সত্যিই কিছু জানা নেই। কিন্তু এই মিল বেশ ইন্টারেস্টিং। সার্ভিকাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিন ট্রায়ালে মেয়েদের মৃত্যু এবং তাদের স্বাস্থ্যের ওপর আজীবনের প্রভাবও এই মিলের একটা অংশ।আসলে আমাদের পুরো খাদ্য শৃঙ্খলকে দূষিত করার চেষ্টা অনেক দিন ধরে চলছে। শুধু গরু নয়, প্রচলিত ফসল এবং ফলগুলোকেও ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে। এটা এমন এক ঐতিহ্য যা একবার নষ্ট হলে আর ফিরিয়ে আনা যায় না। এটা সন্দেহ করার জন্য যথেষ্ট কারণ না যে ভারতীয় গরুদের প্রজনন হার কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে? যাতে ভারতীয় দুগ্ধ শিল্পগুলো ধ্বংস করা যায় এবং মার্কিন পণ্যের জন্য বাজার খুলে দেওয়া যায়। এটা নিয়ে আশঙ্কা করা যায় না যে কৃত্রিম insemination দিয়ে জন্ম নেওয়া গরুদের শাখায় এমনভাবে কিছু মিশ্রণ করা হবে যাতে তাদের দুধ খেলে ক্যান্সার আর ডায়াবেটিসের মতো রোগ হয়। এ সব এখনো শুধু ষড়যন্ত্র তত্ত্বের চেয়ে বেশি কিছু নয়। কিন্তু পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পুরনো ইতিহাস দেখে এই আশঙ্কাগুলো পুরোপুরি অস্বীকারও করা যাবে না। আমেরিকা আর ইউরোপ থেকে ট্রেড ডিল করতে গিয়ে ভারত যেমন তার ডেয়ারী সেক্টর খুলতে অস্বীকার করলো, ঠিক তেমনি পুরো ভারতীয় মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়ল যে আমূল মাদার ডেইরি আর কান্ট্রি ডিলাইটের দুধে কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া মিলেছে। দুধ আর দই খেয়ে মারা যেতে পারে। মিডিয়া চিন্তা না করে অন্ধকারে চোখ বন্ধ করে ছাপতে শুরু করল।চোখ বন্ধ করে এই মিথ্যা ছড়ানো হলো। যারা যেই কাজগুলো করেছে তাদের চিহ্নিত করা দরকার। ধরে নেওয়া যায় তাদের ভালো টাকা-পয়সা মিলেছে এর বিনিময়ে। কয়েক বছর আগে হিন্দু উৎসবের আগে নকল মিষ্টি আর মিশ্রিত খাবারের খবরগুলো বেশ বাড়িয়ে-চাড়িয়ে দেখানো হতো। পরে বোঝা গেল এটা একটা পরিকল্পনা ছিল যাতে ভারতীয়দের মধ্যে চকোলেট জনপ্রিয় করা যায়। বেশিরভাগ বিদেশি কোম্পানি যারা ভারতে চকোলেট বিক্রি করে, তা ক্ষতিকর পাম অয়েল দিয়ে তৈরি। আর সেই একই কোম্পানি যারা সাদাদের দেশে চকলেট বিক্রি করে, তাদের চকোলেট আলাদা ধরনের হয়।কিন্তু এর বিপরীতে ভারতীয় মিডিয়াতে এমন কোনো প্রচারণা কখনো দেখাবে না। নেসলে কোম্পানি ভারতে নবজাতক শিশুর দুধে চিনি মিশাচ্ছিলো। তখনও মিডিয়া কোনও হইচই করেনি। ৩০ এবং ৪০ এর দশকের পর ভারতীয় বাজারে ভেজিটেবল ঘি বলে হাইড্রোজেনেটেড অয়েল ডালডা এসেছে। তখন দেশি ঘি স্বাস্থ্যকর নয় এবং ভেজিটেবল ঘি ভালো বলে প্রচার চালানো হয়েছিল। আমেরিকান কোম্পানি ইউনিলিভার ডালডা বিক্রি করে প্রচুর টাকা উপার্জন করে। পরে জানা যায় এই কৃত্রিম ঘির কারণে ভারতে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা অনেক বেড়ে গেছে। ৬০ এর দশকে হার্ভার্ডের বিজ্ঞানীরা বলতে শুরু করেছিল যে চিনি সম্পূর্ণরূপে স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। পুরো চার দশক পর জানতে পারা গেল যে আমেরিকান সুগার ইন্ডাস্ট্রি $০০ দিয়ে এই ভুয়া গবেষণা করিয়েছিল। এটা প্রমাণিত হয়েছে যে চিনি এক ধরনের স্লোপয়জন। কিন্তু ততদিনে মানুষ এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে(সাদা চিনিতে এডিকশন হয়)। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষ এর কারণে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যখন ভারতীয় পশুপালন শিল্পের প্রতি আপনার মনে ভয় ভালভাবে বেঁধে দেওয়া হবে, তখন পশ্চিমা কোম্পানিগুলো তাদের বাজে পণ্য ভারতেই বিক্রি করতে পারবে। ভারতের বিক্রি মিডিয়া এই কাজে তাদের সাহায্য করতে প্রস্তুত।এই কথার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো আরসোলা মিল্ক। এক বিশেষ প্রজাতির আরসোলার শরীরে তৈরি হওয়া লিকুইড প্রোটিনকে আজকাল সুপার ফুড হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। বলছে, এটা গরুর দুধের চেয়ে তিন গুণ বেশি পুষ্টিকর। আজ হয়তো এটা মজা লাগতে পারে, কিন্তু গত কয়েক বছরে আমাদের খাওয়া-দাওয়া আর অভ্যাস যেভাবে বদলে গেছে, সেই দিন খুব দূরে নয় যখন আমরা মেনে নেব গরুর দুধ বিষাক্ত আর ক্ষতিকর, আর আরসোলার দুধ বা ল্যাবে তৈরি সিন্থেটিক দুধই হবে স্বাস্থ্যকর। এবার ফিরে আসি বিল গেটসের কথায়। আপনি কি জানেন বিল গেটস আমেরিকার সবচেয়ে বড় কৃষকদের একজন?তার কাছে পাচঁ লাখ একর জমি আছে যেখানে সে জেনেটিক্যালি মডিফায়েড আর হাইব্রিড ফসলের চাষ করে। আমেরিকার অন্য বড় বড় কৃষকরাও বিল গেটসের মতই চিন্তার মানুষ। তারা তাদের ফসল বিক্রি করতে চায় আর তার জন্য ভারতীয় বাজার দরকার। বিল গেটস ল্যাবে তৈরি করা বাটারটাও ভারতে বিক্রি করতে চায়। এই মাখনটা স্বাদ, গন্ধ আর দেখতে একদম ডেয়ারী মাখনের মতই। এটা তৈরি হয় বায়ুর কার্বন ডাই অক্সাইড আর জলের হাইড্রোজেনের একটা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়। এটা বানাতে এখানে প্রাণী বা উদ্ভিজ্জ চর্বি ব্যবহার করা হয় না। ২০২৭ সালের মধ্যে এটি বাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে। প্রথমে এটি বড় ফুড চেইন, রেস্টুরেন্ট এবং হোটেলগুলোতে বিক্রি করা হবে। সেখান থেকে এটা মানুষের রান্নাঘরে পৌঁছবে। বর্তমানে মার্কিন মিডিয়ায় এই সিন্থেটিক বাটারের অনেক প্রশংসা হচ্ছে। শীঘ্রই আপনি ভারতীয় মিডিয়ায়ও এর প্রচার দেখতে পাবেন। বিল গেটস কলম্বিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মশার কারখানা খুলেছেন। এখানে প্রতি সপ্তাহে ৩ কোটি মশা উৎপাদিত হয়, যেগুলো শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া,নিশ্চই ভারত ও আছে এই ১৮ টি দেশের লিস্টে ভিয়েতনামসহ ১৮টি দেশে ছাড়া হচ্ছে।(এগুলো কোন ধরণের বদমাশী?নানা দেশে মশা ছাড়বে?কেন?কোন দেশে ম্যালেরিয়া হলে সেই দেশের মানুষ বুঝবে,বিল গেটসকে কে দায়িত্ব দিয়েছে ডেঙ্গু কমানোর?ও কি অত মহান লোক নাকি যে মানুষের উপকার করবে?তাও আবার আর্থিক ভাবে দুর্বল দেশগুলোতে উপকার করতে যাবে?তাও আবার মিনারেলস এবং তেল সম্বৃদ্ধ দেশগুলোতে?আসলে ওইসব দেশের মানুষকে মশাবাহিত কোন ভয়ানক রোগে হত্যা করে ওইসব দেশে কব্জা করাই আসল উদ্দ্যেশ্য সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ ই নেই৷কোন দেশের ই উচিৎ হবেনা ওর প্রস্তাবে রাজি হওয়া৷The World Mosquito Program is currently operating in 15 countries around the world – Australia, Brazil, Colombia, El Salvador, Indonesia, Sri Lanka, Honduras, Laos, Vietnam, Kiribati, Fiji, Vanuatu, New Caledonia, Mexico and Timor-Leste.
আর তিনটে পেলাম না,ভারতে নিশ্চই বাদ দেবেনা৷ডেঙ্গু কোথা থেকে এসেছে?ওরাই তৈরী করে ছড়িয়েছে৷প্রতি বছর ভারতে কত লোকের মৃত্যু হয় ডেঙ্গুতে৷ ওটা কি নিজে থেকে হয় নাকি?সরকার ও সেটা গোপন ই রাখে৷জনগন যতক্ষণ পর্যন্ত না সবাই এসব ব্যাপারে তথ্য জানবে,তীব্র প্রতিবাদ শুরু করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার এসব করেই যাবে)৷তারা প্রচার করছে এই মশারাই ডেঙ্গু ছড়ানো থামায়। কিন্তু সত্যি কি তাই?একটা মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের কথায় বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। ভারত যখন নিজের কৃষি আর ডেয়ারী মার্কেট খুলছে না, সেটা বিল গেটসের মতো আমেরিকান কৃষকদের জন্য বড় ধাক্কা। আমুলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার তাদের পাল্টা হামলা। ডিপ স্টেট দ্বারা পরিচালিত আরও অনেক ষড়যন্ত্র সামনে আসবে যাতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। কৃষকদের নামে বকবকানি আর আন্দোলনও তারই একটা অংশ। একজন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আমাদের আগামী কিছু বছর বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।সাবধান থাকতে হবে। ভারতীয় খাবার-দাবারের খবরগুলোকে সন্দেহের চোখে দেখুন, চোখ বুজে বিশ্বাস করবেন না। আগামী দিনে দুগ্ধজাত ও খাদ্য শিল্পকে বিশেষভাবে টার্গেট করা হবে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় আর গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সূত্র ধরে ছাপানো খাবার-দাবারের খবরগুলো একদম পাত্তা দেবেন না। নিজের এলাকার প্রচলিত ফসল আর খাবারের উপর বিশ্বাস রাখুন। যেটা আমাদের পূর্বপুরুষদের জন্য নিরাপদ ছিল, সেটাই আমাদের জন্যও ঠিক থাকবে। গত কয়েক দশকে আমাদের খাবারের ধরনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।এগুলো ঠিক করুন। সরকারি ব্যবস্থায় অনেকেই আছেন যারা ভারতের চেয়ে বেশি সাদা পশ্চিমা মালিকদের স্বার্থে কাজ করে। এই লড়াই চারদিকে ছড়িয়ে আছে। গরুর জাতি বদলানো থেকে ফসলের প্যাটার্নে হস্তক্ষেপ করা—সবই প্রকৃতির বিরুদ্ধে। এটা একটা সুচিন্তিত খেলা, যার সঙ্গে আব্রাহামিক ধর্মগুলোর মানসিকতা জড়িত। এই চিন্তা প্রকৃতিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। আমাদের সনাতन সংস্কৃতি সহ অবস্থানকে গুরুত্ব দেয়। তাই আমরা গরুকে মা বলি। বলা হয়ে থাকে যে আমেরিকান কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, “কন্ট্রোল অয়েল”।আর তুমি নিয়ন্ত্রণ কর রাষ্ট্রগুলোকে। খাদ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ কর আর তুমি নিয়ন্ত্রণ করবে মানুষদের। অর্থাৎ তেলের নিয়ন্ত্রণ করে দেশগুলোকে কাবু করা যায়। খাদ্য সামগ্রীর নিয়ন্ত্রণ করে ব্যক্তিদের নিজের নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। বিশ্বের অসুরী শক্তিরা এই একই সূত্রে চলেছে। আমাদের সচেতন আর সতর্ক থাকতে হবে। তবেই আমরা আমাদের আগামীর প্রজন্ম, আমাদের পরিবেশ আর বাস্তুতন্ত্রকে বাঁচাতে পারব। (মোদী তার নিজের রাজ্যের মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন খেলুন কিন্তু পুরো ভারতে এসব করার চেষ্টা যেন ভুলেও না করেন তাহলে লাগাতার প্রচার করে আন্দোলন করা হবে৷আমরা চাইনা গুজরাটের হিন্দুদের ও ক্ষতি হোক কিন্তু তারা যদি মোদী ভক্তি করে এসব সমর্থন করে তাহলে তাদের যা হয় হবে অথবা প্রতিবাদ শুরু করুক৷বিল গেটসের সাথে মোদীর কিসের এত প্রেম?যে প্রেমের টানে দেশবাসীকে হত্যা করাতে ও মদত দেবেন?অ্যামেরিকার দুগ্ধ বা দুগ্ধজাত খাদ্য খাওয়ার আগে অ্যামেরিকার ম্যাড কাউ রোগের কথা মাথায় রাখবেন সবাই৷র্যাভিসের মত মানুষের মৃত্য হয়৷গরুদের গরুর মাংস খাওয়ায় ওরা, গরুর দুধে অধিক এবং অ্যানিমেল প্রোটিন পাওয়ার জন্য৷গরুরা গরুদের মাংস খাওয়ার ফলে তাদের ম্যাড কাউ রোগ হয় আর সেই গরুদের দুধ খেয়ে মানুষের ও হয় কিন্তু ওরা তো কোন কিছুতেই শুধরাবার জাতি না৷নিজেরা ভাল খাবে আর পৃথিবীতে নরহত্যা করে লোক সংখ্যা একদম কমিয়ে ফেলে মুষ্টিমেয়ো কিছু লোক পৃথিবীর মালিক হবে এটাই জর্জ সোরোস,বিল গেটসের মত একদল লোকের টার্গেট,তারজন্য ওরা এমন সব পৈশাচিক কাজকর্ম করে চলেছে৷অস্টেলিয়ায় ও গরুর ম্যাড কাউ হয়৷ব্রিটানিয়া কোম্পানি ভারতে অস্ট্রেলিয়ার দুধ আর দুধের প্রডাক্ট বিক্রি করে৷”গো চিজ” ওই প্রজাতির৷বাজারে ভারতীয় পন্যের সাথে পৃথক না করে,জনগনকে না জানিয়ে ওইসব দেশের পণ্য বিক্রি করা হয়,আমি বলবো সেটা অন্যায় আর দূর্ণীতি৷বিদেশের প্রতি আনুগত্য দেখাতে গিয়ে দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা হয়৷কংগ্রেস আমলে ই ওসব প্রডাক্ট ভারতে আসতে দেওয়া শুরু হয়৷
কেন ষাঁঢ় জন্ম দেওয়া বন্ধ করা হবে?গরুর যৌন চাহিদা নেই?তাদের প্রানী অধিকার নেই?এরাই আবার অ্যানিম্যল প্রোটেকশনের বুলি আওড়ে হৈচৈ করে৷গরুর সেই প্রটেকশন দরকার নেই?গরু অ্যানিম্যল না?যৌন প্রয়োজন না মিটিয়ে কৃত্তিম ভাবে কেন গরুকে ওদের নিশ্চিত করা বাচ্চা জন্ম দিতে হবে?গরুর চরিত্র বদলে যাবে তাদের সাথে করা এমন নৃশংসতার জন্য৷জোর করে কেন বেশী দুধ উৎপাদন এবং দোহন করা হবে?গ্রামে এখনও অনেকেই বলদ দিয়ে লাঙ্গল চালায় তাই ষাঁঢ় কেন জন্ম দেওয়া বন্ধ করতে হবে?এতে জীববৈচিত্র্য বদলে যাবে৷যাদের ট্র্যাকটার কেনার ক্ষমতা নেই তারা চাষ করবে কি ভাবে?আমাদের দেশে ষাঁঢ় ঘুরে বেড়ালে ওদের কি সমস্যা?ওদের অত চিন্তা না করলেও চলবে৷ষাঁঢ় খুব বেশী হয়ে গেলে সরকার দায়িত্ব নিয়ে তাদের সংগ্রহ করে জঙ্গলে ছেড়ে আসুক,জঙ্গলে তাদের খাদ্যের অভাব হবেনা,কারোর বিরক্তির কারণ হবেনা,কারোর পয়সা খরচ হবেনা৷ভারতের জন্য চিন্তায় ঘুম আসেনা!বহুকাল আগে থেকেই গরুকে ইনজেকশনের(স্পার্ম) মাধ্যমে গর্ভধারণ করানো হয় যা একেবারে ই অনৈতিক কাজ৷এতে গরুর চরিত্র বদলে যাবে৷এসব বিল গেটসরা নিজেদের বিকৃত যৌন চাহিদা পূরণ করতে হাজারটা বিকৃত পথ অবলম্বন করে আর অন্য মানুষ থেকে প্রানী সবার উপর তাদের বিকৃত চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করে৷আমাদের ভারতীয় গরুকে অস্ট্রেলিয়ার জার্সী গরুর ইনজেকশন দিয়ে(স্পার্ম)হাইব্রিড গরু জন্ম দেওয়া চলছে বহু কাল থেকে(50 বছর তো হবেই মনে হয়)ওই গরুর দুধ অখাদ্য খেতে,পাতলা দুধ(যেহেতু অনেক বেশী দেয়)কোন স্বাদ নেই,সর হয়না ভাল,সাদা রং হয়,ভাল গন্ধ থাকেনা৷আমাদের দেশী গরুর ঘন দুধ হয়,মোটা সর হয়,হাল্কা হলদে রং হয়,খেতে অনেক ভাল,গন্ধ ও খুব ভাল হয়,উপকারীতায় ভরপুর,ওদের গরুর দুধের মত খেলে ক্ষতি হবেনা৷আমাদের দেশের গরু তৃণভোজী তাই দুধের স্বাদ,গন্ধ,বর্ণ সব অনেক ভাল হয়৷ওরা ভারতে গরুকে হর্মোন ইনজেকশন গিয়ে বেশী দুধ দোহন করা শিখিয়েছে৷অনেক ব্যাবসায়ী বেশী লোভে সেটা করে ফলে মানুষের ও শরীরের ক্ষতি হয়,গরুর ও ক্ষতি হয়৷তাড়াতাড়ি গরুর দুধ দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়,প্রচন্ড পাতলা দুধ দেয়৷এসব না করে গরুকে প্রচুর লাউ সেদ্ধ,ছোলা ভেজানো,বাদাম,কাঁচা ঘাস এসব খাওয়ালেই বেশী এবং ভাল দুধ পাওয়া যাবে৷গরুর স্বাস্থ ও ভাল থাকবে ফলে বেশীদিন দুধ ও দেবে৷দুধ,বাটার,ছানা,পনির,চিজ,দৈ সব ভারতীয় চাই৷কোন বিদেশী কেমিক্যাল দেওয়া,কৃত্তিম,গরুর মাংস খাওয়ানো গরুর দুধ কোন পরিস্থিতিতেই খেতে আমরা রাজিনা তাতে কোন দেশের সাথে সম্পর্কের কি হলো তা দেখতে বাধ্য না৷যারা আমাদের মেরে ভারত দখল করতে চায় তাদের সাথে সম্পর্ক না থাকলেও চলবে৷ওরা সোজাসুজি শত্রুতা করে তারপর আমরা জোর করে কেন বন্ধুত্ব করতে যাব?অ্যাভয়েড ও করা যাবেনা?আমাদের দেশের সব বিষয়ে মতামত দেওয়ার,সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ওদের কে দিয়েছে?
এরপর ফল,সবজি ইত্যাদি আমরা কেন ওদের দেশের জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফল,সবজি খাব?আমাদের দেশে তো খাদ্যের অভাব নেই৷বিক্রি না করতে পেরে,সঠিক মূল্য না পেয়ে আমাদের চাষীরা ফল,সবজি ফেলে দেয় তারপর আমরা বেশী দাম দিয়ে ওদের বিষাক্ত ফল,সবজি কেন খাব?বিদেশী ডাল,বিষাক্ত সয়াবীন অতি অখাদ্য সেসব কেন খাব আমরা?তেলের নামে আমাদের কেমিক্যাল খাওয়া ধরিয়েছে,আমরা ওসব তেল আর খেতে রাজিনা৷আমরা আমাদের দেশের ভেজাল বিহীন,কেমিক্যাল বিহীন শরষে,তিল,তিষি,নারকেল,বাদাম,সয়াবীন এসব তেল ই খেতে চাই৷সাদা চিনি পুরো বাতিল করা হোক,আখ থেকে তৈরী করা অকৃত্তিম ন্যাচারাল চিনি গুড় খেতে চাই৷মোট কথা আমরা আমাদের দেশীয় খাদ্য ছাড়া বিদেশী কোন খাদ্য খেতে রাজিনা কারণ ওরা খাদ্যের মাধ্যমে নানা রোগ ধরিয়ে ওষুধ বেচে পয়সা কামিয়ে তারপর আমাদের হত্যা করতে চায় কারণ ওরা পৃথিবীর এবং সব থেকে বেশী চায় ভারতের হিন্দুদের হত্য করে সংখ্যা কমাতে৷ ওদের বিষাক্ত খাদ্য খেয়ে আমরা মরবো,চাষের জিনিস বিক্রি না করতে পেরে আমাদের চাষীরা মরবে৷আমরা বিদেশী কোন জিনিস খেতে রাজিনা,আমরা যা চিরদিন খেয়েছি তার বাইরে কোন কিছু কেন খেতে বাধ্য হবো?ওসব বিষাক্ত খাদ্য খেতে বাধ্য করিয়ে আমাদের শরীরকে রোগের বাসা বানিয়ে তারপর বিল গেটস তার ওষুধ ব্যাবসা করবে৷ক্যানসার ধরিয়ে সবথেকে বেশী পয়সা কামাতে চায় কারণ ক্যানসার চিকিৎসায় মানুষ তাদের ঘটি-বাটি পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হয়৷ওই পিশাচ লোকগুলোর পয়সার ক্ষুধা পৃথিবীর সব সম্পদ পেলেও মিটবেনা৷কবরে দু পা রেখে এত বয়সে ও মানুষের রক্ত চুষছে ড্রাকুলার মত৷