একটা প্রাচীন বৈভবশালী, ঐতিহ্যবাহী, জ্ঞানবাহী দেশকে কীভাবে ধ্বংস করতে হয় তার কেস স্টাডি ভারতের ওপর করতে হয়।
দেশকে তুলে দিতে হবে নেহরুর মতো কুলাঙ্গার, স্বার্থান্বেষী মূর্খের হাতে যার মধ্যে দেশাত্মবোধের বিন্দুমাত্র ভেজাল নেই। এরপর দেশের ম্যাংগো জনতাকে হিন্দী সিনেমার চরস শোঁকাতে হবে। ফিল্মের হিরোদের গ্ল্যামারাইজ করতে হবে তাদের মোরাল ভ্যালু বলে কোনো কিছু না থাকলেও। পলিটিক্যালি মোটিভেটেড ছাগলদের স্কুল টিচার নিয়োগ করাতে হবে এবং স্কুল কলেজে পলিটিক্যাল ছাত্র ইউনিয়ন গঠন করতে হবে। খবরের কাগজে পলিটিক্স বিষয়টাকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ক্রিকেট খেলাটাকে জাতীয় নেশায় পরিনত করতে হবে। সাহিত্য, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, চিত্রশিল্পী লেখক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, সমাজ সংস্কারকের ওপরে রাখতে হবে ক্রিকেটার আর সিনেমার অভিনেতাদের। এদের তারকা বানিয়ে প্রোমোট করতে হবে। পলিটিক্যাল নেতাদের দেশের আইকন হিসেবে তুলে ধরতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়াকে ডিজিটাল লুচ্চামির ঠেক বানাতে উৎসাহ দিতে হবে। টিভিতে পরিবার ধ্বংসকারী সিরিয়াল তৈরী করে কাশির সিরাপের মতো গেলাতে হবে। বিভিন্ন ডিজিটাল জুয়ার অ্যাপকে বিজ্ঞাপিত করতে হবে। এইসব কাজে যাতে কোনোভাবেই কেউ বাধা সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য সবরকমের ব্যবস্থা আগাম তৈরী করে রাখতে হবে। দেশে যে পার্টিই আসুক আর যে কেউই প্রধানমন্ত্রী হোক এই ছকের বাইরে চলতে চেষ্টা করলেই হটিয়ে দিতে হবে দশ রকমের ন্যারেটিভ তৈরী করে।
ভারতকে হিন্দুশূণ্য করাটা খুবই জরুরী। তার জন্য ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে অস্ত্রের মতো, বিষের মতো, আগুনের মতো। যেদিন হিন্দুরা কমজোর হয়ে যাবে বা সংখ্যালঘু হয়ে যাবে সেদিন ইসলামের প্রয়োজন শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ হিন্দুর অস্তিত্বের ওপর ইসলাম 100% টিকে রয়েছে। ভারত থেকে হিন্দু নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলে এই ধরাতলে ইসলাম বলে কিছুই থাকবে না।
দেশ ভাঙার আয়োজন চলছে স্বাধীনতার পর থেকেই। ইউরোপের ধাঁচে আলাদা আলাদা দেশ করার চিন্তা রয়েছে। অর্থাৎ ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলি কে আলাদা আলাদা দেশ করার চিন্তা রয়েছে। মাইক্রো নেশনস হলে কন্ট্রোল এন্ড ডমিনেশনে সুবিধা হবে। একশো বছর আগে পৃথিবীতে কতগুলি দেশ ছিল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কতগুলি দেশ বৃদ্ধি পেয়েছে তা খতিয়ে দেখলেই বিষয়টা বুঝতে সুবিধা হবে। ভারতে মোট পঞ্চাশটা অঙ্গরাজ্যের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের কয়েকটা জেলা নিয়ে সীমাচল করার প্রস্তাব অনেক পুরানো। ইউপি, এমপি, গুজরাট, রাজস্থান, আসাম, পাঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, ওড়িশার বিভাজন করা হবে।
চীনের ক্ষেত্রেও এই ধরনের চিন্তাভাবনা রয়েছে যদিও চীনের আভ্যন্তরীণ বিষয় বাইরে আসে না বলে বিষয়টার বাস্তবতা বলা কঠিন। ইউরোপের কিছু দেশ ভেঙে আরো কিছু ছোট দেশ আত্মপ্রকাশ করবে। রাশিয়া, ব্রাজিল, ইরানের ক্ষেত্রেও একই প্রস্তাবনা রয়েছে। অর্থাৎ আগামী পঞ্চাশ ষাট বছর পরে পৃথিবীতে তিনশোর অধিক দেশ হলে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। সবমিলিয়ে ভবিষ্যতের পৃথিবীর মানচিত্র বহু ছোট ছোট দেশে ভরে যাবে। কাজেই আরএসএস ও বিজেপির অখন্ড ভারতের জুমলা চ্যবনপ্রাশের মতো যারা চাটছে তাদের জন্য ঠান্ডা জলভর্তি এক বালতি সমবেদনা জানানো যাইতেছে। তবে অর্থনৈতিক কারণেই পিওকে ভারতের সাথে যুক্ত করা হবে। পাকিস্তানকে চার পাঁচ ভাগ করে মাইক্রো দেশ গঠন করা হবে।
যারা বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই, ঝগড়ায় ব্যস্ত তাদের কালকের চিন্তা নেই। দেশভাগ হলে তারা মস্তিতে এনজয় করবে। তৃণমূল ও বাংলাদেশ গ্রেটার বাংলাদেশের দুঃস্বপ্ন দেখছিল। এই গাঁড়োলদের কে বোঝাবে ফিউচার ওয়ার্ল্ড ওদের আবেগ দিয়ে তৈরী হবে না। ফিউচার ওয়ার্ল্ড কেমন হবে এই প্রশ্নটা অনেকের মাথায় আসতে পারে। তাহলে বুঝতে হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ক্রিপ্টো কারেন্সি, ডিজিটাল রেভেলিউশন, কোয়ান্টাম কমপিউটার, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, রোবোটিক্স, মেশিন লার্নিং, কোডিং, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি, এখন কোন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এআই হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স সিঙ্গুলারিটি পয়েন্টকে হয়তো দুই তিন বছরের মধ্যেই অতিক্রম করে যাবে। তখন এআই আর বেবি অবস্হায় থাকবে না। যে ডিসিশনগুলো নিতে এখন কয়েক বছর লেগে যাচ্ছে সেইসব ডিসিশন লহমায় নেওয়া হয়ে যাবে। দেশ ভাগ করতে যে সব বাধা আসবে তার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে তার ফুলপ্রুফ প্ল্যানিং সেকেন্ডের মধ্যেই তৈরী হয়ে যাবে। মানুষের সীমায়িত বুদ্ধি দিয়ে যা থামানো অসম্ভব হয়ে যাবে।
তাহলে ভারতের মতো প্রাচীন একটা দেশ ধ্বংস করে কী হবে? হ্যাঁ, প্রচুর ছোট ছোট দেশ তৈরী হবে। পেপার কারেন্সি পৃথিবীর থেকে উঠে যাবে কাজেই সমস্যা কিছুই হবে না।
ধর্ম, জাতি, পরম্পরা, ভাষা, সংস্কৃতি সবই লোপ পাবে। এগুলো খুব দ্রুততার সাথেই করা হবে। পৃথিবীতে দরিদ্র আর অকর্মণ্য লোক প্রয়োজন পড়বে না। কাজেই রিসোর্সের পিন্ডি চটকানো অপদার্থ, অশিক্ষিত জনগণকে বন্ধ্যা করে দেওয়া হবে।
কোনো বিপ্লব, আন্দোলন, প্রতিবাদ করে বিন্দুমাত্র লাভ হবে না। আমি এই পোস্টটা করলাম যাতে প্রত্যেকে নিজের ভ্যালু উপলব্ধি করতে পারে এবং নিজেকে ফিউচার রেডি করতে এখন থেকেই যত্নবান হয়। ক্রিকেট দেখে, পার্টির পিছনে ছুটে, ক্লাবে আড্ডা মেরে, পার্কে রোমান্স করে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট কেউ যেন না করে। সামনে অত্যন্ত বিভীষিকাময় ভবিষ্যৎ আসতে চলেছে। তার জন্য যদি নিজেকে রেডি না করে কেউ এখন থেকেই সে পিছিয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে সমাজকে অভিযোগ করার জন্যও কাউকে পাশে পাবে না। নিষ্ঠুর সেই ভবিষ্যতের পৃথিবী। কারো অভাব অভিযোগ শোনার সময় ও ইচ্ছা কারোর কাছে থাকবে না। ডিপ্রেশনে ভুগে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। নিজের পোটেনশ্যাল অনুযায়ী ভবিষ্যতের জন্য প্রত্যেকের উচিত নিজেকে তৈরী করা। অমুকের ষড়যন্ত্র, তমুকের শয়তানি এইসব বলে কিসস্যু লাভ নেই। এখন লাইক, ভিউ পাওয়া গেলেও তখন সোশ্যাল মিডিয়া থাকবে না। এখন ওয়েব 2 প্ল্যাটফর্ম চলছে আর কয়েক বছর পরে ওয়েব 3 পুরোপুরিভাবে চলে আসবে অর্থাৎ ওয়েব 2 তখন 3 জি বা 2 জির মতোই ব্যবহার করা হবে না।
যাইহোক যারা কাঁদুনি গেয়ে আবেগের স্রোতে ভাসতে ইচ্ছুক তাদের জন্য ঠান্ডা জলের সমবেদনা জানানো হয়ে গেছে। যারা প্র্যাকটিক্যাল ও লজিক্যাল চিন্তাভাবনাকে গুরুত্ব দেয় তারা এই পোস্টের গুরুত্ব বুঝতে পারবে। আমরা ধীরে ধীরে টাইপ ওয়ান সিভিলাইজেশনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি কাজেই সমাজব্যবস্থা আরো জটিল হবে কিছু করার নেই। সমাজ মনস্তাত্ত্বিকরা এই বিষয়ে ডিটেলে আলোচনা করতে পারবে। সমাজবিদ্যার ফিউচারোলজি বিষয় থেকে কিছু কথা শেয়ার করলাম। কেউ যদি সামান্যতমও উপকৃত হয় তাহলে ভীষণ আনন্দিত হবো।
ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে সুস্বাগতম 🙏
Abhijit Chowdhury এর থেকে সংগৃহিত অংশ
মুসলিমদের চিন্তা ভাবনায়
মালাবার থেকে হায়দ্রাবাদ হয়ে ভূপাল পর্যন্ত করিডোর ইস্ট ওয়েস্ট(পূর্ব – পশ্চিম পাকিস্তান)করিডোরের সাথে মিলবে।কাশ্মীর,আসাম,জুনাগর এর অতিরিক্ত এলাকা টার্গেটে রয়েছে।এই একটা বিভাজনের কথা রয়েছে।অন্য একটা পশ্চিমবঙ্গ,বাংলাদেশ,বিহার,ঝাড়খন্ড, ছত্রিশগড়,আসাম,ত্রিপুরা,মনিপুর এসব মিলিয়ে একটা গ্রেটার বাংলা বানাবে।গান্ধী চেয়েছিলেন পাকিস্থান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত ভারতের ভেতর দিয়ে দশ কিলোমিটার চওড়া একটা করিডোর বানাতে যাতে প্রথম অবস্থায় ওই পথ দিয়ে বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মধ্যে যোগযোগ টা মজবুত করতে পারে তারপর ভারতের ভেতর ও ভালভাবে বিস্তার লাভ করে কব্জা করতে পারে।ওদিকে কেরালাকে আলাদা মুসলিম রাষ্ট্র করার দাবী তুলে দিয়েছে,কাশ্মীর কে বাকি ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করেই রেখেছে।
খ্রিষ্টানরা আবার পুরো নর্থ ইস্টকে আগে খ্রিষ্টান দেশ বানাবে মায়ানমার,পার্বত্য চট্টগ্রাম ইত্যাদি নিয়ে।গোয়া থেকে খ্রিষ্টান সরকার পরিচালনা করে।পণ্ডিচেরী,হিমাচল এবং হিমালয়ান রেঞ্জ ধরে ইহুদীরা তাদের থাবা বিস্তার করছে।সাথে কাশ্মীরে ও ইহুদী এবং খ্রিষ্টানদের ও দখল আছে।নর্থ ইস্টে ইহুদিদের ও কব্জা আছে।
ভারত এমন একটা দেশ একমাত্র যেখানে ই শুধুমাত্র ইহুদীরা হাজার হাজার বছর ধরে সসম্মানে সুরক্ষিত ভাবে আশ্রয় পেয়েছে,বাস করেছে,বড় বড় পদে কাজ করেছে,ব্যবসা বাণিজ্য করেছে।তারপরেও কিন্তু অন্তঃসলিলা ভাবে থাবা বিস্তার করছে।যদিও রাষ্টগত ভাবে ইজরায়েল ভারতের সাথে বন্ধুত্ব করেই চলে,সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, সমর্থন করে সব সময়।ভারতীয়রাও ইহুদীদের বন্ধু ই মনে করে।কব্জা করার কাজটা কারা কি ভাবে করে সেটা একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন। কেরালায় খ্রিস্টানরাও দেশ বানাতে চায়।ঝাড়খন্ড,বিহার,পশ্চিমবঙ্গ ইত্যাদি নিয়ে ও খ্রিষ্টান দেশ বানাতে চায় খ্রিষ্টানরা।উড়িষ্যায় ও খ্রিষ্টানরা প্রভাব বিস্তার করছে।সামনে ইসলামিক জুজু দেখিয়ে,মুসলমানদের জুজু হিসেবে ভয় দেখিয়ে আসলে খ্রিষ্টানরা বিশাল থাবা বিস্তার করছে ভারতে আর ইহুদীরাও তুলনামূলক ভাবে ছোট হলেও থাবা বিস্তার করছে।
ভারত যেন একটা বেওয়ারিশ দেশ সবাই মিলে তাকে কেটে টুকরো টুকরো করে খাবে।ভারতের নিজস্ব কোন নাগরিক নেই,ভারতের নিজস্ব কোন অধিকারী নেই,নিজস্ব কোন দাবিদার নেই।ভারতকে যারাই দখলে নিতে চায় তাদের সবাইকে ভারত থেকে বিতাড়িত করা উচিৎ।ভারতে কেন কোন অহিন্দু থাকবে?থাকলেও কেন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর নাগরিক হয়ে থাকবে না?কোন আব্রাহামিক দেশে কি ভারতের হিন্দুরা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হতে পারে?তাহলে কি কারনে ভারতে আব্রাহামিকরা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকবে?
এই দখলদারী থাবা থেকে ভারতকে রক্ষা করার একটাই পথ আছে।রাজ্যগুলোকে জুড়ে জুড়ে বড় করে ফেলা যাতে কোন রাজ্যের এক ইঞ্চি জায়গাও কেউ দখল করতে না পারে।অতীতের বাংলা(আজকের পশ্চিমবঙ্গ),বিহার,ঝাড়খণ্ড, ছত্রিশগড়,উড়িষ্যা,আসাম,ত্রিপুরা,মনিপুর,মিজোরাম,নাগাল্যান্ড,মেঘালয়,সিকিম,ভুটান,অরুণাচল প্রদেশ এসব মিলিয়ে বঙ্গদেশ বানাতে হবে।
রাজস্থান,গুজরাট,পাঞ্জাব,হরিয়ানা,উত্তরাখণ্ড,হিমাচলপ্রদেশ,জম্মু কাশ্মীর,লাদাখ মিলিয়ে একটা রাজ্য করতে হবে।উত্তর প্রদেশ,মধ্য প্রদেশ,মহারাষ্ট্র মিলিয়ে একটা রাজ্য বানাতে হবে।কর্ণাটক,তেলেঙ্গানা,অন্ধ্রপ্রদেশ,তামিলনাড়ু,কেরালা মিলিয়ে আরেকটা রাজ্যে বানাতে হবে।
সব রাজ্যের মানুষকে বোঝাতে হবে বিপদ টা কোথায়,কেন সংযুক্তিকরণ করতে হবে।পুরো ভারতে চারটা রাজ্য থাকলেই যথেষ্ট এতে অনুপ্রবেশ সমস্যা চট করে নজরে আসবে।রাজ্যগুলোর সীমানার জন্য আলাদা একটা ফোর্স তৈরী করতে হবে যাদের কাজ হবে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কোন অনুপ্রবেশকারী যেতে না পারে।একটা ফোর্স করতে হবে যারা নজর রাখবে কেউ কাউকে যাতে ধর্মান্তরিত না করতে পারে টা দেখার জন্য এবং ধর্মীয় বিস্তারবাদী থাবা বিস্তার না করতে পারে সেটা দেখার জন্য। বিএসএফরা দেশের বর্ডারগুলো দেখবে।সব আর্মি সারা দেশের এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষা দেখবে।বকি যেসব ফোর্স আছে তারা স্পেশাল ব্যাপারগুলো তেমন দেখে তেমন ই দেখবে।
বিশাল বিশাল মন্ত্রীসভা পুষতে হবেনা,খরচ অর্ধেকের ও নীচে নেমে যাবে।সারা বছর ধরে চলা ভোটের ঝামেলা কমে যাবে।বিধান সভা,লোক সভা,পঞ্চায়েত,মিউনিসিপ্যালিটি সব কিছুর ভোট একসাথে করতে হবে।খমতাবিহীন রাষ্ট্রপতি পদে বদল আনতে হবে।রাষ্ট্রপতি পদের হাতে ক্ষমতা থাকতে হবে।প্রধান মন্ত্রী এবং আদালতের(সুপ্রিম কোর্ট সমেত)ন্যায় অন্যায়ের বিচার করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকতে হবে।আবার রাষ্ট্রপতি কোন অন্যায় করলে তার বিচারের ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির হাতে থাকতে হবে।সব রকম সেনা,পুলিশ সমেত সব রকম বিভাগ রাষ্ট্রপতির অধীনে রাখতে হবে।