বাইবেল কি কোরআনের থেকে আলাদা কিছু?মোটেই না,কারণ বাইবেল থেকে ই টুকে করার লেখা হয়েছে।তাই খ্রিস্টানরাও আমাদের বন্ধু হতে পারেনা কোনদিন। নীচে বলা অংশের পরের ধাপে খ্রিস্টানরাও মুসলমানদের মতো এ হিংস্রতার পথ অবলম্বন করে।
বাইবেলে মূর্তি/প্রতিমা তৈরি ও উপাসনার বিরোধিতা করে এমন কিছু বক্তব্য নীচে দিলাম। যাত্রাপুস্তক 20:3–5 — অন্য দেবতার উপাসনা না করা এবং কোনো খোদিত মূর্তি বানিয়ে তার সামনে প্রণাম না করার নির্দেশ।যাত্রাপুস্তক 32:1–8 — সোনার বাছুর তৈরি করে উপাসনা করার ঘটনা এবং তার নিন্দা।
লেবীয় পুস্তক 19:4 — “তোমরা মূর্তির দিকে ফিরো না, এবং ছাঁচে ঢালা দেবতা তৈরি করো না।”লেবীয় পুস্তক 26:1 — খোদিত মূর্তি, স্তম্ভ ও প্রণাম করার জন্য প্রতিমা স্থাপনের নিষেধ।দ্বিতীয় বিবরণ 4:15–19 — ঈশ্বরের কোনো দৃশ্যমান আকৃতি দেখে তাকে পুরুষ, নারী, পশু, পাখি, সরীসৃপ বা জ্যোতিষ্কের আকৃতিতে বানানোর বিরুদ্ধে সতর্কতা।দ্বিতীয় বিবরণ 5:7–9 — কোনো খোদিত মূর্তি বা আকাশ-পৃথিবীর কোনো কিছুর আকৃতি বানিয়ে তার উপাসনা না করার নির্দেশ।দ্বিতীয় বিবরণ 7:25–26 — অন্য জাতির দেবতাদের মূর্তি ধ্বংস করতে এবং সেগুলো ঘরে না আনতে নির্দেশ।দ্বিতীয় বিবরণ 12:2–4 — অন্যান্য জাতির দেবতাদের উপাসনাস্থল ধ্বংস করার নির্দেশ।গীতসংহিতা 115:4–8 — জাতিদের প্রতিমাগুলোকে সোনা-রূপার তৈরি, চোখ-কান-মুখ ইত্যাদি থাকলেও কার্যক্ষমতাহীন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।গীতসংহিতা 135:15–18 — মানুষের হাতে তৈরি সোনা-রূপার মূর্তির সমালোচনা।যিশাইয় 40:18–20 — ঈশ্বরের তুলনা কোনো মূর্তি বা মানুষের তৈরি প্রতিমার সঙ্গে করা যায় না।যিশাইয় 44:9–20 — কাঠ দিয়ে মূর্তি বানিয়ে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করার বিষয়টির দীর্ঘ সমালোচনা।যিশাইয় 46:5–7 — ঈশ্বরকে কোনো প্রতিমার সঙ্গে তুলনা করা যায় না; মানুষের তৈরি মূর্তি নিজে চলতে বা সাহায্য করতে পারে না।যিরমিয় 10:3–5 — কাঠ কেটে কারিগরের তৈরি মূর্তি সাজানো হলেও সেটি কথা বলতে বা চলতে পারে না।হাবাক্কূক 2:18–19 — খোদিত মূর্তি ও ঢালাই মূর্তির ওপর নির্ভর করার বিরুদ্ধে বক্তব্য।নতুন নিয়মপ্রেরিত 17:29 — ঈশ্বরকে মানুষের শিল্প ও কল্পনার দ্বারা তৈরি সোনা, রূপা বা পাথরের মূর্তির মতো মনে করা উচিত নয়।রোমীয় 1:22–25 — সৃষ্টিকর্তার পরিবর্তে সৃষ্ট বস্তুর/জীবের উপাসনা করার নিন্দা।১ করিন্থীয় 10:14 — “মূর্তিপূজা থেকে পলায়ন করো।”১ করিন্থীয় 10:19–21 — মূর্তির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা বিষয় এবং ঈশ্বরের উপাসনার মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে।১ করিন্থীয় 12:2 — পৌল “বোবা মূর্তির” দিকে পরিচালিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।২ করিন্থীয় 6:16 — ঈশ্বরের মন্দির ও “মূর্তির” মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই বলে বলা হয়েছে।১ যোহন 5:21 — “শিশুগণ, তোমরা নিজেদের মূর্তি থেকে রক্ষা করো।”
বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ --যদি শুধু সরাসরি মূর্তি-বিরোধী পদগুলো বেছে নিতে হয়, তাহলে এগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:যাত্রাপুস্তক 20:3–5 → লেবীয় পুস্তক 19:4; 26:1 → দ্বিতীয় বিবরণ 4:15–19; 5:7–9 → গীতসংহিতা 115:4–8 → যিশাইয় 44:9–20 → যিশাইয় 46:5–7 → যিরমিয় 10:3–5 → প্রেরিত 17:29 → ১ করিন্থীয় 10:14 → ১ যোহন 5:21।
এগুলোতে মূলত মূর্তি বানানো, মূর্তিকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করা, তার সামনে প্রণাম/উপাসনা করা, এবং সৃষ্ট বস্তুকে সৃষ্টিকর্তার স্থানে বসানো—এসবের বিরুদ্ধে বক্তব্য আছে।
যাত্রাপুস্তক 20:3–5অন্য দেবতা রাখা যাবে না। কোনো খোদিত প্রতিমা বা কোনো কিছুর আকৃতি বানিয়ে তার সামনে প্রণাম বা উপাসনা করা যাবে না।লেবীয় পুস্তক 19:4“মূর্তির দিকে ফিরো না” এবং ঢালাই করা দেবতা তৈরি করো না।লেবীয় পুস্তক 26:1খোদিত মূর্তি, পূজার স্তম্ভ এবং প্রণামের জন্য প্রতিমা স্থাপন করা নিষিদ্ধ।দ্বিতীয় বিবরণ 4:15–19ইস্রায়েলীয়রা ঈশ্বরের কোনো আকৃতি দেখেনি—তাই ঈশ্বরকে মানুষের, পশুর, পাখির, সরীসৃপের বা সূর্য-চন্দ্র-তারার আকৃতিতে তৈরি করে উপাসনা না করতে বলা হয়েছে।দ্বিতীয় বিবরণ 5:7–9অন্য দেবতা নয় এবং খোদিত প্রতিমা বা সৃষ্ট কোনো বস্তুর আকৃতি বানিয়ে তার সামনে নত হয়ে উপাসনা করা যাবে না।গীতসংহিতা 115:4–8পৌত্তলিকদের মূর্তি সোনা ও রূপার, মানুষের হাতের তৈরি বলা হয়েছে। তাদের মুখ, চোখ, কান ইত্যাদি আছে, কিন্তু তারা কথা বলতে, দেখতে বা শুনতে পারে না। যারা তাদের ওপর নির্ভর করে তাদেরও সেই মূর্তির মতো হওয়ার কথা বলা হয়েছে।যিশাইয় 44:9–20এটি মূর্তি-বিরোধী সবচেয়ে শক্তিশালী অংশগুলোর একটি। একজন কারিগর কাঠ দিয়ে মূর্তি বানায়। সেই একই কাঠের একটি অংশ দিয়ে সে আগুন জ্বালিয়ে খাবার রান্না করে, আর অবশিষ্ট অংশ দিয়ে দেবতা বানিয়ে তার সামনে নত হয়। এরপর বলা হয়, সে নিজের হাতে তৈরি বস্তুর কাছে সাহায্য চায়।যিশাইয় 46:5–7ঈশ্বরের সঙ্গে কোনো মূর্তি বা প্রতিমার তুলনা করা যায় না। মানুষ সোনা-রূপা দিয়ে মূর্তি বানায়, কাঁধে বহন করে, নিজের জায়গায় রাখে; সেটি নড়তে পারে না এবং তাকে সাহায্য করার জন্য ডাকলেও উত্তর দিতে পারে না।যিরমিয় 10:3–5একটি গাছ কাটা হয়, কারিগর সেটিকে খোদাই করে, সোনা-রূপা দিয়ে সাজায় এবং পেরেক দিয়ে স্থির করে। কিন্তু সেটি কথা বলতে পারে না, চলতে পারে না এবং নিজে কোনো কাজ করতে পারে না। তাই তাকে ভয় করার প্রয়োজন নেই।প্রেরিত 17:29মানুষ ঈশ্বরের সৃষ্টি; তাই ঈশ্বরকে মানুষের শিল্পকর্মে তৈরি সোনা, রূপা বা পাথরের মূর্তির মতো মনে করা উচিত নয়।১ করিন্থীয় 10:14সরাসরি নির্দেশ: “মূর্তিপূজা থেকে পলায়ন করো।”১ যোহন 5:21শেষের সতর্কবাণী: “নিজেদের মূর্তি থেকে রক্ষা করো।”সংক্ষেপেএই পদগুলোর মধ্যে বিশেষ করে—যাত্রাপুস্তক 20:3–5 → মূর্তি বানিয়ে প্রণাম/উপাসনা নিষিদ্ধদ্বিতীয় বিবরণ 4:15–19 → ঈশ্বরের আকৃতি বানানোর বিরুদ্ধে সতর্কতাযিশাইয় 44:9–20 → মানুষের তৈরি মূর্তির বিস্তারিত সমালোচনাযিরমিয় 10:3–5 → কাঠের মূর্তির সমালোচনাপ্রেরিত 17:29 → ঈশ্বরকে মানব-নির্মিত মূর্তির সঙ্গে তুলনা না করা১ করিন্থীয় 10:14 → মূর্তিপূজা থেকে দূরে থাকার সরাসরি নির্দেশ।
এসবের পর ও খ্রিস্টানরা কিন্তু যীশু মূর্তি,মেরীর মূর্তি তৈরী ও করে,বহন ও করে,প্রতিষ্ঠিত ও করে,খাদ্য ও দেয়,ফুল - মালা ও দেয়,মমবাতি ও জ্বালায় কিন্তু ওরা ওদের এসব কাজকে স্বীকৃতি দেয় অথচ আমাদের সকিছুকে অস্বীকার করে।অথচ খ্রিস্টান দেশগুলোতেও খ্রিস্ট ধর্মের আগে মূর্তি পূজা ই চালু ছিল তাই ওরা এসব নিয়ম বানিয়েছিল কিন্তু তারপর ও কিন্তু সেই মূর্তি পূজা থেকে বিগত আড়াই হাজার বছরেও বেড় হতে পারেনি তারপর ও তাহলে কেন এত বিদ্বেষ আর হিংস্রতা?এর উত্তর ওরা কেউ কি দিতে পারবে?