তসলিমা নাসরিনের কলকাতা আগমন

তসলিমা নাসরিন কে নিয়ে ইউটিউব খুললেই উদ্দাম লাফালাফি দেখা যাচ্ছে।প্রত্যেকে এ দেখছি খুশীর দোকানের ঝাঁপ খুলে বসে পড়ছে তসলিমা কীর্তন করতে।দেখে বেশ অবাক ই লাগছে।আচ্ছা,একটা প্রশ্ন করি,তসলিমা ভারতের জন্য ঠিক কি কি কাজ করেছেন?আচ্ছা ভারত বাদ দিলাম,পশ্চিম বঙ্গের জন্য কি কি কাজ করেছেন? কখনও কোন অসহায়কে দু পয়সা দান করেছেন?কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দু চার জন মানুষকে খাইয়েছেন?কাউকে পড়ার খরচ দিয়েছেন?কাউকে চিকিৎসার খরচ দিয়েছেন?বা অন্ততপক্ষে নিজে ফ্রিতে চিকিৎসা করেছেন কারোর?না কোনদিন শুনিনি সেসব কথা।তিনি বই লিখেছেন অনেক,ভারতেও সেসব বই প্রচুর বিক্রি হয়েছে,তার থেকে প্রচুর পয়সা হয়েছে আর তাও হয়েছে হিন্দুর পয়সা কারণ মুসলমানরা ওনার বই তেমন কেনে না,তারা তো প্রতিনিয়ত মারতে ছোটে। তসলিমা কলকাতায় এলেন মানে আনা হলো দীর্ঘ ২০ বছর পর। আনলো আবার কারা?বিজেপি মানে যাদের হিন্দুর দল বলা হয়(আসলে হোক বা না হোক),সেই দলের মুসলমান এক ব্যক্তি ওসমান মল্লিক আর পুরো ব্যবস্থাপনায় ছিল বিজেপি দল এবং সেই দলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আমি বলছি তসলিমা একজন বামপন্থী,দাঁড়ান দাঁড়ান রে রে করে ওঠার আগে পড়ে তো নিন আমার বক্তব্যগুলো!তসলিমা যখন কলকাতায় ছিলেন ওনার সব বন্ধু – বান্ধবরা,যারা ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা ঘিরে থাকতেন মধুর চারপাশের মৌমাছির মত তারা প্রত্যেকেই ছিলেন বামপন্থী(তাদের নামের লিস্ট দিতে হবে না আশা করি)।এবার আপনারা বলুন তো আপনারা কাদের সাথে খেতে,ঘুমাতে বন্ধুত্ব করবেন? সম মতের মানুষের সাথে?নাকি ভিন্ন মতের মানুষের সাথে?ভিন্ন মতের মানুষের সাথে কথা হয়তো বলা যায় কিন্তু গভীর বন্ধুত্ব কি হয়? তসলিমা বিগত ২০ বছর ধরে খেয়াল গেয়ে গেছেন,”আমার জন্য কেউ একটা কথা বলছে না,কেউ আমাকে পশ্চিমবঙ্গে ফেরানোর দাবী করছে না,যারা আমার এত বন্ধু ছিল তারাও সবাই চুপ করে আছে,” ইত্যাদি ইত্যাদি বলে।আমাদের কান ব্যথা হয়ে গেছিল ওনার ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো শুনতে শুনতে কিন্তু না,ওনার আপন জনদের কানে পৌঁছায় ই নি ওনার ঘ্যাণ ঘ্যাণ শব্দ।ওনাকে তাড়িয়েছিল ওনার প্রিয় বামপন্থী দল,ওনার প্রাণের বন্ধুরা তার পরেও বহু দিন বামপন্থী ই ছিলেন।তার পরের ১৫ বছর তৃনমূল থাকলো ওনার প্রাণের বন্ধুরাও তখন সবাই তৃনমূল হয়ে গেছিলেন কিন্তু সেই ১৫ বছর কালেও না সরকার ওনাকে পশ্চিমবঙ্গে এনেছে না ওনার প্রাণের বন্ধুরা এক বারের জন্য ও দাবী তুলেছেন বা ওনার নামটুকু ও উচ্চারণ করেছেন। এখন কলকাতায় তসলিমাকে ওসমান মল্লিক কি আনতে পারতেন যদি মুখ্যমন্ত্রী সর্মথন না করতেন, সাহায্য না করতেন,সিকিওরিটি না দিতেন?তসলিমা যদিও ওসমান মোল্লিককেই বেশী কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁর কোন এক সেকুলার দলের জন্য তবে শুভেন্দু অধিকারী সাহায্য না করলে কি ওসমান মল্লিক তাঁর একার শক্তিতে আনতে পারতেন?পরিস্থিতি এত শান্তিপূর্ণ থাকতো?তসলিমা কি ভুলে গেছেন তাঁর কলকাতা ত্যাগের সময়ের পরিস্থিতি?তাঁর নিজের জাত ভাইরা সেদিন কি করেছিল ভুলে গেছেন তা?কি ভাবে তাঁকে রাজ্য ছাড়তে হয়েছিল ভুলে গেছেন তা?তাই তসলিমার প্রথম এবং প্রধান কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিৎ ছিল শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি,তথাকথিত হিন্দু দলের প্রতি,হিন্দু সরকারের প্রতি। তারা আসলে হিন্দু দল হোক বা না হোক সেটাই দাবী করে হিন্দুরা।তার মানে তসলিমার প্রিয় বামপন্থীরা ওনাকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনেনি,তৃনমূল ও আনেনি কিন্তু আনলো বিজেপি।উনি বলবেন বিজেপি রাজনীতি করলো,সে তো সব দলই করে।বাকিরা না এনে করেছে,বিজেপি এনে করেছে। অথচ ওনার সুবিধাবাদী বন্ধু জয় গোস্বামী ওনার সাথে হোটেলে গিয়ে দেখা করলেন,সে করুন।উনিও অতীতের স্মৃতি ভুলে গিয়ে জয় গোস্বামী কে ওনার সভায় আমন্ত্রণ জানিয়ে বসলেন।জয় গোস্বামীও পুরাতন মৌমাছির রূপ ধারণ করে চলে গেলেন সভায়।চারপাশের মানুষ সেটা পছন্দ করবে কিনা ভাবার দরকার মনে করলেন না।আরও এক ধাপ এগিয়ে তসলিমা ওনাকে একেবারে স্টেজেই ডেকে বসলেন।উনিও চলে গেলেন স্টেজে।জনগণ আপত্তি জানানোতে ওনাকে নেমে যেতে হলো তাতে তসলিমার গোসা হলো,তিনি নাকি অপমানিত বোধ করলেন। যিনি নিজেই গেস্ট তিনি কি হোস্টের অনুমতি ছাড়া তার ঘরে অন্য কাউকে গেস্ট বানাতে পারেন?সেই অন্য কেউ হোস্টের পছন্দ বা অপছন্দ সে কথা না জেনে?আসলে তো এটা মুখ্যমন্ত্রীর অপমান হলো,উদ্যোক্তার অপমান হলো।তারপর ও দেখলাম তসলিমা লাগাতার ভিক্টিম কার্ড খেলে গেলেন অনেক দিন ধরে।ওনার বিচারে সব ধর্ম খারাপ তাই সব ধর্ম বাতিল করতে হবে।ওনার ধর্ম খারাপ তাই আমাদের ধর্মকেও খারাপ বলতে হবে ওনাকে খুশী করতে?আমরা হবে ওনাদের মত কোন মানুষকে কাটতে যাই?কাউকে ধর্ষণ করতে যাই? কার সম্পত্তি দখল করতে যাই?কাকে কোথায় কাফের মালাউন বলে অপমান করি?কার ধর্ম স্থান ভাঙ্গতে যাই?কার ধর্মকে আক্রমণ করি?তাহলে ওনার কেন সব ধর্মকে খারাপ বলতে হয়?ওনার বাংলাদেশের হিন্দু মেয়েদের জন্য খুব দুঃখ তারা পৈতৃক সম্পত্তির সমান ভাগ পায়না বলে।সমান ভাগ পেলে ওনার জাতের সুবিধা হতো বলে কি এত দুঃখ?হিন্দু মেয়েদের হাতে সম্পত্তি গেলে সেগুলো তো আসলে মুসলমানরাই পাবে লাভ জেহাদ করে,মেয়েগুলোকে হত্যা করে। নারী স্বাধীনতা নিয়ে ওনার প্রচুর কান্নাকাটি।হিন্দু মেয়েদের তো বস্তা বন্দী থাকতে হয়না,পুরুষদের পাঞ্জাবীর খুটে নিজেদের বেঁধে ঘর থেকে বেড় হতে হয়না,রুটি পুড়ে গেলে মার খেতে হয়না,তালাক খেতে হয়না, হালালা করতে হয়না, মুতা নিকা করতে হয়না,শুধু বাচ্চা বানানোর কারখানা হয়ে বাঁচতে হয়না।তারপর ও ওনার হিন্দু মেয়েদের জন্য প্রচন্ড দুঃখ।উনি নারী স্বাধীনতার জন্য প্রচন্ড কান্নাকাটি করেন,ওনার নারী স্বাধীনতা মানে নারীদের অবাধ যৌনাচার থাকতে হবে।এটা তো মুসলিম সমাজে আছেই তাহলে ওনার কার জন্য চাই এটা?হিন্দু মেয়েদের জন্য?ঘরে ঘরে সিফিলিস,এইডসের মত রোগ পৌঁছাতে হবে?হিন্দু সমাজকে মুসলিম সমাজের মত করতে হবে?তাহলে উনি খুশী হবেন?উনি বাচ্চাদের ও যৌন স্বাধীনতার পক্ষে বলেন।মুসলিম সমাজে সেটাও আছে তাহলে ওনার ইচ্ছা হিন্দু সমাজেও সেটা সবার মধ্যে চালু হোক?আমাদের সমাজ নষ্ট করার এত কেন ইচ্ছা?উনি নিজেকে নারীবাদী বলেন কিন্তু নিজে জীবনে চারজন পুরুষকে ই বিয়ে করেছেন,কোন মেয়েকে বিয়ে করেননি।এছাড়া সারা জীবন অসংখ্য পুরুষের(ওনার নিজে লেখা অনুসারে) সাথে অবাধ যৌনাচার করেছেন।এরপর আবার কি করে নারীবাদী হন? সলিমা নাসরিন কে নিয়ে ইউটিউব খুললেই উদ্দাম লাফালাফি দেখা যাচ্ছে।প্রত্যেকে এ দেখছি খুশীর দোকানের ঝাঁপ খুলে বসে পড়ছে তসলিমা কীর্তন করতে।দেখে বেশ অবাক ই লাগছে।আচ্ছা,একটা প্রশ্ন করি,তসলিমা ভারতের জন্য ঠিক কি কি কাজ করেছেন?আচ্ছা ভারত বাদ দিলাম,পশ্চিম বঙ্গের জন্য কি কি কাজ করেছেন? কখনও কোন অসহায়কে দু পয়সা দান করেছেন?কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দু চার জন মানুষকে খাইয়েছেন?কাউকে পড়ার খরচ দিয়েছেন?কাউকে চিকিৎসার খরচ দিয়েছেন?বা অন্ততপক্ষে নিজে ফ্রিতে চিকিৎসা করেছেন কারোর?না কোনদিন শুনিনি সেসব কথা।তিনি বই লিখেছেন অনেক,ভারতেও সেসব বই প্রচুর বিক্রি হয়েছে,তার থেকে প্রচুর পয়সা হয়েছে আর তাও হয়েছে হিন্দুর পয়সা কারণ মুসলমানরা ওনার বই তেমন কেনে না,তারা তো প্রতিনিয়ত মারতে ছোটে। তসলিমা কলকাতায় এলেন মানে আনা হলো দীর্ঘ ২০ বছর পর। আনলো আবার কারা?বিজেপি মানে যাদের হিন্দুর দল বলা হয়(আসলে হোক বা না হোক),সেই দলের মুসলমান এক ব্যক্তি ওসমান মল্লিক আর পুরো ব্যবস্থাপনায় ছিল বিজেপি দল এবং সেই দলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আমি বলছি তসলিমা একজন বামপন্থী,দাঁড়ান দাঁড়ান রে রে করে ওঠার আগে পড়ে তো নিন আমার বক্তব্যগুলো!তসলিমা যখন কলকাতায় ছিলেন ওনার সব বন্ধু – বান্ধবরা,যারা ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা ঘিরে থাকতেন মধুর চারপাশের মৌমাছির মত তারা প্রত্যেকেই ছিলেন বামপন্থী(তাদের নামের লিস্ট দিতে হবে না আশা করি)।এবার আপনারা বলুন তো আপনারা কাদের সাথে খেতে,ঘুমাতে বন্ধুত্ব করবেন? সম মতের মানুষের সাথে?নাকি ভিন্ন মতের মানুষের সাথে?ভিন্ন মতের মানুষের সাথে কথা হয়তো বলা যায় কিন্তু গভীর বন্ধুত্ব কি হয়? তসলিমা বিগত ২০ বছর ধরে খেয়াল গেয়ে গেছেন,”আমার জন্য কেউ একটা কথা বলছে না,কেউ আমাকে পশ্চিমবঙ্গে ফেরানোর দাবী করছে না,যারা আমার এত বন্ধু ছিল তারাও সবাই চুপ করে আছে,” ইত্যাদি ইত্যাদি বলে।আমাদের কান ব্যথা হয়ে গেছিল ওনার ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো শুনতে শুনতে কিন্তু না,ওনার আপন জনদের কানে পৌঁছায় ই নি ওনার ঘ্যাণ ঘ্যাণ শব্দ।ওনাকে তাড়িয়েছিল ওনার প্রিয় বামপন্থী দল,ওনার প্রাণের বন্ধুরা তার পরেও বহু দিন বামপন্থী ই ছিলেন।তার পরের ১৫ বছর তৃনমূল থাকলো ওনার প্রাণের বন্ধুরাও তখন সবাই তৃনমূল হয়ে গেছিলেন কিন্তু সেই ১৫ বছর কালেও না সরকার ওনাকে পশ্চিমবঙ্গে এনেছে না ওনার প্রাণের বন্ধুরা এক বারের জন্য ও দাবী তুলেছেন বা ওনার নামটুকু ও উচ্চারণ করেছেন। এখন কলকাতায় তসলিমাকে ওসমান মল্লিক কি আনতে পারতেন যদি মুখ্যমন্ত্রী সর্মথন না করতেন, সাহায্য না করতেন,সিকিওরিটি না দিতেন?তসলিমা যদিও ওসমান মোল্লিককেই বেশী কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁর কোন এক সেকুলার দলের জন্য তবে শুভেন্দু অধিকারী সাহায্য না করলে কি ওসমান মল্লিক তাঁর একার শক্তিতে আনতে পারতেন?পরিস্থিতি এত শান্তিপূর্ণ থাকতো?তসলিমা কি ভুলে গেছেন তাঁর কলকাতা ত্যাগের সময়ের পরিস্থিতি?তাঁর নিজের জাত ভাইরা সেদিন কি করেছিল ভুলে গেছেন তা?কি ভাবে তাঁকে রাজ্য ছাড়তে হয়েছিল ভুলে গেছেন তা?তাই তসলিমার প্রথম এবং প্রধান কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিৎ ছিল শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি,তথাকথিত হিন্দু দলের প্রতি,হিন্দু সরকারের প্রতি। তারা আসলে হিন্দু দল হোক বা না হোক সেটাই দাবী করে হিন্দুরা।তার মানে তসলিমার প্রিয় বামপন্থীরা ওনাকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনেনি,তৃনমূল ও আনেনি কিন্তু আনলো বিজেপি।উনি বলবেন বিজেপি রাজনীতি করলো,সে তো সব দলই করে।বাকিরা না এনে করেছে,বিজেপি এনে করেছে। অথচ ওনার সুবিধাবাদী বন্ধু জয় গোস্বামী ওনার সাথে হোটেলে গিয়ে দেখা করলেন,সে করুন।উনিও অতীতের স্মৃতি ভুলে গিয়ে জয় গোস্বামী কে ওনার সভায় আমন্ত্রণ জানিয়ে বসলেন।জয় গোস্বামীও পুরাতন মৌমাছির রূপ ধারণ করে চলে গেলেন সভায়।চারপাশের মানুষ সেটা পছন্দ করবে কিনা ভাবার দরকার মনে করলেন না।আরও এক ধাপ এগিয়ে তসলিমা ওনাকে একেবারে স্টেজেই ডেকে বসলেন।উনিও চলে গেলেন স্টেজে।জনগণ আপত্তি জানানোতে ওনাকে নেমে যেতে হলো তাতে তসলিমার গোসা হলো,তিনি নাকি অপমানিত বোধ করলেন। যিনি নিজেই গেস্ট তিনি কি হোস্টের অনুমতি ছাড়া তার ঘরে অন্য কাউকে গেস্ট বানাতে পারেন?সেই অন্য কেউ হোস্টের পছন্দ বা অপছন্দ সে কথা না জেনে?আসলে তো এটা মুখ্যমন্ত্রীর অপমান হলো,উদ্যোক্তার অপমান হলো।তারপর ও দেখলাম তসলিমা লাগাতার ভিক্টিম কার্ড খেলে গেলেন অনেক দিন ধরে।ওনার বিচারে সব ধর্ম খারাপ তাই সব ধর্ম বাতিল করতে হবে।ওনার ধর্ম খারাপ তাই আমাদের ধর্মকেও খারাপ বলতে হবে ওনাকে খুশী করতে?আমরা হবে ওনাদের মত কোন মানুষকে কাটতে যাই?কাউকে ধর্ষণ করতে যাই? কার সম্পত্তি দখল করতে যাই?কাকে কোথায় কাফের মালাউন বলে অপমান করি?কার ধর্ম স্থান ভাঙ্গতে যাই?কার ধর্মকে আক্রমণ করি?তাহলে ওনার কেন সব ধর্মকে খারাপ বলতে হয়?ওনার বাংলাদেশের হিন্দু মেয়েদের জন্য খুব দুঃখ তারা পৈতৃক সম্পত্তির সমান ভাগ পায়না বলে।সমান ভাগ পেলে ওনার জাতের সুবিধা হতো বলে কি এত দুঃখ?হিন্দু মেয়েদের হাতে সম্পত্তি গেলে সেগুলো তো আসলে মুসলমানরাই পাবে লাভ জেহাদ করে,মেয়েগুলোকে হত্যা করে। নারী স্বাধীনতা নিয়ে ওনার প্রচুর কান্নাকাটি।হিন্দু মেয়েদের তো বস্তা বন্দী থাকতে হয়না,পুরুষদের পাঞ্জাবীর খুটে নিজেদের বেঁধে ঘর থেকে বেড় হতে হয়না,রুটি পুড়ে গেলে মার খেতে হয়না,তালাক খেতে হয়না, হালালা করতে হয়না, মুতা নিকা করতে হয়না,শুধু বাচ্চা বানানোর কারখানা হয়ে বাঁচতে হয়না।তারপর ও ওনার হিন্দু মেয়েদের জন্য প্রচন্ড দুঃখ।উনি নারী স্বাধীনতার জন্য প্রচন্ড কান্নাকাটি করেন,ওনার নারী স্বাধীনতা মানে নারীদের অবাধ যৌনাচার থাকতে হবে।এটা তো মুসলিম সমাজে আছেই তাহলে ওনার কার জন্য চাই এটা?হিন্দু মেয়েদের জন্য?ঘরে ঘরে সিফিলিস,এইডসের মত রোগ পৌঁছাতে হবে?হিন্দু সমাজকে মুসলিম সমাজের মত করতে হবে?তাহলে উনি খুশী হবেন?উনি বাচ্চাদের ও যৌন স্বাধীনতার পক্ষে বলেন।মুসলিম সমাজে সেটাও আছে তাহলে ওনার ইচ্ছা হিন্দু সমাজেও সেটা সবার মধ্যে চালু হোক?আমাদের সমাজ নষ্ট করার এত কেন ইচ্ছা?উনি নিজেকে নারীবাদী বলেন কিন্তু নিজে জীবনে চারজন পুরুষকে ই বিয়ে করেছেন,কোন মেয়েকে বিয়ে করেননি।এছাড়া সারা জীবন অসংখ্য পুরুষের(ওনার নিজে লেখা অনুসারে) সাথে অবাধ যৌনাচার করেছেন।এরপর আবার কি করে নারীবাদী হন?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *