টাটাদের কুকীর্তি

টাটারা মুসলমানদের মার খেয়ে ইরান থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছিল দেড় হাজার বছর আগে, এত দীর্ঘ সময়ে ও কি ভারতীয় হতে পারেনি?তার মানে আমরা ধরেই নিতে পারি যে হাজার বছর ধরে যত দেশের লোক ভারতে থাকছে তারা কেউ কোন দিনই ভারতীয় হতে পারেনি। শক,হুন,দল,পাঠান,মোগল এক দেহে হলো লীন এসব আসলে রবীন্দ্রনাথের সুখ স্বপ্ন বিলাস ছাড়া আর কিছুই না।

টাটারা ভারতীয় হলে এত মুসলমান প্রেম হয় কোথা থেকে?ওই মুসলমানদের অত্যাচারে ই তো ওরা দেশ হারিয়েছে,ধর্ম হারিয়েছে,সংস্কৃতি হারিয়েছে। বেশীর ভাগ মুসলমান হয়ে কোনমতে ইরান রূপী পার্সিয়াতে মরে বেঁচে আছে বাকি যারা পালাতে পেরেছিল তারা দেশছাড়া হয়ে নানা দেশে বেঁচে আছে,সেভাবেই ভারতেও বেঁচে আছে।এরপর ও মুসলমান প্রেম এত?তারজন্য যে হিন্দুরা তাদের দেড় হাজার বছর ধরে বুকে আগলে রেখেছে তাদের মুসলমান নেকড়েদের দিয়ে খুবলে খাওয়াচ্ছে।

টাটারা ভারতে হিন্দুদের সাথে না পেলে আজ এই যায়গায় পৌঁছাতে পারতো?TCS এ প্রচুর পরিমাণে মুসলমান কর্মচারী নেয়।মাথার উপর দিয়ে জল বইবার জন্য নাসিকেআরও কথা প্রকাশ পেল অন্য সব যায়গায় কথা এখনও চাপা ই আছে।পশ্চিমবঙ্গে(কলকাতায়)TCS কাশ্মীরী মুসলমান ভর্তি করে রেখেছে।তারা নিউটাউন,রাজারহাট এসব অঞ্চলের হাই রেনগুলোতে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকে,হিন্দুদের ফ্ল্যাটে চা চিনি ইত্যাদি ভিক্ষা(ধারের নামে) করতে যায় তারপর নোংরা চরিত্র প্রকাশ করে বলে,”এতবড় ফ্ল্যাট দখল করে আপনারা দু একজন থাকেন আর মুসলমানরা কত বেশী লোক কত কেএম যায়গায় কষ্ট করে থাকে।যেন হিন্দুরা ওদের কেনা ফ্ল্যাট দখল করে রেখেছে,নিজেদের পয়সায় কেনেনি।যেন মুসলমানদের ঘরে লোক কিলবিল করার দোষ হিন্দুদের।যেন হিন্দুরা জোর করে ওদের দিয়ে জন্ম দেওয়ার।তারা আবার এটাও বলে ফেলে জম্মুতে হিন্দু রিফিউজি ক্যাম্পে গিয়ে কি ভাবে তাদের হাতে পাঁচ হাজার বা দশ হাজার টাকা গুঁজে দিয়ে কাশ্মীরে তাদের বিশাল বিশাল বাড়িগুলো লিখিয়ে নেয়।
কাশ্মীরী মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে কি করেছিল টাটারা জানেনা?রতন টাটার জীবতকালে ই তো এসব হয়েছিল।তাই আমাকে কেউ বেকার জ্ঞান দিতে আসবেন না রতন টাটা ভগবান ছিলেন একথা বলে।
রতন টাটা কাদের কাদের ফান্ডিং করতেন সেই খোঁজ কেউ রাখেন?

Shekhar Gupta-র নিউজ পোর্টাল ThePrint-এ Ratan Tata ইনভেস্ট করেছিলেন।
ThePrint শুরু হওয়ার আগেই (২০১৭ সালের দিকে) রতন টাটা ব্যক্তিগতভাবে এই স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেন।
তিনি শুধু একবার নয়, পরবর্তীতেও (২০১৮ সালে) আবার প্রায় ₹৩.৪৯ কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছিলেন।
Entrackr
মোটামুটি তিনি ছিলেন “early investor” বা প্রথম দিকের বড় সমর্থকদের একজন।
Wikipedia
এছাড়া ThePrint-এ আরও বড় বড় বিনিয়োগকারী ছিলেন, যেমন নন্দন নিলেকানি, উদয় কোটাক, কিরণ মজুমদার-শ’ ইত্যাদি।
রতন টাটা ThePrint-এ শুরু থেকেই টাকা লগ্নি করেছিলেন এবং পরে সেই বিনিয়োগ আরও বাড়িয়েছিলেন।
Tata Trusts বিদেশের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য আর্থিক অনুদান দিয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ নিচে দিচ্ছি—
বড় বড় অনুদানের উদাহরণ
Harvard Business School
Tata Trusts প্রায় $50 মিলিয়ন দান করেছিল। এর ফলে “Tata Hall” নামের একটি একাডেমিক ও আবাসিক ভবন তৈরি হয়।(হার্ভার্ডে বা বাকি সব ইউনিভার্সিটিতে কেন ইনভেস্ট করেছেন টাটা?উনি কি জানতেন না ওসব ভারত বিরোধী কাজের ঘাঁটি?)
Cornell University
প্রায় $25 মিলিয়ন অনুদান দিয়ে “Tata Innovation Center” তৈরি করা হয়, যা স্টার্টআপ ও গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়।
University of California San Diego
Tata Trusts প্রায় $70 মিলিয়ন অনুদান দেয়, যার মাধ্যমে “Tata Hall” (Genetics ও Society সম্পর্কিত গবেষণার জন্য) তৈরি হয়েছে।
Carnegie Mellon University
এখানে “TCS Hall” প্রতিষ্ঠার জন্য Tata গ্রুপের পক্ষ থেকে অনুদান দেওয়া হয়েছিল (মূলত Tata Consultancy Services এর মাধ্যমে)।
Tata Trusts এবং Tata Group দীর্ঘদিন ধরে শুধু ভারতে নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও শিক্ষা ও গবেষণাকে সমর্থন করে আসছে। তাদের অনুদান সাধারণত—
গবেষণা (research)
উদ্ভাবন (innovation)
ছাত্রাবাস/অবকাঠামো (infrastructure)
এই ক্ষেত্রগুলোতে ব্যবহৃত হয়।(এখানে এই কারণেই প্রশ্ন উঠতে বাধ্য কেন এত ইনভেস্ট করতেন অ্যামেরিকায়?এবং এসবই ভারত বিরোধী বলে কুখ্যাত।)

Oxford, MIT এবং অন্যান্য ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে Tata-দের অনুদান দেয়।
বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে Tata-দের অনুদান–
University of Oxford
Tata Trusts “Tata Centre for Development” প্রতিষ্ঠা করে।
এখানে গবেষণা হয়—দারিদ্র্য, জ্বালানি, জল, কৃষি ইত্যাদি নিয়ে।
মূল লক্ষ্য: উন্নয়নশীল দেশের বাস্তব সমস্যার সমাধান।(এত দিনে ভারতের কি কি সমস্যার সমাধান করা হয়েছে? যতসামান্য বাহ্যিক উন্নতি হয়েছে তার মূল্য কি দিয়ে চোকাতে হয়েছে?)
Massachusetts Institute of Technology (MIT)
“Tata Center for Technology and Design” Tata Trusts-এর সহায়তায় গড়ে ওঠে।
কাজের ক্ষেত্র:
সস্তা ও টেকসই প্রযুক্তি
গ্রামীণ উন্নয়ন
স্বাস্থ্য ও জল সমস্যা সমাধান
University of Cambridge
“Tata Scholarships” এর মাধ্যমে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য আর্থিক সহায়তা।
গবেষণা সহযোগিতা ও একাডেমিক বিনিময়েও Tata-দের ভূমিকা আছে।
London School of Economics (LSE)
“Tata Hall” নির্মাণে Tata-দের অনুদান।
এটি ছাত্রাবাস ও শিক্ষা অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Cornell University
“Tata Innovation Center” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা ও গবেষণাকে উৎসাহ দেওয়া হয় এখানে।
Tata Trusts-এর বিদেশে অনুদানের মূল উদ্দেশ্য তিনটি:
উন্নয়নমূলক গবেষণা (Development research)
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন (Technology & innovation)
ছাত্রদের জন্য সুযোগ তৈরি (Scholarships & infrastructure)
Tata-দের দান শুধু “charity” নয়—এগুলো long-term investment, যা ভবিষ্যতের সমাজ ও অর্থনীতিকে উন্নত করতে সাহায্য করে।(সমাজ যদি উন্নত করত তাহলে আজ ভারতে এমন সমাজ দেখতে হতো কি?উন্নতির নামে ধ্বংসের কাজ করে গেছে লাগাতার।)

এবার ইউরোপ ও অন্যান্য নামী প্রতিষ্ঠানে Tata Trusts এবং Tata Group-এর অনুদানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ দেখি–
University of Oxford
Tata Trusts এখানে বড় ভূমিকা রেখেছে।
“Tata Centre for Development” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তাদের অনুদানে।
লক্ষ্য: উন্নয়নশীল দেশের (বিশেষত ভারত) জন্য টেকসই সমাধান নিয়ে গবেষণা।
London School of Economics (LSE)
এখানে “Tata Hall” তৈরি হয়েছে Tata-দের অনুদানে।
এটি ছাত্রাবাস ও একাডেমিক ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
University of Cambridge
“Tata Scholarships” ও অন্যান্য ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতাতেও Tata-দের অবদান আছে।
Massachusetts Institute of Technology (MIT)
“Tata Center for Technology and Design” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে Tata Trusts-এর সহায়তায়।
লক্ষ্য: low-cost technology তৈরি করে উন্নয়নশীল দেশের সমস্যার সমাধান করা।
Tata Trusts-এর আন্তর্জাতিক অনুদানের একটা পরিষ্কার প্যাটার্ন আছে
উন্নয়নমুখী গবেষণা– (development-focused research)
টেকনোলজি ও ইনোভেশন
ভারতীয় ও উন্নয়নশীল দেশের ছাত্রদের জন্য সুযোগ।
Tata Trusts শুধু দানই করে না, তারা এমন প্রজেক্টে বিনিয়োগ করে যা ভবিষ্যতে সমাজের বড় সমস্যার সমাধান দিতে পারে।

ভারতে Tata Trusts যেখানে যেখানে সবচেয়ে বড় অনুদান দিয়েছে
ভারতে Tata Trusts-এর বড় অনুদান
স্বাস্থ্য (Healthcare)
Tata Memorial Centre (মুম্বই)
ভারতের অন্যতম বড় ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র
Tata Trusts-এর দীর্ঘদিনের অর্থায়নে গড়ে উঠেছে ও পরিচালিত
Tata Medical Center (কলকাতা)
পূর্ব ভারতের জন্য অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল(প্রচণ্ড ব্যয়বহুল চিকিৎসা)
শিক্ষা ও গবেষণা
Indian Institute of Science (IISc)
প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই Tata পরিবারের অনুদান (জামশেদজি টাটা)
আজও গবেষণায় বিভিন্নভাবে সমর্থন দেওয়া হয়।(জামশেদজি টাটা ফ্রিম্যাসন সদস্য ছিলেন।যাদের কাজই ভারতের ক্ষতি করা,ভারত বিরোধী কাজ করা।)
Tata Institute of Social Sciences (TISS)
সামাজিক বিজ্ঞান ও নীতি গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান
Tata Trusts-এর অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত
Tata Institute of Fundamental Research (TIFR)
ভারতের শীর্ষ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রগুলোর একটি
Tata Trusts-এর উদ্যোগে শুরু
গ্রামীণ উন্নয়ন ও জীবিকা
বিভিন্ন রাজ্যে জল, কৃষি, পুষ্টি ও জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্প
বিশেষ করে–
জল সংরক্ষণ (water conservation)
কৃষকদের আয় বৃদ্ধি
আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে উন্নয়ন–
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন
ডিজিটাল শিক্ষা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও স্টার্টআপ সাপোর্ট
বিভিন্ন ইনোভেশন প্রোগ্রাম ও ফেলোশিপ
ভারতে Tata Trusts-এর অনুদান মূলত ৪টি ক্ষেত্রে বেশি:
স্বাস্থ্য (বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসা)
শিক্ষা ও গবেষণা
গ্রামীণ উন্নয়ন
প্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়ন
(সব ই খ্রিষ্টান আদর্শ অনুসারে উন্নয়ন, সাহায্য,উপকার এসব নামের আড়ালে বিদেশী উদ্দ্যেশ্য সফল করা।)

২০২০ সালে টাটা কোম্পানি তনিষ্কের একটি বিজ্ঞাপন বের হয়েছিল। গহনা বিক্রির আড়ালে লাভ জিহাদের প্রচার করার জন্য এই বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় জিহাদিদের হাতে হিন্দু মেয়েদের হত্যার খবর বারবার শোনা যাচ্ছিল, যার ফলে সমাজে রাগ ও উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছিল। সেই সামাজিক জাগরণকে দমন করার জন্য তনিষ্ক লাভ জিহাদকে একদম রোমান্টিক ছন্দে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল। পরে মহারাষ্ট্রের নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) অফিসে হিন্দু মেয়েদের ফাঁসিয়ে তাদের ধর্মান্তরিত করার খবর সামনে আসে। একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে এমন অপরাধ!

হিন্দু মেয়েদের ফাঁদে ফেলে, তাদের বোরখা পরিয়ে দিয়ে মুসলমানের সন্তান জন্ম দেওয়ার যন্ত্রে পরিণত করার কাজ চলছে। প্রায় ৫-৬ বছরের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এই দুটো ঘটনার মধ্যে কি সম্পর্ক বুঝতে পারছেন? কোনো কোম্পানির বিজ্ঞাপনে কী দেখানো হবে? সেটা ঠিক করে তার টপ ম্যানেজমেন্ট। কোনো কোম্পানির এইচআর পলিসি কী হবে? সেটাও কোম্পানির সর্বোচ্চ ম্যানেজমেন্ট ঠিক করে। টপ ম্যানেজমেন্টের সম্মতি ছাড়া এই দুটো কাজই সম্ভব নয়। টিম লিড বা এইচআর ম্যানেজারের মতো পদে যদি কোনো ধর্মীয় ব্যক্তি বসে, তাহলে সে তার ধর্মের অনুসারীই হবে।

চাই সেটা কোনো প্রাইভেট কোম্পানি হোক বা সরকারি কোনো বিভাগ। যদি হিন্দু মেয়েদের লভ জিহাদে ফাঁসানোর আর তাদের ধর্মান্তরিত করার কোনো নির্দিষ্ট পলিসি না থাকত, তাহলে কি তনিষ্কের বিজ্ঞাপনের সময়ই টাটা ম্যানেজমেন্ট সতর্ক হয়ে যেত না? তখন কি এমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতো না যাতে ভবিষ্যতে টাটা গ্রুপের ওপর কোনো দাগ না পড়ে? সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অনেক দাবি উঠছে যা দেখায় যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার এই খেলা শুধু নাসিকেই সীমাবদ্ধ নেই। কর্পোরেট জিহাদের এই জাল অনেক বেশি বিস্তৃত।

এমন দাবিগুলোর বাস্তবতা কী? আমরা জানি না। তবে কিছু সত্য জানতে হবে যাতে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি সত্যিই কোনো দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের গণহত্যার সংগঠিত ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে কিনা। টাটা হলো ভারতের সবচেয়ে বড় আর সম্মানিত শিল্প ও ব্যবসায়িক গ্রুপ। তাদের সম্পর্ক পারসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে, যাদেরকে স্টকহোম সিনড্রোমের সবচেয়ে বড় শিকার হিসেবে ধরা হয়। স্বদেশ থেকে বিতাড়িত হিন্দুরা তাদের শুধু বাস করার জায়গা দিয়েছে তাই না, এমন সম্মানও দিয়েছে যা কোনো বিদেশি দেশে কল্পনাও করা যায় না।

কিন্তু পারসিরা হিন্দুদের সাথে কী করেছিল সেএসব নিয়ে বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হবে।আপনি যদি কখনো পাসপোর্ট করিয়ে থাকেন বা নবায়ন করিয়ে থাকেন, তাহলে ভালো করেই জানেন নাম, ঠিকানা আর পরিচয় নিয়ে কতটা কঠোরতা থাকে। নামের বানানে ছোট একটা ভুল হলেই পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু এই সব হয় শুধু যখন আপনি হিন্দু হন। আরেকদিকে, যে কেউ জমিয়ে পাসপোর্ট পেয়ে যায়, ভিন্ন কেউ হোক পঞ্চার ছিদ্র করে বা রিকশা চালক হোক না কেন।

বাংলার এসআইআর-এ জানা গেছে যে যাদের আধার এবং জন্ম সনদে নাম আলাদা আলাদা, তাদেরকেও পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এটা কি শুধু কাকতালীয় যে পাসপোর্ট সার্ভিস সেন্টারগুলোর দায়িত্ব টিসিএসের কাছে? ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের কাজ তো পাসপোর্ট সার্ভিস সেন্টারেই হয়। কতটা অনুপ্রবেশকারীকে পাসপোর্ট দিয়ে ভারতীয় নাগরিক বানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা শুধু অনুমান করা যায়। শুধু পাসপোর্ট নয়, ভারতের সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট যেমন জেম পোর্টাল, ইনকাম ট্যাক্স, ইন্ডিয়ান পোস্ট—এসবই টিসিএস চালাচ্ছে।

ভারতীয় সেনাদের পেনশন সংক্রান্ত স্পর্শকাতর পোর্টালটাও একই কোম্পানি ম্যানেজ করছে। প্রফেশনালি TCS একটা খুব বড় আর দক্ষ কোম্পানি। তাইতো সরকারও তাদেরকে এই কনট্রাক্ট দিয়েছে। সাধারণত কোনো সফটওয়্যার কোম্পানির হাতে সেই ডিপার্টমেন্টের সব ডাটা থাকে—পরিবারে কয়জন সদস্য আছে, আর্থিক অবস্থা কেমন, এসব তথ্য। ভাবুন তো, যদি ওই সফটওয়্যার কোম্পানির কোনো কর্মী তার ধর্মীয় ঘৃণার কারণে সেনাদের, তাদের বিধবা আর সন্তানদের তথ্য ফাঁস করে দেয়, তাহলে কী হবে? লাভ জিহাদের জন্য হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করা হয়।

প্রতিটি শহরে লাভ জিহাদ আর ধর্মান্তকরণের যে দোকান খোলা হয়েছে, তাদের তথ্যের কাঁচামাল কে দিচ্ছে? কোনো কোম্পানি যখন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রফেশনালদের বদলে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের বসাচ্ছে আর হিন্দু মেয়েদের তাদের খাদ্যের মতো পরিবেশন করা হচ্ছে, তখন যেকোনো কিছুই হতে পারে। সরকারের জেম পোর্টালে যা কিছু বিক্রি কেনাকাটা হচ্ছে, তার ডেটাও আলাদা ভাবে ব্যবহার হতে পারে। কে বিক্রি করছে, কি বিক্রি করছে, কে কিনছে, কি কিনছে?

ওই কোম্পানীর লবণ দেশের লবণ বলেই প্রচার করা হয়। এভাবে আমাদের অনেক দিন ঠকানো হয়েছে। অনেক লোক আবেগপ্রবণ হয়ে ওই ব্যবসায়ীকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি করতেও লেগেছে। এর মধ্যে খারাপ কিছু নেই। কিন্তু পুরো তথ্য জানা জরুরি। অনেক বছর আগে একটা রেকর্ড সামনে এসেছিল,তাতে একটা ব্যবসায়ী কে নিয়ে এমন কিছু কথা ছিল যা আজকের আমেরিকার এক দ্বীপে বাচ্চাদের সাথে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের মতোই। সুব্রমনিয়ম স্বামীও ওই ব্যবসায়ীকে একই অভিযোগ করেছিলেন। যারা ছোটখাটো অভিযোগে কোর্টে চলে যায়,

থানায় চলে যায়, সে নিজেরই সর্বোচ্চ ব্যক্তির বিরুদ্ধে লেগে থাকা নোংরা অভিযোগগুলোর ওপর চুপ থাকে। এটা কি তোমার গিলে খাওয়ার মতো কথা? ১৯৯০ সালে মুম্বাইয়ের হোটেল তাজে কাশ্মীরের স্বাধীনতা নিয়ে একটা সেমিনার হয়েছিল। সেখানে বিশ্বজুড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী আর পাকিস্তানপন্থীরা জমায়েত হয়েছিল। পরে যখন এই খবর বেরিয়ে আসে, তখন জানা যায় যে তখনকার প্রধান জেআরডি টাটার জানামতে ওই সেমিনার হয়েছিল। ২০১৩ সালে আসামের ডিজিপি অভিযোগ করেছিলেন যে চা বানানোর একটা কোম্পানী উলফার সন্ত্রাসীদের সাহায্য করছিল।

এয়ার ইন্ডিয়া কিনে নেবার পর তার সিইও টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ইলকর আইশিকে নিয়োগ করা হয়েছিল। সারা বিশ্ব জানে যে সে আল-কায়দার জন্য কাজ করত। ভাবুন তো, তারা কারা যারা এয়ার ইন্ডিয়া চালানোর জন্য একজন সন্ত্রাসীকে নিয়োগ করলো। মোদি সরকার অনুমতি না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে নিয়োগ ফিরিয়ে নিতে হলো। আমরা বুঝতে পারি যে অনেক দেশে ব্যবসা করা কোম্পানীগুলোকে নানা রকম সমন্বয় বজায় রাখতে হয়। কিন্তু এই সমন্বয়ের খেলায় যদি শুধু ভারতীয়দের ধর্মেরই লেনদেন শুরু হয়, তাহলে সতর্ক হওয়া উচিত। বড় বড় কোম্পানী কোনো বাচ্চার খেলা নয়। লাভ জিহাদ আর ধর্মান্তরণকে বাড়িয়ে তোলা থেকে বিরত থাকা দরকার।

ঘুসপৈঠিদের পাসপোর্ট বানানো থেকে শুরু করে জঙ্গিদের সিইও বানানো পর্যন্ত সবকিছুই কেবল একটা ঘটনা না। নাসিক কাণ্ডে টিসিএস যে বেপরোয়া রকমের রিয়্যাকশন দেখিয়েছে, তাতে বুঝা যায় কোম্পানিতে যা কিছু ঘটছিল, তা হঠাৎ করে নয়। নাসিকের ঘটনা একক নয়, শুধু কয়েকজন উন্মাদ জিহাদির কাজও নয়। এটা বড় দৃষ্টিতে দেখা দরকার। এর পেছনে যে প্রতিষ্ঠানগত হিন্দু ঘৃণা কাজ করছে, তা বুঝতে হবে।

ভারতের সংস্কৃতির এত বিরোধিতা কি কারণে টাটাদের?আর কি কারণেই বা এত ইসলামিক সংস্কৃতি প্রেম?এসব করার জন্য ভারতের জমিটাই বা কেনো দরকার? কোন মুসলিম দেশে থেকে মুসলিম প্রেমটা চালিয়ে যাওয়াই কি উচিৎ ছিলনা?ওনার নিজের দেশ ইরানে গিয়ে বাস করেও তো পারতেন দেশ সেবার এসব কাজ করতে,মুসলিম সংস্কৃতির সেবা করতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *