নিরামিষ জেহাদ

ভারত সরকার কেন সব হিন্দুদের জোর করে নিরামিষাশী করে তুলতে চাইছে?উদ্দ্যেশ্য স্পস্ট।যাতে বিদেশী এবং স্বদেশী শত্রুরা এক ধারসে হিন্দুদের কেটে সাফ করে ফেলতে পারে।যাতে কোন হিন্দু বিন্দুমাত্র ও প্রতিরোধ করতে না পারে।যারা শুধু ঘাস পাতা খেয়ে বাঁচবে তারা তাদের উপর আক্রমণ হলে রক্ত দেখেই ভিরমি খাবে।প্রতিরোধ আর করবে কোন হার্ট নিয়ে?তাছাড়া যারা কোন দিন আমিষ খাবেনা তাদের ভেতর কোন ও রকম তামসিক শক্তি থাকবেই না তো তা কাজ করবে কোথা থেকে?গরু,ছাগল,হরিণ মানে তৃণভোজী প্রাণীরা বাঘ,সিংহের খাদ্য কেন হয়?তারা বাঘ,সিংহের খাদ্য হতেই জন্মায়।সেসব ভাবুন উত্তর টা বুঝে যাবেন।ন্যাকা ন্যাকা অহিংস শব্দটা শুনতেই ভাল লাগে।অহিংস হলে পৃথিবী থেকে বিলীন হতে হবে,পৃথিবীতে বাঁচা যাবেনা।একদিক থেকে ইসকন,অন্য দিক থেকে আর্য সমাজীরা,আরেক দিকে মোদী মিলে হিন্দু নিধনের ব্যবস্থা করছে।গান্ধী নাটক করে নিরামিষ খেতো কিন্তু প্রাণ বাঁচানোর জন্য পাঁঠার মাংস বিক্রেতা গোপাল মুখার্জীর পায়ে পড়েছিল।গোপাল মুখার্জীর যায়গায় আমি থাকলে অপদটাকে মোটেই বাঁচাতাম না।এক বাটি ছোলা ভেজা হাতে ধরিয়ে দিয়ে হাঁটা দিতাম।এখন আমাকে কেউ আক্রমণ করলে আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে থেকে ভেউ ভেউ করে মরবো না।অন্তত কিছু মেরে তারপর মরবো।অনেকের সাথে একা হয়তো পারব না কিন্তু চুপ করেও মরবো না।কিছু মেরে তারপর মরবো কিন্তু আমি যদি এক বছর ঘাস পাতা চিবিয়ে থাকি তাহলে ভেউ ভেউ করবো তারপর মরবো।বাংলাদেশের বেশির ভাগ হিন্দু বৈষ্ণব তার ফলাফল দু বছর ধরে দেখা যাচ্ছে। আরে বাবা মরবে সেটা তো জন তাহলে কিছু লোককে মেরে মর না!না!ভেউ ভেউ করবে আর মরে শেষ হবে।কাশ্মীরের পণ্ডিতরা সবাই প্রায় নিরামিষ খেতো ফল তো সবার জানা।বাঙ্গালী মাছ,মাংস খায় তাই স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রায় সবাই এ বাঙালী। বাঙালীদের ছাগল,ভ্যাঁড়া না বানালে বিদেশীদের আবার দখল করা সমস্যা হয়ে যাবে যে!একবার তাড়িয়েছে,এবার তো নতুন করে আর ঢুকতেই দেবেনা।তাই বানাও সব বাঙালী কে ছাগল, ভ্যাঁড়া।তাহলে সহজেই সফল হবে।মোদী সবাইকে যে ঘাস খাওয়ানো ধরিয়ে নপুংসক বানাতে চাইছেন,ওনার গুজরাটের কয়টা লোক ঘাস খেয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিয়েছিল?যতসব নষ্টামি শুরু হয়েছে!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *