বিজেপি আপ্রাণ চেষ্টা করছে মুসলমানদের সাথে একাত্বতা তৈরী করতে।অন্য সব দল মুসলমানদের শুধু তেল ঘি মাখাতে ব্যস্ত থাকে আর বিজেপি তেল ঘি মাখানোর সাথে আবার মুসলমানদের আসল ভারতীয় বানাতে চায়,হিন্দু পরিচয়ে বাঁধতে চায়,রামের বংশধর বিশ্বাস করাতে চায়,সভ্যতা ভদ্রতা শেখাতে চায়,শিক্ষিত বানাতে চায়,ভারতীয় সমাজের মানে বৃহত্তর হিন্দু সমাজের সাথে মিশিয়ে দিতে চায়,হিংস্র মানসিকতা দুর করতে চায়,মানুষ বানাতে চায়।এই চাওয়াগুলোকে আমি খারাপ বলতাম না এই চেষ্টা টা যদি হাজার বছর আগে করতো কারণ সেই সময় ইসলাম কি সেটা কারোর পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না কারণ কোরআন আরবী ছাড়া আর কোন ভাষায় পাওয়া যেত না কিন্তু আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এমন অপচেষ্টা করার অর্থ যে কি সেটা ওরাই জানে,বা হয়তো জনেও না।
বন্ধুরা কি বলেন আপনারা?বিজেপি দশ হাজার বছর চেষ্টা করেও সফল হবে(যদি অবশ্য ততদিন ইসলাম থাকে)?কত মানুষ কত চেষ্টা করলো,কেউ সফল হয়েছে কি কোনদিন?রাজা দাহির মানবতাকে প্রাধান্য দিয়ে মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁর রাজ্যে কিন্তু তার মূল্য দিয়েছিলেন নিজের জীবন দিয়ে,নিজের স্ত্রী – কন্যার মান, সম্ভ্রম,জীবন সব ধ্বংস করে।রামমোহন চাইলেন যা হয়ে গেছে,গেছে এখন থেকে সবাই মিলেমিশে থাকুক।রবীন্দ্রনাথ রাখী পড়ালেন ওদের ভালবাসার বন্ধনে বাঁধবেন বলে,কত কবিতা লিখলেন প্রেম প্রেম ভাব নিয়ে।রামকৃষ্ণ তো ইসলাম ধর্ম ই গ্রহন করে ফেললেন খুশী করতে। সাধু সন্ন্যাসী থেকে রাজনীতিবিদ,সমাজ সেবক থেকে সাধারণ মানুষ চেষ্টা চালিয়ে ই যাচ্ছেন।
কামাল আতাতুর্ক টার্কি কে আধুনিক বানালেন।আবার অন্ধকারে ডুবে গেল।
আফগানিস্তানকে আধুনিক করার প্রচেষ্টা করেছিলেন আমানুল্লা খান
এছাড়াও পরে আরও কিছু নেতা আধুনিকায়নের চেষ্টা করেন, যেমন:
মহম্মদ দাউদ খান,
মহম্মদ জহির শাহ কিন্তু সবাই ব্যর্থ হন।আজ আফগানিস্থানে মেয়েদের শাটল ককের জালে বন্দী করেছে,নিজের মেয়েদের বিক্রি করছে,মেয়েদের দিয়ে শুধু ভিক্ষা করাচ্ছে।
ইরানকে আধুনিক করার চেষ্টা করেন রেজা শাহ পাভলভি। তিনি পাহলভি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করে ইরানকে আধুনিক রাষ্ট্রে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তার ছেলে মহম্মদ রেজা পাভলভি পরে “White Revolution” নামে আরও আধুনিক সংস্কার চালান কিন্তু বিফলই হন।আজকের ইরানে মেয়েরা রেপড হলো সেই কারণে মেয়েদের মেরে ফেলছে।
কিন্তু তারপর ও আমরা কি দেখতে পাচ্ছি চারদিকে,নানা দেশে,আমাদের দেশে?তার তালিকা বানাতে গেলে শেষ হবেনা তাই ওদিকে আর গেলাম না।বরং কিছু বাস্তব কথা বলি।বাংলাদেশ,পাকিস্তান এবং সবচেয়ে বেশী দুঃখের কথা ভারতের মুসলমানরাও ক্রমাগত হিন্দুদের হত্যা করার কথা সব সময় প্রচার করেই চলেছে।শুধু তাতে ও থামছে না,ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে পায়ে লোহার শেকল পরিয়ে টেনে নিয়ে গিয়ে হত্যা করবে বলে।প্রতিটা হিন্দুকে হত্যা করবে বলে।
চিৎকার করে করে বলে এসব মন্দির ভাঙ্গবে,সব মূর্তি ভাঙ্গবে।ভারতের মুসলমানরা কেউ বলে সব হিন্দুকে কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেবে তো কেউ বলে পনের মিনিট পুলিশ সরালে সব হিন্দুকে মেরে ফেলবে।কেউ বলে সব হিন্দুকে ভারত থেকে তাড়িয়ে দেবে কারণ ওরাই নাকি ভারতের আসল মালিক।আবার কেউ বলে তারা ৮০০ বছর রাজত্ব করেছে তাই আবার ভারতের মালিক তারা হবে,হিন্দুর কোন স্থান নেই সেখানে।এইসব মুসলমান যাদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত হিংস্রতায় ভরা এবং হিংস্রতা ছাড়া আর কিছুই নেই তাদের কি ভাবে সুস্থ মস্তিষ্ক বানানো সম্ভব?তাও হয়তো করা যেত কিন্তু সেটা যদি শুধু হিংস্রতা হতো কিন্তু ওদের হিংস্রতা তো এমনি না,ধর্মীয় হিংস্রতা,এটা কোন পথে দূর করা যাবে?
বিপরীত পক্ষ কোন মতেই হিংস্রতা দূর করবে না আর বিজেপি চেষ্টা করবে ওদের হিংস্রতা মুক্ত মানুষ বানাতে।ফল টা কি হবে?বিজেপি বিফল হবে এটাই বাস্তব সত্য আর তার ফলে হিন্দুরা নির্মূল হতে থাকবে হিংস্রতার হাতে,যা হয়ে এসেছে বিগত ১০০০ বছর ধরে।এরপর ও আর কত?আজ পর্যন্ত কোটি কোটি হিন্দুকে মুসলমানরা সবজি কাটার মত করে কেটেছে,আজও কাটছে এবং রীতিমত প্রচার করছে সব হিন্দুকে কাটবে এরপর ও তাদের “আপন করবই” এমন গোঁয়ার্তুমি করা কতটা মূর্খামি সেটা হিন্দুরা ই ভাবুন,বুঝুন।আপনারা মুসলমানদের আপন করবেন না দুরত্ব বজায় রেখে চলবেন।
পুরো মুসলিম শাসনকালটা পার করার পরও আজও হিন্দু জাতি টিকে আছে শুধুমাত্র দুরত্ব বজায় রাখার জন্য আর সেই কাজটা করানোর কাজটা করতো ব্রাহ্মণরা।তারা সমাজে কঠোর নিয়ম চালু করেছিল এবং সেটা পালন করতে বাধ্য করতো সবাইকে।যে বা যারা তার থেকে বিচ্যুত হতো তাদের সমাজ থেকে বহিস্কার করে দিত।এমন ঝুঁড়ির একটা ফল বা সবজি পচে যাওয়ার পর ফেলে না দিলে পুরো ঝুঁড়ির সব ফল বা সবজি ও পচে যায় তেমন ই একটা হিন্দু মুসলমানের সাথে মেলামেশা করলে তার দেখাদেখি সব হিন্দু মেলামেশা করবে।যা আজকের সমাজে আমরা দেখছি প্রতিনিয়ত।সব হিন্দু তাদের ঘরে মুসলমানদের ঢুকতে দেয়,তাদের সাথে এক পাতে খায়,এক খাটে ঘুমায় তার ফল হিসেবেই আমরা লক্ষ লক্ষ লাভ জেহাদের ঘটনা দেখি।লাভ জেহাদ কে গালি দেব কিন্তু তার কারণকে গুরুত্ব দেবনা এমন ভাবে তো কিছু রক্ষা হয়না।আমরা কিন্তু মুসলমানদের দেখেও কিছু শিখিনা।ওরা কিন্তু আমাদের থেকে দুরত্ব বজায় রেখেই চলে।ওরা নিজেরা স্বার্থের জন্য আমাদের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে যায় কিন্তু ওদের অন্দরমহলে আমাদের এন্ট্রি নেই।এসব যাতে সহজ হয় তারজন্য আগে ব্রাহ্মণদের ভিলেন এবং শত্রু বানানো হয়েছে।তাদের কেউ মনে না,তাদের কথা শোনা তো দূরের কথা তাদের হত্যা করে শেষ করতে চায় সমাজ,তাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে চায়।এসব ও যে প্ল্যান করে করানো হয় সেটাও কেউ বুঝতে রাজিনা।আমি বুঝতে পারিনা যাদের ধর্ম হিন্দুদের হত্যা করার আদেশ দেয় তারা কি করে আমাদের বন্ধু হয়?আপন হয়?আমরাই বা কেন এত মরিয়া হবো তাদের আপন করার জন্য?এত দৈন্যতা কেন পোষণ করতে হবে আমাদের?এমন মানসিকতা নিজেদের প্রতি নিজেদের ঘৃনা জন্ম দেয়,আত্মসম্মানবোধে আঘাত লাগে,হীনমন্যতা তৈরী হয়।আমি তাকেই বন্ধু ভাবতে পারি না আপন ভাবতে পারি যে আমাকে বন্ধু ভাববে,আপন ভাববে।
অনেকে ঘরওয়াপসির কথা বলে কিন্তু সেটার ই বা যুক্তি কি?যে বা যারা নিজেদের পূর্বপুরুষের ধর্মে ফিরে আসতে চাইবে এবং সেই ধর্মকে শ্রদ্ধা করবে তাকে বা তাদের আসতে তো কোন সমস্যা নেই কিন্তু যারা পূর্বপুরুষের ধর্ম বলে মনেই করেনা,ঘৃনা করে তাদের আনার দায়বদ্ধতা কেন রাখতে হবে?এবার যদি প্রশ্ন করা হয় এত মুসলমান তাহলে কোথায় যাবে?সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায় কি হিন্দুদের?তারা কেন বাধ্য হবে তার উত্তর দিতে?তারা কেন ভাবতে যাবে সেটা?যখন মুসলিম দেশগুলো থেকে হিন্দুদের তাড়ানো হয় তখন ওরা কি এই প্রশ্ন করে?ওরা কি তার উত্তর দেয়?মুসলিম দেশগুলোতে কোন হিন্দুকে থাকতে দেওয়া হবেনা এটাই কোরআনের আদেশ তাই হয় চলে যেতে হবে সেখান থেকে বা তাদের হত্যা হতে হবে।আজও আমরা প্রতিদিন দেখে চলেছি কি ভাবে হিন্দুদের হত্যা করে নির্মূল করার প্রক্রিয়া চলছে।কি নিষ্ঠুর সেই ছবি!আত্মা পর্যন্ত কেঁপে ওঠে।যারা বাংলাদেশের হাজার হাজার বছরের অধিবাসী তাদের থাকতে দেবেনা মুসলমানরা,শুধু হিন্দু বলে।ওটা তবু আজ মুসলিম দেশ তাই এসব করে কিন্তু কাশ্মীর তো ভারতের ই একটা রাজ্য,সেখানে মুসলিমদের সংখ্যা বেশী বলে সেখানেও তো একই কাজ করা হয়েছে।”রালিভ,গালিভ,চালিভ” বলা হয়েছে হিন্দুদের।হিন্দুরাই ওখানকার আসল বাসিন্দা হাজার হাজার বছরের কিন্তু তারপর ও তাদের জন্য এই নিদান সেখানকার মুসলমানদের।ওই মুসলমানরা আসলে করা?তারা তো এক সময়ের হিন্দু ই কিন্তু তারজন্য কি তাদের মানসিকতা বদলায়নি?তারা কি পূর্বপুরুষের ধর্মের কথা মনে করেছিল?পূর্বপুরুষের পরম আত্মীয়দের কথা মনে করেছিল?আমরা যে তাদের পূর্বপুরুষদের আপনজন সেটা কি তারা স্বীকার করে?মনে করে?তাহলে আমাদের কিসের দায় তাদের কি হবে সেটা ভাবার?কাশ্মীরি হিন্দুরা তাদের জন্য দেশের ভেতরেই রিফিউজি,মুসলিম দেশ থেকে তো হয় ই।এছাড়াও সারা ভারতে নানা যায়গা থেকে হিন্দুদের তাড়ায়,হত্যা করে।
ভারত থেকে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী মুসলমানদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠালে ও ওরা তাদের নেবেনা বলেছে।বেশির ভাগ মুসলমানের ই ওখানে ঘরবাড়ি আছে,বিবি,বাচ্চা আছে,ভোটার কার্ড আছে তারপর ও বাংলাদেশ ওদের নেবেনা আবার ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দেবে,শুধু দেবে তা নয়,দেয় ও,সেটা ওরা স্বীকার ও করে নেয়।মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে থাকবে না বলে ভারতকে কেটে খন্ড খন্ড করেছে।৭৫ বছরে তিনটে দেশ মুসলিম দেশ হয়েছে।আফগানিস্থান,পাকিস্তান,বাংলাদেশ।সেই তিনটে দেশে হিন্দুদের থাকতে কেন দেয় না?বিজেপির মনে সেই প্রশ্ন জাগে না?অপমান বোধ হয়না?কোন দেশ থেকে হিন্দুদের ভারতে আসতে দেয়না।যদিও শিখ,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ইত্যাদিদের ভারতে নিয়ে এসেছে।পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়, বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়,হত্যা করা হয় কিন্তু তখন বিজেপির কোন দুঃখ হয়না,তাদের ভারতে আনা হোক মনে হয়না।বাংলাদেশ থেকে যারা আসতে চায় তাদের আনা হোক মনে হয়না কিন্তু ভারতের মুসলমানদের বেড় করে দিলে তারা কোথায় যাবে সেই চিন্তায় ঘুম আসেনা।প্যালেস্টাইনের মুসলমানদের থেকেও বাংলাদেশের মুসলমানরা খারাপ।প্যালেস্টাইনের মুসলমানদের বেড় করে দেওয়া হয়েছে তারা চলে গেছে কিন্তু বাংলাদেশের মুসলমানরা যায়না,যাবেনা,গেলেও চলে আসে,আবার হুমকি ও দেয় “মমতা আবার আসবে ক্ষমতায় আর আসলেই আমরা চলে আসবো আবার।” একদিকে বলে ভারতে মুসলমানরা প্রচন্ড অত্যাচারিত আবার বলে “চলে আসবো”।যে দেশে এত অত্যাচারিত সেই দেশে কেন চলে আসবে আবার? অত্যাচারিত হতে চলে আসবে?
বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে ভারতের সব সুযোগ সুবিধা নেয়,অর্থ সহায়তা নেয়,বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা নেয়,ফ্রি বাড়ি নেয়,ফ্রি রেশন নেয়,ফ্রি লেখাপড়ার সুবিধা নেয়,মেয়ে বিয়ের টাকা নেয়।আমাদের করের টাকার এমন অপব্যবহার আমাদের নীরবে সহ্য করতে হয়।আমরা কোন সুবিধা পাইনা হিন্দু হওয়ার অপরাধে এই ভারতবর্ষে ও যেই জমি টুকু অবশিষ্ট আছে ওরা কেটেকুটে তিন টুকরো নেওয়ার পর।যুক্তি এবং আইন অনুসারে ওদের তিন তিনটে বিশাল বিশাল দেশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট অংশ টা তো হিন্দুদের দেশ হওয়া উচিৎ এটা তো যে কোন মূর্খ ও বলবে।১৯৪৭ সালে সেটা হয়নি মানে কোন দিন হবেনা সেটা কেন হবে?তখন কেউ করেনি তাই এখন করতে হবে।হিন্দুদের জন্য কোথাও কোন বাসভূমি কেন থাকবে না?পাকিস্তানের মুসলমানরা,বাংলাদেশের মুসলমানরা তাদের জন্য মুসলিম দেশ বানানোর পরও ভারতে আবার মুসলিম দেশ করতে মরিয়া,ভারতে গণতন্ত্র কতটা বিপন্ন তা খোঁজে,সংবিধান কতটা মানা হয়না টা খোঁজে কিন্তু তাদের কি কোন অধিকার আছে অন্য দেশের ব্যাপারে নাক গলানোর?আমরা যখন বলি কেন হিন্দুদের হত্যা করছে?তাড়িয়ে দিচ্ছে?তখন কি সেসব বন্ধ করে?তখন কি কোন গণতন্ত্র মনে?ওদের সংবিধানে কি হিন্দু হত্যা করার ধারা আছে?নিজেরা ইসলাম মানবে,শরিয়া মেনে হিন্দু হত্যা করবে আর অন্য দেশে নাক গলিয়ে জ্ঞান দেবে?গণতন্ত্র শেখাবে?তাও যেখানে গণতন্ত্র মেনেই দেশ চলে সেখানে?অন্য দিকে ভারতের মুসলমানরা তো আরও ভয়াবহ,তারা ভারতের খায়,ভারতে পরিচিতি নিয়ে সব কিছু করে,ভারতের সব সুযোগ সুবিধা নেয়,আমাদের করের টাকায় সুখ ভোগ করে কিন্তু তারপর ও ভারত বিরোধিতা করে,ভারত কে মুসলিম দেশ করবে বলে হুমকি দেয়,ওরা নাকি আট’শ বছর রাজত্ব করেছে তাই আবার রাজত্ব করবে।ওদের ই অধিকার রাজত্ব করার।আমাদের নাকি ওদের পদানত হয়ে জিজিয়া কর দিয়ে থাকতে হবে বা ভারত থেকে চলে যেতে হবে বা ওরা সব হিন্দুদের হত্যা করবে অথবা আবার দেশ ভাগ করতে হবে।ওদের কিন্তু এসব বলার সময় কোন রকম বিবেকের তাড়না অনুভূত হয়না,কোন রকম মানবিক কথা মনে হয়না।একবারও ভাবে না ,”আমরা তো আলাদা দেশ নিয়েছি তারপর আবার কেন বলছি আলাদা দেশ চাই বা পুরো ভারত চাই?” ওদের কাছে কোন সুস্থ চিন্তা আশা করাই যায়না তাহলে তারপর ও আমাদের কেন ভাবতে হবে ওরা কোথায় যাবে?ভাল মুসলমানরা কেন ভারতে থাকবে না? কারা ভাল মুসলমান?কোন যন্ত্রে মাপলে ভাল মুসলমান চেনা যাবে?যারা বোম বানায় তাদেরও তো ভাল মুসলমান ই বলা হয়।শান্ত ছেলে,পরোপকারী,সবার বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া,সব সময় পড়াশুনা করা,ফুটবল খেলা করা স্কুল শিক্ষকের ভাল ছেলে বলা হয়।তাহলে খারাপ মুসলমান করা?
আরএসএস বিজেপির এই ভাল মুসলমান তত্ত্বের কারণ তো বুঝি।ওদের অনেক বড় বড় নেতা মন্ত্রীর মেয়েরা মুসলমান বিয়ে করেছে।ওই যে উপরে আগেই উল্লেখ করেছি ব্রাহ্মণদের কেউ মানেনা ফলে যার ইচ্ছা হয় মুসলমান বিয়ে করে,পরিবারগুলো ও এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা এসব বিয়ে মেনে নিয়ে জামাই এর মর্যাদা দিয়ে চলে তারা কি ভাবে মুসলমানদের বয়কট করবে?বাতিল করবে? তারা তখন ভাল মুসলমান তত্ব খাঁড়া করবে এটাই স্বাভাবিক।আগের সময় হলে এসব পরিবার সমাজ নষ্ট করতে পারতো না কারণ ওই মেয়েকে গ্রহনই করতে পারতো না।মেয়ের শ্রাদ্ধ না করলে তাদের ও সমাজের বাইরে বেড় করে দেওয়া হতো ফলে পুরো সমাজে পচন ছড়াতে পারতো না।এখন এসব লোকরা নিজেদের পরিবার তো নষ্ট করছেই তারপর সমাজের অন্যদের ও নষ্ট করছে ভাল মুসলমান তত্ব ঢুকিয়ে।সবাইকে বিভ্রান্ত করছে ভাল মুসলমান গল শুনিয়ে।ভাল বা খারাপ মুসলমান ভাবার দরকারটা কোথায়?তারা আলাদা দেশ নিয়েছে হিন্দুর সাথে থাকবে না বলে তার সবাই ভারত থেকে চলে যাবে এটাই শেষ কথা,সবাইকে ভারত থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে এটাই শেষ কথা।যাদের জামাই মুসলমান তারা ভারতে থাকতে হলে হিন্দু বিয়ে করার জন্য হিন্দু হবে আর সেটা না পছন্দ হলে ভারত থেকে চলে যেতে হবে সেটা হয় স্ত্রীকে নিয়ে অথবা সে যেতে না চাইলে তাকে রেখে।সন্তানরা ও হিন্দু হতে চাইলে হবে আর থাকবে,না চাইলে চলে যাবে।দেশের ভালর কথা ভাবার সামনে অন্য কোন কথা চলবেনা।কারোর ব্যক্তি স্বার্থ দেখা চলবে না।ভারতকে আজ হোক কাল হোক হিন্দু রাষ্ট্র করতে তো হবেই আর সেটা কোটি কোটি মুসলমানকে শত্রু রূপে ভারতের পেটের ভেতর রেখে কোনমতেই হবেনা তারজন্য ভারতকে মুসলমান মুক্ত করতেই হবে।ওদের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে আমাদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেই আমাদের হত্যা করবে বাংলাদেশ,পাকিস্থান,আফগানিস্থানের মত।সেই পরিস্থিতি কেন আমরা আসতে দেব সব জানার পরও?যেদিন সেই পরিস্থিতি আসবে সেদিন আমরা কোথায় যাব?নাকি সবার গলাগুলো এগিয়ে দেওয়াই কর্তব্য হবে?যেতে বা হত্যা তো হতেই হবে তাতে তো কোন সন্দেহ নেই পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা থেকে।তাহলে কি কারনে আর কিজন্য অপেক্ষা করতে হবে?