নিরামিষ জেহাদ

ভারত সরকার কেন সব হিন্দুদের জোর করে নিরামিষাশী করে তুলতে চাইছে?উদ্দ্যেশ্য স্পস্ট।যাতে বিদেশী এবং স্বদেশী শত্রুরা এক ধারসে হিন্দুদের কেটে সাফ করে ফেলতে পারে।যাতে কোন হিন্দু বিন্দুমাত্র ও প্রতিরোধ করতে না পারে।যারা শুধু ঘাস পাতা খেয়ে বাঁচবে তারা তাদের উপর আক্রমণ হলে রক্ত দেখেই ভিরমি খাবে।প্রতিরোধ আর করবে কোন হার্ট নিয়ে?তাছাড়া যারা কোন দিন আমিষ

নিরামিষ জেহাদ Read More »

ইসকন,সিআইএ,শীতযুদ্ধ

সত্তরের দশকটি ছিল শীতল যুদ্ধের চরম পর্ব, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিযোগিতা করছিল বিশ্বমঞ্চে আধিপত্য বিস্তারের জন্য। এই প্রতিযোগিতায় কেবল অস্ত্র বা অর্থনীতি নয়, ব্যবহার করা হয়েছিল ‘সংস্কৃতি’ এবং ‘ধর্ম’-কেও। আর এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ISKCON) হয়ে উঠেছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—বিশেষ করে CIA ও মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কৌশলগত বিশ্লেষণে। এই অধ্যায়ে বিশ্লেষণ

ইসকন,সিআইএ,শীতযুদ্ধ Read More »

প্রভুপাদ ও সিআইয়ের পরিকল্পনা

ইসকন (ISKCON – International Society for Krishna Consciousness) ১৯৬৬ সালে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক দশকের মধ্যে বিশ্বের বহু দেশে তার উপস্থিতি সুদৃঢ় করে। তবে এক বিশিষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়ে যায়—যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে ইসকন ছিল একটি আমদানি-কৃত ভারতীয় ধর্মীয় চর্চার নাম, সেখানে ভারতে ইসকনের আগমন ঘটল একটি রপ্তানি-কৃত পণ্যের ‘প্রতিনিধিত্ব’ নিয়ে। এ এক বৈচিত্র্যপূর্ণ

প্রভুপাদ ও সিআইয়ের পরিকল্পনা Read More »

ইসকনের বিস্তার ও বিজেপির ভূমিকা

ইসকন (ISKCON – International Society for Krishna Consciousness) ১৯৬৬ সালে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এক দশকের মধ্যে বিশ্বের বহু দেশে তার উপস্থিতি সুদৃঢ় করে। তবে এক বিশিষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়ে যায়—যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে ইসকন ছিল একটি আমদানি-কৃত ভারতীয় ধর্মীয় চর্চার নাম, সেখানে ভারতে ইসকনের আগমন ঘটল একটি রপ্তানি-কৃত পণ্যের ‘প্রতিনিধিত্ব’ নিয়ে। এ এক বৈচিত্র্যপূর্ণ

ইসকনের বিস্তার ও বিজেপির ভূমিকা Read More »

ইসকন চালায় কারা

ঠান্ডা যুদ্ধ ও ধর্মীয় আদর্শ যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্রদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী যুগে বিশ্ব দুই মেরুতে বিভক্ত হয়ে পড়ে—পূঁজি ও গণতন্ত্রের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র, আর সমাজতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়ন। এই বিভক্তি শুধুমাত্র সামরিক কিংবা কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা ধর্মীয় আদর্শ ও সাংস্কৃতিক পরিসরেও বিস্তৃত হয়। এই অধ্যায়ে আলোচিত হবে কিভাবে ইসকন (ISKCON)– একটি

ইসকন চালায় কারা Read More »

সিআইএ-ইসকন যোগ

ACYPL একটি মার্কিন রাষ্ট্রীয় সংস্থা, যার কাজ হল বিশ্বের উদীয়মান রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো, সংস্কৃতি ও রাজনীতি সম্পর্কে অবগত করা। এটি “সফট পাওয়ার” কৌশলের অংশ হিসাবে কাজ করে, বিশেষ করে তথাকথিত “থার্ড ওয়ার্ল্ড” দেশে। বহু ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাই এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন—এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন নরেন্দ্র মোদী (১৯৯৩)।ACYPL-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট

সিআইএ-ইসকন যোগ Read More »

বাআল সম্পর্কে আরো তথ্য

“বাল” বা “বাআল” ছিলেন প্রাচীন কানানীয় ও ফিনিশীয় ধর্মীয় জগতের একজন গুরুত্বপূর্ণ দেবতা। “বাআল” শব্দটির মূল অর্থ “প্রভু”, “অধিপতি” বা “কর্তা”। তাই প্রাচীন পশ্চিম সেমিটিক ভাষায় “বাআল” শব্দটি সব সময় একটি নির্দিষ্ট দেবতার ব্যক্তিনাম ছিল না; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি সাধারণ অর্থে “প্রভু” বা “অধিপতি” বোঝাত এবং বিভিন্ন স্থানীয় দেবতার ক্ষেত্রেও এই উপাধি ব্যবহৃত হতে

বাআল সম্পর্কে আরো তথ্য Read More »

বাল দেবতা

Tবাল দেবতা – উগারিতের প্রাচীন ধর্ম থেকে হিব্রু বাইবেল পর্যন্তপ্রাচীন পশ্চিম এশিয়ার ধর্মীয় ইতিহাসে বাল বা Baal (Ugaritic: bʿl; Hebrew: בַּעַל, Baʿal) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। “Baal” শব্দটির মৌলিক অর্থ “প্রভু”, “অধিপতি”, “মালিক” বা “Lord”। তাই প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় এটি সবসময় যে একজন নির্দিষ্ট দেবতার নাম হবে, এমন নয়; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি সাধারণ উপাধি বা

বাল দেবতা Read More »

বাইবেলে মূর্ত্তিপূজা

বাইবেল কি কোরআনের থেকে আলাদা কিছু?মোটেই না,কারণ বাইবেল থেকে ই টুকে করার লেখা হয়েছে।তাই খ্রিস্টানরাও আমাদের বন্ধু হতে পারেনা কোনদিন। নীচে বলা অংশের পরের ধাপে খ্রিস্টানরাও মুসলমানদের মতো এ হিংস্রতার পথ অবলম্বন করে।বাইবেলে মূর্তি/প্রতিমা তৈরি ও উপাসনার বিরোধিতা করে এমন কিছু বক্তব্য নীচে দিলাম। যাত্রাপুস্তক 20:3–5 — অন্য দেবতার উপাসনা না করা এবং কোনো খোদিত মূর্তি

বাইবেলে মূর্ত্তিপূজা Read More »

ইসলামের আড্ডা

ইসলাম একটি একেশ্বরবাদী এবং আব্রাহামিক ধর্ম; যা আল্লাহর বানী (কোরআন) এবং নবী মুহাম্মাদ-এর প্রদত্ত শিক্ষা পদ্ধতি, জীবনাদর্শ (সুন্নাহ এবং হাদিস নামে লিপিবদ্ধ) দ্বারা পরিচালিত। ইসলাম শব্দটি এসেছে আরবি س-ل-م শব্দটি হতে; যার দু’টি অর্থঃ ১. শান্তি ২. আত্মসমর্পণ করা। সংক্ষেপে, ইসলাম হলো শান্তি (প্রতিষ্ঠা)’র উদ্দেশ্যে এক ও অদ্বিতীয় ঈশ্বর (আল্লাহ)-এর কাছে আত্মসমর্পণ করা।(এই শান্তি কেমন শান্তি যা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে?ধরা যাক আমার আত্মসমর্পণ করতে ইচ্ছা হলো না তার

ইসলামের আড্ডা Read More »